ঢাকা ১২ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম নীলফামারীতে 'ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি’ অর্জনকারী ২৬৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা হবিগঞ্জ কারাগারে এক হাজতি বন্দির মৃত নিয়ে ধ্রমজাল, তদন্তের দাবি পরিবারের শিবগঞ্জ সীমান্তে পৃথক অভিযান, নেশাজাতীয় সিরাপ ও ট্যাবলেটসহ আটক ১ বড়লেখায় জমে উঠেছে ঈদ বাজার গাইবান্ধায় শ্রমিকদলের নেতা রঞ্জুর ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার স্পার বাঁধ থেকে অবৈধ মাটি কাটায় অর্থদণ্ড। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফোরামের উদ্যোগে নবনির্বাচিত ৪ এমপিকে সংবর্ধনা প্রদান। পৌরসভার নাকের ডগায় নিয়ম ভাঙছে ডেভেলপাররা, রহস্যজনকভাবে নীরব পৌরসভা ঈদে সড়ক পথে নিরাপদ যাত্রায় প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ শীর্ষক সভা 

মোংলা বন্দরকে বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হবে : সাখাওয়াত

#
news image

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলা বন্দরকে আন্তঃদেশীয় যোগাযোগ ও ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হবে বলে জানিয়েছেন, নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি পোর্টস গ্রুপের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি পোর্ট গ্রুপকে মোংলা বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মোংলা বন্দর দেশের একটি সম্ভাবনাময় বন্দর। এটি দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় এ সমুদ্র বন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজধানী ঢাকা থেকে বন্দরটির সড়ক পথে দূরত্ব মাত্র ২১০ কিলোমিটার। নৌ, সড়ক ও রেলপথের অবকাঠামো তৈরি থাকায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সহজে এখন পণ্য পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ নেপাল, ভারত ও ভুটানের জন্যও এই বন্দরের ব্যবহার দারুন সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আবুধাবি পোর্ট গ্রুপসহ দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোংলা বন্দরে বিনিয়োগের চমৎকার সুযোগ রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি পোর্টসের প্রতিনিধি দল নৌপরিবহন উপদেষ্টার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আবুধাবি গ্রুপ চট্টগ্রাম, মোংলা বন্দরসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার বে-টার্মিনাল নির্মাণের যে প্রকল্প হাতে নিয়েছে; সে প্রকল্পেও সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পৃক্ত থাকতে চায়। বে-টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম বন্দরের জট কমে আসবে পাশাপাশি আমদানি রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে এবং বাংলাদেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিনিধি দল জানায়, এছাড়াও এডি পোর্টস বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌবন্দর এবং নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালের আধুনিকায়ন এবং উন্নয়নে বিনিয়োগে তারা আগ্রহী।

এডি পোর্টস গ্রুপের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশের নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল হামুদি।

বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

২৮ জানুয়ারি, ২০২৫,  9:39 PM

news image

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলা বন্দরকে আন্তঃদেশীয় যোগাযোগ ও ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হবে বলে জানিয়েছেন, নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি পোর্টস গ্রুপের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি পোর্ট গ্রুপকে মোংলা বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মোংলা বন্দর দেশের একটি সম্ভাবনাময় বন্দর। এটি দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় এ সমুদ্র বন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজধানী ঢাকা থেকে বন্দরটির সড়ক পথে দূরত্ব মাত্র ২১০ কিলোমিটার। নৌ, সড়ক ও রেলপথের অবকাঠামো তৈরি থাকায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সহজে এখন পণ্য পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ নেপাল, ভারত ও ভুটানের জন্যও এই বন্দরের ব্যবহার দারুন সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আবুধাবি পোর্ট গ্রুপসহ দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোংলা বন্দরে বিনিয়োগের চমৎকার সুযোগ রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি পোর্টসের প্রতিনিধি দল নৌপরিবহন উপদেষ্টার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আবুধাবি গ্রুপ চট্টগ্রাম, মোংলা বন্দরসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার বে-টার্মিনাল নির্মাণের যে প্রকল্প হাতে নিয়েছে; সে প্রকল্পেও সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পৃক্ত থাকতে চায়। বে-টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম বন্দরের জট কমে আসবে পাশাপাশি আমদানি রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে এবং বাংলাদেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিনিধি দল জানায়, এছাড়াও এডি পোর্টস বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌবন্দর এবং নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালের আধুনিকায়ন এবং উন্নয়নে বিনিয়োগে তারা আগ্রহী।

এডি পোর্টস গ্রুপের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশের নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল হামুদি।

বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।