দ্রুত চুক্তির শর্তে ইরানে নতুন হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের
আন্তর্জাতিক ডেক্স :
০২ আগস্ট, ২০২৬, 11:18 PM
দ্রুত চুক্তির শর্তে ইরানে নতুন হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালানো আপাতত স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে। তবে এটি কার্যকর হবে যদি কয়েক মাস ধরে চলা এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে দ্রুত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আজ রবিবার ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত এএফপির এক প্রতিবেদনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে ইরানের ওপর ‘অত্যন্ত কঠোর’ হামলার হুমকি দেওয়ায় এবং দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোসহ বিভিন্ন স্থাপনায় নতুন করে ব্যাপক আক্রমণের খবর ছড়িয়ে পড়ায় পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল।
ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল। কিন্তু তেহরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলো নতুন এই সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে।
নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, “এই অনুরোধের ভিত্তিতে, বিশ্বের ভবিষ্যৎ কল্যাণ এবং একটি সফল ও সমৃদ্ধ ইরানের টিকে থাকার স্বার্থে আমি হামলা স্থগিত করতে সম্মত হয়েছি—তবে শর্ত হলো একটি দ্রুত চুক্তি হতে হবে।”
তিনি আরও জানান, সম্ভাব্য এই চুক্তির মূল শর্তগুলোর মধ্যে হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করা এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকির চূড়ান্ত অবসান অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। ইসরায়েলও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তেহরানে হামলার মাধ্যমে যে সংঘাতের সূচনা করেছিল, তা পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে। এর আগে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে তা ভেঙে যায়। সম্প্রতি নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলা শুরু হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ফের বাড়তে শুরু করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানায়, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকেই ইরানের তেল শোধনাগার ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে যৌথ হামলার পরিকল্পনা ছিল ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের। অন্যদিকে ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রতিবেদনে জানায়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান শনিবার ট্রাম্পকে টেলিফোন করে উত্তেজনা কমানো ও হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, সম্প্রতি মার্কিন হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার সিংহভাগ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তেহরান এখন পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও প্রণালি সংক্রান্ত চুক্তি করতে আগ্রহী। যদিও ওমান উপকূল ও লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালি সংলগ্ন আন্তর্জাতিক নৌপথে নতুন করে উত্তেজনা ও তেলবাহী জাহাজে আক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ডেক্স :
০২ আগস্ট, ২০২৬, 11:18 PM
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালানো আপাতত স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে। তবে এটি কার্যকর হবে যদি কয়েক মাস ধরে চলা এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে দ্রুত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আজ রবিবার ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত এএফপির এক প্রতিবেদনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে ইরানের ওপর ‘অত্যন্ত কঠোর’ হামলার হুমকি দেওয়ায় এবং দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোসহ বিভিন্ন স্থাপনায় নতুন করে ব্যাপক আক্রমণের খবর ছড়িয়ে পড়ায় পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল।
ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল। কিন্তু তেহরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলো নতুন এই সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে।
নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, “এই অনুরোধের ভিত্তিতে, বিশ্বের ভবিষ্যৎ কল্যাণ এবং একটি সফল ও সমৃদ্ধ ইরানের টিকে থাকার স্বার্থে আমি হামলা স্থগিত করতে সম্মত হয়েছি—তবে শর্ত হলো একটি দ্রুত চুক্তি হতে হবে।”
তিনি আরও জানান, সম্ভাব্য এই চুক্তির মূল শর্তগুলোর মধ্যে হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করা এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকির চূড়ান্ত অবসান অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। ইসরায়েলও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তেহরানে হামলার মাধ্যমে যে সংঘাতের সূচনা করেছিল, তা পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে। এর আগে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে তা ভেঙে যায়। সম্প্রতি নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলা শুরু হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ফের বাড়তে শুরু করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানায়, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকেই ইরানের তেল শোধনাগার ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে যৌথ হামলার পরিকল্পনা ছিল ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের। অন্যদিকে ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রতিবেদনে জানায়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান শনিবার ট্রাম্পকে টেলিফোন করে উত্তেজনা কমানো ও হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, সম্প্রতি মার্কিন হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার সিংহভাগ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তেহরান এখন পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও প্রণালি সংক্রান্ত চুক্তি করতে আগ্রহী। যদিও ওমান উপকূল ও লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালি সংলগ্ন আন্তর্জাতিক নৌপথে নতুন করে উত্তেজনা ও তেলবাহী জাহাজে আক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে।