ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও দোকান পুড়ে ছাই

#
news image

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪ টি শেল্টার ও একটি দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় কোন হতাহত খবর পাওয়া যায়নি।
 
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯ টার দিকে উখিয়া ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের বি-ব্লকের, বি-৫২ সাব ব্লকে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।
 
আশ্রয় শিবিরের রোহিঙ্গারা জানান, বি-ব্লকের, বি-৫২ সাব ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ রশিদের ঝুপড়ি ঘর থেকে আগুনের সূত্র পাত হয়। আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে। পরে ক্যাম্পের ফায়ার সার্ভিসের সেচ্ছাসেবকরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। ততক্ষণে চারটি বসত ঘর ও একটি দোকান পুড়ে ছাই যায়।
 
মোহাম্মদ রশিদ অভিযোগ করে বলেন, আমার দোকান ও বসত ঘরে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা সহযোগিতা করে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিন্তু ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
 
আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা নারী রহিমা খাতুন জানান, আমার বসত ঘর ও দোকানে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। তা অনেকে দেখেছেন।তখন আমার স্বামী বাড়িতে ছিলনা। তাই কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি। ক্যাম্পের সেচ্ছাসেবকরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।
 
রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) সিরাজ আমিন জানান, ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা শুনেছি। কারা আগুন দিয়েছে তা তদন্তপূর্বক জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
 
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, আগুনের খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই শিবিরের সেচ্ছাসেবকরা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। এতে একটি দোকান ও ৪ টি বসত পুড়ে যায়। সেচ্ছাসেবক ও শিবিরের বাসিন্দারা সচেতন থাকার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে।
 
উল্লেখ্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছোট বড় সাতটির অধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
 

নুরুল বশর , উখিয়া:

৩১ জানুয়ারি, ২০২৫,  1:20 AM

news image

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪ টি শেল্টার ও একটি দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় কোন হতাহত খবর পাওয়া যায়নি।
 
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯ টার দিকে উখিয়া ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের বি-ব্লকের, বি-৫২ সাব ব্লকে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।
 
আশ্রয় শিবিরের রোহিঙ্গারা জানান, বি-ব্লকের, বি-৫২ সাব ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ রশিদের ঝুপড়ি ঘর থেকে আগুনের সূত্র পাত হয়। আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে। পরে ক্যাম্পের ফায়ার সার্ভিসের সেচ্ছাসেবকরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। ততক্ষণে চারটি বসত ঘর ও একটি দোকান পুড়ে ছাই যায়।
 
মোহাম্মদ রশিদ অভিযোগ করে বলেন, আমার দোকান ও বসত ঘরে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা সহযোগিতা করে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিন্তু ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
 
আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা নারী রহিমা খাতুন জানান, আমার বসত ঘর ও দোকানে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। তা অনেকে দেখেছেন।তখন আমার স্বামী বাড়িতে ছিলনা। তাই কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি। ক্যাম্পের সেচ্ছাসেবকরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।
 
রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) সিরাজ আমিন জানান, ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা শুনেছি। কারা আগুন দিয়েছে তা তদন্তপূর্বক জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
 
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, আগুনের খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই শিবিরের সেচ্ছাসেবকরা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। এতে একটি দোকান ও ৪ টি বসত পুড়ে যায়। সেচ্ছাসেবক ও শিবিরের বাসিন্দারা সচেতন থাকার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে।
 
উল্লেখ্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছোট বড় সাতটির অধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।