টঙ্গীতে খুন, ডাকাতি, ধর্ষন ও ঘটে যাওয়া অপরাধের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবরোধ
ফাহিম ফরহাদ :
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, 12:01 AM
টঙ্গীতে খুন, ডাকাতি, ধর্ষন ও ঘটে যাওয়া অপরাধের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবরোধ
প্রকাশ্যে দিনে-রাতে দুর্ধর্ষ ছিনতাই-ডাকাতিসহ খুন-জখম, ধর্ষণ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে গাজীপুরে। সন্ধ্যা নামলেই গাজীপুরসহ আশপাশের নগরজুড়ে নেমে আসছে একধরনের আতঙ্ক। একাধিক স্থানে ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় রাতভর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়। কোনো কোনো এলাকায় অনেকটা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা। এমন পরিস্থিতিতে খুন, ডাকাতি, ধর্ষন ও ঘটে যাওয়া সকল অপরাধের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন গাজীপুর, ছাত্রজনতা ও শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১২ টায় গাজীপুর নগরীর কলেজগেট সফিউদ্দিন সরকার একাডেমির সামনে ঢাকা ময়মনসিংহ সড়কে এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
দুপুর ১২টার পর ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক আটকে মিছিল করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন গাজীপুর, ছাত্রজনতা ও শ্রমিকবৃন্দ। তারা কর্মসূচির ব্যানার বহন করে এবং এসময় তারা স্লোগান দিচ্ছিলেন, 'আমার বোন কবরে, ধর্ষক কেন বাইরে'; 'ধর্ষকের চামড়া, তুলে নেব আমরা', 'আমাদের বাংলায়, ধর্ষকের ঠাই নাই', 'আমার বোনের নিরাপত্তা, দিতে হবে দিতে হবে'।
বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে তারা বলেন, সম্প্রতি দেশে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। প্রতিটি ঘটনার বিবরণ আমাদের মা-বোনদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত করে তুলছে। এসব ঘটনার মূল কারণ হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ব্যর্থতা। খুন, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিরাপত্তাহীন মনে করছেন উল্লেখ করে বলেন, আজ আমরা ঘরে-বাইরে কোথাও নিরাপদ নই।
দেশজুড়ে খুন, ডাকাতি ও ছিনতাই বেড়ে গেছে, অথচ সরকার এসব নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হচ্ছে। ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে পরিবর্তনের আশায়। কিন্তু যদি তারা তাদের দায়িত্ব ভুলে যায় বা ব্যর্থ হয়, তাহলে প্রয়োজনে আমরা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন ছাত্র জনতা সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামবো।
এ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কে যানজট তৈরি হয়। পরে এম্বুলেন্সে রোগী ও সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা চিনতা করে ঢাকা ময়মনসিংহ সড়কের ফুটপাতে সমাবেশ করেন। সমাবেশ থেকে তারা ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো -১.ধর্ষকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ড কার্যকর করতে হবে, ধর্ষকের বিচার দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। ২. দেশের সার্বিক পরিস্থিতির দায়ভার নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। ৩. ছিনতাই, চাঁদাবাজি বন্দ না করতে পারার দায় নিয়ে পুলিশ পরিষদের পদত্যাগ করতে হবে ৪. সারা দেশে নিরাপত্তার কথা চিনতা করে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। প্রয়োজনে রাতে প্রহরীর ব্যবস্থা বাড়াতে হবে। ৫. বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনকে বিচারের আওতায় শীঘ্রই আনতে হবে।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শতাধিক ছাত্রজনতা, শ্রমিকবৃন্দ অংশ নেন এবং খুন, ডাকাতি, ধর্ষন ও ঘটে যাওয়া সকল অপরাধের দ্রুত বিচার, নারীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
ফাহিম ফরহাদ :
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, 12:01 AM
প্রকাশ্যে দিনে-রাতে দুর্ধর্ষ ছিনতাই-ডাকাতিসহ খুন-জখম, ধর্ষণ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে গাজীপুরে। সন্ধ্যা নামলেই গাজীপুরসহ আশপাশের নগরজুড়ে নেমে আসছে একধরনের আতঙ্ক। একাধিক স্থানে ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় রাতভর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়। কোনো কোনো এলাকায় অনেকটা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা। এমন পরিস্থিতিতে খুন, ডাকাতি, ধর্ষন ও ঘটে যাওয়া সকল অপরাধের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন গাজীপুর, ছাত্রজনতা ও শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১২ টায় গাজীপুর নগরীর কলেজগেট সফিউদ্দিন সরকার একাডেমির সামনে ঢাকা ময়মনসিংহ সড়কে এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
দুপুর ১২টার পর ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক আটকে মিছিল করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন গাজীপুর, ছাত্রজনতা ও শ্রমিকবৃন্দ। তারা কর্মসূচির ব্যানার বহন করে এবং এসময় তারা স্লোগান দিচ্ছিলেন, 'আমার বোন কবরে, ধর্ষক কেন বাইরে'; 'ধর্ষকের চামড়া, তুলে নেব আমরা', 'আমাদের বাংলায়, ধর্ষকের ঠাই নাই', 'আমার বোনের নিরাপত্তা, দিতে হবে দিতে হবে'।
বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে তারা বলেন, সম্প্রতি দেশে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। প্রতিটি ঘটনার বিবরণ আমাদের মা-বোনদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত করে তুলছে। এসব ঘটনার মূল কারণ হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ব্যর্থতা। খুন, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিরাপত্তাহীন মনে করছেন উল্লেখ করে বলেন, আজ আমরা ঘরে-বাইরে কোথাও নিরাপদ নই।
দেশজুড়ে খুন, ডাকাতি ও ছিনতাই বেড়ে গেছে, অথচ সরকার এসব নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হচ্ছে। ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে পরিবর্তনের আশায়। কিন্তু যদি তারা তাদের দায়িত্ব ভুলে যায় বা ব্যর্থ হয়, তাহলে প্রয়োজনে আমরা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন ছাত্র জনতা সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামবো।
এ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কে যানজট তৈরি হয়। পরে এম্বুলেন্সে রোগী ও সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা চিনতা করে ঢাকা ময়মনসিংহ সড়কের ফুটপাতে সমাবেশ করেন। সমাবেশ থেকে তারা ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো -১.ধর্ষকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ড কার্যকর করতে হবে, ধর্ষকের বিচার দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। ২. দেশের সার্বিক পরিস্থিতির দায়ভার নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। ৩. ছিনতাই, চাঁদাবাজি বন্দ না করতে পারার দায় নিয়ে পুলিশ পরিষদের পদত্যাগ করতে হবে ৪. সারা দেশে নিরাপত্তার কথা চিনতা করে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। প্রয়োজনে রাতে প্রহরীর ব্যবস্থা বাড়াতে হবে। ৫. বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনকে বিচারের আওতায় শীঘ্রই আনতে হবে।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শতাধিক ছাত্রজনতা, শ্রমিকবৃন্দ অংশ নেন এবং খুন, ডাকাতি, ধর্ষন ও ঘটে যাওয়া সকল অপরাধের দ্রুত বিচার, নারীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
সম্পর্কিত