ঢাকা ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
আজ বাংলা বছরের শেষদিন চৈত্র সংক্রান্তি তথ্য অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা প্রায় ৯০০ হত্যা চেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর চাপ্রাশিরহাট বাজারের সড়কের বেহাল দশা: দীর্ঘদিনের ভোগান্তিতে জনজীবন বিপর্যস্ত পলি কেবলস এর পণ্য গাজীপুরে সর্বাধিক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান কোয়ালিটি পরিবার  আলোচনা ব্যর্থ হলেও উপসাগরীয় যুদ্ধবিরতি আপাতত টিকে আছে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি ঢাবি’র বর্ষবরণ বৈশাখী শোভাযাত্রা সকাল ৯টায় শুরু জ্বর হলেই তাৎক্ষণিকভাবে হাম ধরে নেওয়া উচিত নয় : বিশেষজ্ঞ অভিমত

“আমি কে? অপপ্রচারের জবাবে আত্মকর্মে গড়া এক মানুষের গল্প”

#
news image

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো বিভিন্ন অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের জবাবে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন গাজীপুরের বিশিষ্ট উদ্যোক্তা ও গ্রীন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ ইসমাইল মোল্লা।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়াকে ধন্যবাদ—আমার মতো একজন ক্ষুদ্র মানুষকে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য। তবে দুঃখজনকভাবে কেউ কেউ আমাকে নিয়ে মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। কখনো বলা হচ্ছে আমি ফ্যাসিস্ট সরকারের এমপিদের অর্থ সহায়তা দিয়ে পদ দখল করেছি, আবার কখনো বলা হয়েছে আমি জামায়াতে ইসলামের বড় অর্থ যোগানদাতা। আসলে আমি কে—সেটা জানানোই প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
তিনি জানান, ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করে আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সাভার জাতীয় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে তিন মাসের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং প্রথম স্থান অধিকার করেন। সেই সময় তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার হাতে প্রথম পুরস্কার তুলে দেন।
১৯৯৭ সালে গাজীপুরের জয়দেবপুরের হারিনাল গ্রামে জমি ভাড়া নিয়ে একটি পোল্ট্রি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন ইসমাইল মোল্লা। তিনি বলেন, “আমি শুধু নিজের জন্য কাজ করিনি, গাজীপুরের বেকার যুব সমাজকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করার চেষ্টা করেছি। অনেকেই আজ প্রতিষ্ঠিত—যাদের মধ্যে বর্তমানের সিনিয়র সাংবাদিকরাও রয়েছেন।”
তার এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ আত্মকর্মী যুবক’ হিসেবে পুরস্কৃত হন। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে ১০০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাকে ও তার স্ত্রীকে জাতীয় যুব পুরস্কার প্রদান করেন।
পরবর্তীতে ২০০৫ সালে পোল্ট্রি খাত থেকে সরে এসে তিনি গ্রীন ডায়াগনস্টিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণ মালিকানা গ্রহণ করে এককভাবে পরিচালনা শুরু করেন এবং ২০০৯ সালে তা সম্প্রসারণ করে হাসপাতাল রূপ দেন। বর্তমানে তিনি জয়দেবপুর বাজার সংলগ্ন মার্কাস রোডে ‘গ্রীন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাব’ পরিচালনা করছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমার ব্যবসার সফলতা দেখে একসময় আমাকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। কিন্তু আমি কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না, ভবিষ্যতেও থাকার ইচ্ছা নেই।”
সম্প্রতি ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি গাজীপুর জেলার বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে তাকে গাজীপুর প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়—যা তার ভাষায় “অনিচ্ছা সত্ত্বেও দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ”।
শৈশবে বাবাকে হারিয়ে কঠোর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া ইসমাইল মোল্লা বলেন, “আমি রাজনীতি নয়, মানুষের সেবা করতে চাই। গাজীপুরের সাধারণ মানুষই আমার কাজের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে পারবেন।”
সবশেষে তিনি অপপ্রচারকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন, আল্লাহ যেন তাদের সঠিক বুঝ দান করেন এবং ক্ষমা করেন।”

শেখ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধি :

১২ এপ্রিল, ২০২৬,  7:04 PM

news image

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো বিভিন্ন অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের জবাবে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন গাজীপুরের বিশিষ্ট উদ্যোক্তা ও গ্রীন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ ইসমাইল মোল্লা।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়াকে ধন্যবাদ—আমার মতো একজন ক্ষুদ্র মানুষকে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য। তবে দুঃখজনকভাবে কেউ কেউ আমাকে নিয়ে মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। কখনো বলা হচ্ছে আমি ফ্যাসিস্ট সরকারের এমপিদের অর্থ সহায়তা দিয়ে পদ দখল করেছি, আবার কখনো বলা হয়েছে আমি জামায়াতে ইসলামের বড় অর্থ যোগানদাতা। আসলে আমি কে—সেটা জানানোই প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
তিনি জানান, ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করে আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সাভার জাতীয় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে তিন মাসের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং প্রথম স্থান অধিকার করেন। সেই সময় তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার হাতে প্রথম পুরস্কার তুলে দেন।
১৯৯৭ সালে গাজীপুরের জয়দেবপুরের হারিনাল গ্রামে জমি ভাড়া নিয়ে একটি পোল্ট্রি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন ইসমাইল মোল্লা। তিনি বলেন, “আমি শুধু নিজের জন্য কাজ করিনি, গাজীপুরের বেকার যুব সমাজকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করার চেষ্টা করেছি। অনেকেই আজ প্রতিষ্ঠিত—যাদের মধ্যে বর্তমানের সিনিয়র সাংবাদিকরাও রয়েছেন।”
তার এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ আত্মকর্মী যুবক’ হিসেবে পুরস্কৃত হন। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে ১০০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাকে ও তার স্ত্রীকে জাতীয় যুব পুরস্কার প্রদান করেন।
পরবর্তীতে ২০০৫ সালে পোল্ট্রি খাত থেকে সরে এসে তিনি গ্রীন ডায়াগনস্টিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণ মালিকানা গ্রহণ করে এককভাবে পরিচালনা শুরু করেন এবং ২০০৯ সালে তা সম্প্রসারণ করে হাসপাতাল রূপ দেন। বর্তমানে তিনি জয়দেবপুর বাজার সংলগ্ন মার্কাস রোডে ‘গ্রীন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাব’ পরিচালনা করছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমার ব্যবসার সফলতা দেখে একসময় আমাকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। কিন্তু আমি কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না, ভবিষ্যতেও থাকার ইচ্ছা নেই।”
সম্প্রতি ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি গাজীপুর জেলার বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে তাকে গাজীপুর প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়—যা তার ভাষায় “অনিচ্ছা সত্ত্বেও দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ”।
শৈশবে বাবাকে হারিয়ে কঠোর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া ইসমাইল মোল্লা বলেন, “আমি রাজনীতি নয়, মানুষের সেবা করতে চাই। গাজীপুরের সাধারণ মানুষই আমার কাজের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে পারবেন।”
সবশেষে তিনি অপপ্রচারকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন, আল্লাহ যেন তাদের সঠিক বুঝ দান করেন এবং ক্ষমা করেন।”