ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

আবহাওয়া অনুকুল থাকায় লবণাক্ত মাটিতে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

#
news image

আবহাওয়া অনুকুল থাকায় লবণাক্ত মাটিতেও জেলার বোরো চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গত বছরের তুলনায় অধিক ফলনের আশায় দিন গুনছেন কৃষকরা। 

জানা যায়, ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত জেলায় বোরো রোপণের কাজ ৯৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকরা এখনও ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতোমধ্যে জেলায় ৬২ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে বোরোর  পাতো (চারা) রোপণ করা হয়েছে। 

ফকিরহাটের সফল চাষি আকতার হোসেন পল্লীবাংলাকে জানান, গত বোরো মৌসুমে তার আবাদ করা প্রতি ২ হেক্টর জমিতে গড়ে ৩৪০  মন করে বোরো ধান  উৎপাদিত হয়েছে। চলতি মৌসুমে হেক্টর প্রতি ২০ মন ধান বেশি পাবেন বলে আশা করছেন। 

জেলার গোপালপুরের কৃষক আনিস গত মৌসুমে ৩ হেক্টর জমিতে বোরো চাষে ধান পেয়েছেন ৫১০ মন। তবে এবার ৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করে আরও বেশি ধান উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন। 

পদ্মনগরের কৃষক শেখ জালাল পল্লীবাংলাকে জানান, গত মৌসুমে তিনি ৬ হেক্টর জমিতে বোরো চাষে পেয়েছেন ১ হাজার ২০ মন ধান। আগামি এপ্রিলে আরও বেশি ফলনের আশায় আছেন।

মাঠ পর্যায়ের উপসহকারী কৃষি অফিসার মিজানুর রহমান পল্লীবাংলাকে বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সার কীটনাশক সময় মতো ব্যবহার করায় টার্গেটের তুলনায় বাম্পার ফসল ফলবে বলে  আশা করছি। 

তিনি জানান, প্রতি হেক্টর জমিতে বোরো চাষে কৃষক পেয়েছেন ৪.৭৮ টন। ২০২৩--২৪ অর্থ বছরে ইরি বোরো আবাদ হয়েছিলো ৬২ হাজার ৭১৪ হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদন হয়েছিলো ২ লাখ ৮৮ হাজার ২১ মেট্রিক টন চাল। 

বলেশ্বর চর এলাকার কৃষক ইব্রাহিম পল্লীবাংলাকে জানান, বোরো ধানের চারা রোপণের পর ১৪০ থেকে ১৪৫ দিনেই ফসল ঘরে উঠবে। বাগেরহাট জেলার মধ্যে ফকিরহাটে বোরো চাষের অধিক ফলনে খুশি সেখানকার কৃষকরা।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শংকর কুমার মজুমদার পল্লীবাংলাকে বলেন, এবার আবহাওয়া অনুকুল থাকায় ও বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ায় মাটিতে লবণের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। ফলে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে জেলায় ৬২ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ২৫০ হেক্টর বেশি। তিনি এ বছর জেলায় ৩ লাখ ৭৭৫ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

ওবায়দুল হোসেন, বাগেরহাট প্রতিনিধি :

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫,  5:05 PM

news image

আবহাওয়া অনুকুল থাকায় লবণাক্ত মাটিতেও জেলার বোরো চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গত বছরের তুলনায় অধিক ফলনের আশায় দিন গুনছেন কৃষকরা। 

জানা যায়, ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত জেলায় বোরো রোপণের কাজ ৯৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকরা এখনও ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতোমধ্যে জেলায় ৬২ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে বোরোর  পাতো (চারা) রোপণ করা হয়েছে। 

ফকিরহাটের সফল চাষি আকতার হোসেন পল্লীবাংলাকে জানান, গত বোরো মৌসুমে তার আবাদ করা প্রতি ২ হেক্টর জমিতে গড়ে ৩৪০  মন করে বোরো ধান  উৎপাদিত হয়েছে। চলতি মৌসুমে হেক্টর প্রতি ২০ মন ধান বেশি পাবেন বলে আশা করছেন। 

জেলার গোপালপুরের কৃষক আনিস গত মৌসুমে ৩ হেক্টর জমিতে বোরো চাষে ধান পেয়েছেন ৫১০ মন। তবে এবার ৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করে আরও বেশি ধান উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন। 

পদ্মনগরের কৃষক শেখ জালাল পল্লীবাংলাকে জানান, গত মৌসুমে তিনি ৬ হেক্টর জমিতে বোরো চাষে পেয়েছেন ১ হাজার ২০ মন ধান। আগামি এপ্রিলে আরও বেশি ফলনের আশায় আছেন।

মাঠ পর্যায়ের উপসহকারী কৃষি অফিসার মিজানুর রহমান পল্লীবাংলাকে বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সার কীটনাশক সময় মতো ব্যবহার করায় টার্গেটের তুলনায় বাম্পার ফসল ফলবে বলে  আশা করছি। 

তিনি জানান, প্রতি হেক্টর জমিতে বোরো চাষে কৃষক পেয়েছেন ৪.৭৮ টন। ২০২৩--২৪ অর্থ বছরে ইরি বোরো আবাদ হয়েছিলো ৬২ হাজার ৭১৪ হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদন হয়েছিলো ২ লাখ ৮৮ হাজার ২১ মেট্রিক টন চাল। 

বলেশ্বর চর এলাকার কৃষক ইব্রাহিম পল্লীবাংলাকে জানান, বোরো ধানের চারা রোপণের পর ১৪০ থেকে ১৪৫ দিনেই ফসল ঘরে উঠবে। বাগেরহাট জেলার মধ্যে ফকিরহাটে বোরো চাষের অধিক ফলনে খুশি সেখানকার কৃষকরা।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শংকর কুমার মজুমদার পল্লীবাংলাকে বলেন, এবার আবহাওয়া অনুকুল থাকায় ও বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ায় মাটিতে লবণের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। ফলে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে জেলায় ৬২ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ২৫০ হেক্টর বেশি। তিনি এ বছর জেলায় ৩ লাখ ৭৭৫ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।