চিতলমারীতে হিমাগার স্থাপনের দাবি কৃষকদের
সৈয়াদ ওবায়দুল হোসেন, বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, 5:30 AM
চিতলমারীতে হিমাগার স্থাপনের দাবি কৃষকদের
জেলার চিতলমারী উপজেলার শতাধিক মাছের ঘেরের আইলে (ভেড়িতে) এ বছর টমেটোর ব্যাপক ফলন হয়েছে। তবে এলাকায় কোনো হিমাগার না থাকায় কৃষকরা এর ন্যায্য দাম পাচ্ছে না। বাজারে চাহিদা না থাকায় খেতে টমেটো পেকে নষ্ট হচ্ছে।
অতি বৃষ্টির কারণে দুইবার লাগানো চারা পচে-গলে গেলেও তৃতীয়বার মাছের ঘেরের আইল ও জমিতে বপন করা টমেটোর অধিক ফলন হয়েছে,তবে এখন দাম এতোটাই কম যে খেত থেকে টমেটো তুলে বাজারে নেয়ার খরচও পাওয়া যায় না।
চিতলমারী কৃষি কর্মকর্তা শিফাত আল মারুফ পল্লীবাংলাকে জানান, অতি কষ্ট করে টমেটো চাষে কৃষক সফল হলেও শেষ পর্যন্ত আশানুরূপ লাভের মুখ দেখতে পারেন না। এ কারনে সরকারি বেসরকারিভাবে কোল্ডস্টোর স্থাপন করা হলে কৃষকরা আরও বেশি আগ্রহী হয়ে টমেটো চাষে আগ্রহী হতো বলে অধিকাংশ কৃষক তাকে জানিয়েছেন।
বাগেরহাট জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক শংকর কুমার মজুমদার পল্লীবাংলাকে জানান, এবার বাগেরহাটে ২ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে টমেটোর ফলন হয়েছে ৭৭ হাজার মেট্রিক টন। বাগেরহাট জেলা জুড়ে যে পরিমাণ টমেটোর ফলন হয়, তাতে এখানে হিমাগার জরুরি।
টমেটো দ্রুত পচনশীল বলে তিনি ও তার উপজেলার সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তারা বাগেরহাট জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় বিষয়টি জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসানকে অবহিত করেন।
এছাড়া জেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, এখানে কোন উদ্যোক্তা টমেটো সস তৈরির প্রসেসিং সেন্টার গড়ে তুললে কৃষকরা লাভবান হতো এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেত। চাষিরা বেশি করে টমেটো চাষে উদ্বুদ্ধ হতো।
সৈয়াদ ওবায়দুল হোসেন, বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, 5:30 AM
জেলার চিতলমারী উপজেলার শতাধিক মাছের ঘেরের আইলে (ভেড়িতে) এ বছর টমেটোর ব্যাপক ফলন হয়েছে। তবে এলাকায় কোনো হিমাগার না থাকায় কৃষকরা এর ন্যায্য দাম পাচ্ছে না। বাজারে চাহিদা না থাকায় খেতে টমেটো পেকে নষ্ট হচ্ছে।
অতি বৃষ্টির কারণে দুইবার লাগানো চারা পচে-গলে গেলেও তৃতীয়বার মাছের ঘেরের আইল ও জমিতে বপন করা টমেটোর অধিক ফলন হয়েছে,তবে এখন দাম এতোটাই কম যে খেত থেকে টমেটো তুলে বাজারে নেয়ার খরচও পাওয়া যায় না।
চিতলমারী কৃষি কর্মকর্তা শিফাত আল মারুফ পল্লীবাংলাকে জানান, অতি কষ্ট করে টমেটো চাষে কৃষক সফল হলেও শেষ পর্যন্ত আশানুরূপ লাভের মুখ দেখতে পারেন না। এ কারনে সরকারি বেসরকারিভাবে কোল্ডস্টোর স্থাপন করা হলে কৃষকরা আরও বেশি আগ্রহী হয়ে টমেটো চাষে আগ্রহী হতো বলে অধিকাংশ কৃষক তাকে জানিয়েছেন।
বাগেরহাট জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক শংকর কুমার মজুমদার পল্লীবাংলাকে জানান, এবার বাগেরহাটে ২ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে টমেটোর ফলন হয়েছে ৭৭ হাজার মেট্রিক টন। বাগেরহাট জেলা জুড়ে যে পরিমাণ টমেটোর ফলন হয়, তাতে এখানে হিমাগার জরুরি।
টমেটো দ্রুত পচনশীল বলে তিনি ও তার উপজেলার সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তারা বাগেরহাট জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় বিষয়টি জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসানকে অবহিত করেন।
এছাড়া জেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, এখানে কোন উদ্যোক্তা টমেটো সস তৈরির প্রসেসিং সেন্টার গড়ে তুললে কৃষকরা লাভবান হতো এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেত। চাষিরা বেশি করে টমেটো চাষে উদ্বুদ্ধ হতো।