ঢাকা ০৯ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
চাখার-মীরেরহাট সড়ক সংস্কারে চরম ধীরগতি: দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ বঙ্গোপসাগর রক্ষার শপথ নিলেন শতাধিক তরুণ পরিবেশকর্মী ইসরাইলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ শিল্পকলায় উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সিলেট অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জেলা প্রশাসক  হবিগঞ্জ নওগাঁয় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, শীর্ষ দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বঞ্চিত, তালিকায় স্বজনপ্রীতির, শাল্লায় কৃষকদের প্রতিবাদ মিছিল  নীলফামারীর ডোমার বিএডিসি খামারে  মাটির উর্বরতা ফিরাতে ধইঞ্চা চাষ ফটিকছড়িতে বিষপানে যুবকের আত্নহত্যা

১৬ বছরের গুম খুনের কারণে হাসিনার পলায়ন

#
news image

জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় নেতারা বলেছেন, ১৬ বছরের গুম, খুন ও হত্যার কারণে ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।

তারা বলেন, দেশি-বিদেশি চক্রান্ত তথা ভারতের সহায়তায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা ক্ষমতায় এসেছিলেন। তাদের দু:শাসন থেকে দেশের মানুষকে মুক্ত করতে আপোষহীন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া 'দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও' আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন।

সোমবার দুপুরে ভোলা জেলা বিএনপি অফিস চত্বরে জুলাই-আগস্ট ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদ শ্রমিক দল নেতাকর্মীর পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাত ও আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন।

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়া কারো রক্ত চক্ষুর কাছে মাথা নত করেন নাই, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও কারো কাছে মাথা নত করেননি। তিনি দেশের সকল রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

বিএনপি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত চলেছিল। সেই আন্দোলন থামিয়ে দিতে বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। তার ছোট ছেলেকে হত্যা করা হয়, বড় ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েও যখন আন্দোলন দমাতে পারছিল না তখন একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে ফ্যাসিস্ট হাসিনা কারাগারে পাঠিয়েছিলেন।

ভোলা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শহিদুল আলম মানিকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মঞ্জুরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম, ঢাকা মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভোলা জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহম্মেদ।

ভোলা প্রতিনিধি :

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫,  4:15 AM

news image

জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় নেতারা বলেছেন, ১৬ বছরের গুম, খুন ও হত্যার কারণে ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।

তারা বলেন, দেশি-বিদেশি চক্রান্ত তথা ভারতের সহায়তায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা ক্ষমতায় এসেছিলেন। তাদের দু:শাসন থেকে দেশের মানুষকে মুক্ত করতে আপোষহীন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া 'দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও' আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন।

সোমবার দুপুরে ভোলা জেলা বিএনপি অফিস চত্বরে জুলাই-আগস্ট ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদ শ্রমিক দল নেতাকর্মীর পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাত ও আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন।

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়া কারো রক্ত চক্ষুর কাছে মাথা নত করেন নাই, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও কারো কাছে মাথা নত করেননি। তিনি দেশের সকল রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

বিএনপি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত চলেছিল। সেই আন্দোলন থামিয়ে দিতে বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। তার ছোট ছেলেকে হত্যা করা হয়, বড় ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েও যখন আন্দোলন দমাতে পারছিল না তখন একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে ফ্যাসিস্ট হাসিনা কারাগারে পাঠিয়েছিলেন।

ভোলা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শহিদুল আলম মানিকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মঞ্জুরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম, ঢাকা মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভোলা জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহম্মেদ।