ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

তেঁতুলিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত দালাল পুষছেন সহকারী তহসিলদার, দ্বিতীয়বার সেই দালালকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড

#
news image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দালালি করার অভিযোগে দ্বিতীয়বারের মতো আব্দুর রশিদ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম  কারাদণ্ড  দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক হিসেবে এই দণ্ডাদেশ দেন।  

দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রশিদের বাড়ি তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের সাহেবজোত গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের কাইমদ্দীনের ছেলে।

জানা যায়, আব্দুর রশিদ তেঁতুলিয়া উপজেলা ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরেই দালালি করে আসছিলেন। এর আগে অফিসে কাজ করিয়ে দেয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছে টাকা পয়সা নিচ্ছিলেন তিনি। এরই প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে ওই ব্যক্তি আবারো উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে সরকারি কাজ কর্মে ব্যাঘাত ঘটান। এ সময় অফিসের লোকজন তাকে আটক করে। পরে তাকে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করলে প্রাক্তন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুল হক তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম  কারাদণ্ড  প্রদান করেন। এরপর সাজা খেয়ে আসার পর আবারও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুকের যোগসাজসে শুরু হয় আব্দুর রশিদের দালালির কর্মধারা। এ ব্যাপারে দৈনিক সকালের সময় পত্রিকাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পোর্টালে ২০২৩ সালের ৭ জুন “তেতুলিয়ায় সাজা প্রাপ্ত দালাল যখন ভূমি অফিসের বড়কর্তা” শিরোনাম প্রকাশিত হয়। তার পরেও এই দালালকে পুষতে তোয়াক্কা করেননি ওমর ফারুক।
জানা যায়, অফিসে বসে দালালি করার কথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারলে রোববার দ্বিতীয়বারের মতো আবারও তাকে (আব্দুর রশিদকে) ১৫ দিনের  কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।      

এ বিষয়ে জানার জন্য ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে কলটি রিসিভ করা হয়নি। এদিকে ওই অফিসের অফিস সহায়ক সকিউস ছামাদ বলেন, যে নম্বরে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুকে কল দিয়েছি সেটিই তার কাছে রয়েছেন। তিনি বলেন, সে(ওমর ফারুক) আব্দুর রশিদকে ছাড়া কিছুই বুঝেননা।  মোবাইল কোর্ট করার পূর্বে আব্দুর রশিদ অফিসে কি করছিলেন এমন প্রশ্নে ছামাদ বলেন, কারাদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত রশিদ অফিসে বসে অফিসের বহি নাড়াচাড়া করছিলেন এমন সময় ইউএনও স্যার অফিসে আসেন। জানতে পারা যায়, আব্দুর রশিদ ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুকের আত্মীয়তার সম্পর্ক জড়িয়ে রয়েছেন।  

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফজলে রাব্বি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ওই দালালকে  কারাদণ্ডাদেশ  দেয়া হয়েছে। এর আগেও তাকে ৭দিনের  কারাদণ্ড  দেয়া হয়েছিল। ওই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুকই এই দালালকে পুষছেন, তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে আমার সামনে বসা রয়েছেন তাকে জিজ্ঞাসা করার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫,  10:03 PM

news image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দালালি করার অভিযোগে দ্বিতীয়বারের মতো আব্দুর রশিদ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম  কারাদণ্ড  দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক হিসেবে এই দণ্ডাদেশ দেন।  

দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রশিদের বাড়ি তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের সাহেবজোত গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের কাইমদ্দীনের ছেলে।

জানা যায়, আব্দুর রশিদ তেঁতুলিয়া উপজেলা ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরেই দালালি করে আসছিলেন। এর আগে অফিসে কাজ করিয়ে দেয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছে টাকা পয়সা নিচ্ছিলেন তিনি। এরই প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে ওই ব্যক্তি আবারো উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে সরকারি কাজ কর্মে ব্যাঘাত ঘটান। এ সময় অফিসের লোকজন তাকে আটক করে। পরে তাকে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করলে প্রাক্তন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুল হক তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম  কারাদণ্ড  প্রদান করেন। এরপর সাজা খেয়ে আসার পর আবারও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুকের যোগসাজসে শুরু হয় আব্দুর রশিদের দালালির কর্মধারা। এ ব্যাপারে দৈনিক সকালের সময় পত্রিকাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পোর্টালে ২০২৩ সালের ৭ জুন “তেতুলিয়ায় সাজা প্রাপ্ত দালাল যখন ভূমি অফিসের বড়কর্তা” শিরোনাম প্রকাশিত হয়। তার পরেও এই দালালকে পুষতে তোয়াক্কা করেননি ওমর ফারুক।
জানা যায়, অফিসে বসে দালালি করার কথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারলে রোববার দ্বিতীয়বারের মতো আবারও তাকে (আব্দুর রশিদকে) ১৫ দিনের  কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।      

এ বিষয়ে জানার জন্য ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে কলটি রিসিভ করা হয়নি। এদিকে ওই অফিসের অফিস সহায়ক সকিউস ছামাদ বলেন, যে নম্বরে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুকে কল দিয়েছি সেটিই তার কাছে রয়েছেন। তিনি বলেন, সে(ওমর ফারুক) আব্দুর রশিদকে ছাড়া কিছুই বুঝেননা।  মোবাইল কোর্ট করার পূর্বে আব্দুর রশিদ অফিসে কি করছিলেন এমন প্রশ্নে ছামাদ বলেন, কারাদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত রশিদ অফিসে বসে অফিসের বহি নাড়াচাড়া করছিলেন এমন সময় ইউএনও স্যার অফিসে আসেন। জানতে পারা যায়, আব্দুর রশিদ ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুকের আত্মীয়তার সম্পর্ক জড়িয়ে রয়েছেন।  

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফজলে রাব্বি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ওই দালালকে  কারাদণ্ডাদেশ  দেয়া হয়েছে। এর আগেও তাকে ৭দিনের  কারাদণ্ড  দেয়া হয়েছিল। ওই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুকই এই দালালকে পুষছেন, তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে আমার সামনে বসা রয়েছেন তাকে জিজ্ঞাসা করার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।