রাজবাড়ীর অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা চীন যাচ্ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৭ জুলাই, ২০২৬, 10:58 PM
রাজবাড়ীর অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা চীন যাচ্ছে
দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে রাজবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আবার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে যাচ্ছে। আধুনিক ও উন্নত প্রশিক্ষণ এবং নতুন নতুন কৌশল আয়ত্ত করতে রাজবাড়ীর ২০ সদস্যের একটি শিশু-কিশোর ও প্রশিক্ষক দল চীন সফরে যাচ্ছে। টিকিট পাওয়া সাপেক্ষে আগামী ৫ বা ৬ আগস্ট তাদের ঢাকার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে।
দীর্ঘদিনের অনুশীলন ও দক্ষতাকে আরও শাণিত করার প্রত্যাশা নিয়ে এই সফরকে ঘিরে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে বইছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্বমঞ্চের অন্যতম সমৃদ্ধ অ্যাক্রোবেটিক ঐতিহ্যের দেশ চীনে এই প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের এই শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শক্তিশালী ভিত্তি প্রদান করবে।
জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল কর্মকর্তা সুজিত কুমার সাহা জানান, রাজবাড়ীতে অবস্থিত দেশের একমাত্র অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় এবং তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উত্তর কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ দলের তত্ত্বাবধানসহ নানাভাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান শিশুদের দক্ষ শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে আসছে কেন্দ্রটি। নানাবিধ সীমাবদ্ধতার মধ্যেও রাজবাড়ী অ্যাক্রোবেটিক সেন্টারের শিল্পীরা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত পরিবেশনা উপহার দিয়ে আসছেন।
দলটির এই সফর প্রসঙ্গে সম্প্রতি রাজবাড়ী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বলেন, "আমাদের শিল্প-সংস্কৃতিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে এই ২০ জনের অ্যাক্রোবেটিক দলকে প্রশিক্ষণের জন্য চীনে পাঠানো হচ্ছে।" তিনি আরও জানান, তাঁর চীন সফরের সময় উভয় দেশের সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে চীনা নেতৃত্বের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় এই সুযোগ তৈরি হলো।
প্রতিমন্ত্রীর এই ঘোষণায় ঝিমিয়ে পড়া শিল্পীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজবাড়ীর ১৩ জন ছেলে ও ৫ জন মেয়ে শিশু-কিশোর এবং ২ জন প্রশিক্ষকসহ মোট ২০ জন এই সফরে অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তারা অর্জিত অভিজ্ঞতা দেশের অন্যান্য উদীয়মান শিল্পীদের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৭ জুলাই, ২০২৬, 10:58 PM
দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে রাজবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আবার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে যাচ্ছে। আধুনিক ও উন্নত প্রশিক্ষণ এবং নতুন নতুন কৌশল আয়ত্ত করতে রাজবাড়ীর ২০ সদস্যের একটি শিশু-কিশোর ও প্রশিক্ষক দল চীন সফরে যাচ্ছে। টিকিট পাওয়া সাপেক্ষে আগামী ৫ বা ৬ আগস্ট তাদের ঢাকার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে।
দীর্ঘদিনের অনুশীলন ও দক্ষতাকে আরও শাণিত করার প্রত্যাশা নিয়ে এই সফরকে ঘিরে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে বইছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্বমঞ্চের অন্যতম সমৃদ্ধ অ্যাক্রোবেটিক ঐতিহ্যের দেশ চীনে এই প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের এই শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শক্তিশালী ভিত্তি প্রদান করবে।
জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল কর্মকর্তা সুজিত কুমার সাহা জানান, রাজবাড়ীতে অবস্থিত দেশের একমাত্র অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় এবং তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উত্তর কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ দলের তত্ত্বাবধানসহ নানাভাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান শিশুদের দক্ষ শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে আসছে কেন্দ্রটি। নানাবিধ সীমাবদ্ধতার মধ্যেও রাজবাড়ী অ্যাক্রোবেটিক সেন্টারের শিল্পীরা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত পরিবেশনা উপহার দিয়ে আসছেন।
দলটির এই সফর প্রসঙ্গে সম্প্রতি রাজবাড়ী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বলেন, "আমাদের শিল্প-সংস্কৃতিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে এই ২০ জনের অ্যাক্রোবেটিক দলকে প্রশিক্ষণের জন্য চীনে পাঠানো হচ্ছে।" তিনি আরও জানান, তাঁর চীন সফরের সময় উভয় দেশের সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে চীনা নেতৃত্বের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় এই সুযোগ তৈরি হলো।
প্রতিমন্ত্রীর এই ঘোষণায় ঝিমিয়ে পড়া শিল্পীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজবাড়ীর ১৩ জন ছেলে ও ৫ জন মেয়ে শিশু-কিশোর এবং ২ জন প্রশিক্ষকসহ মোট ২০ জন এই সফরে অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তারা অর্জিত অভিজ্ঞতা দেশের অন্যান্য উদীয়মান শিল্পীদের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।