ঢাকা ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে সংগীতা আইডিয়াল হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন  গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী সুযোগ নিতে পারে জামায়াত

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে কাঁকড়া আহরণ শুরু

#
news image

জেলায় আজ দীর্ঘ দু’মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে কাঁকড়া আহরণ শুরু হয়েছে। 

আজ সকাল থেকে বন বিভাগের পাশ (অনুমতিপত্র) নিয়ে কাঁকড়া আহরণের লক্ষ্যে সুন্দরবনে প্রবেশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে উপকূলের বনজীবী পরিবারগুলোতে শুরু হয়েছে কর্মচাঞ্চল্য।

১৯৯৮ সালে কাঁকড়া রপ্তানির নীতিমালা প্রণয়নের পর থেকেই প্রতিবছর দুইমাস কাঁকড়া ধরার পাস-পারমিট বন্ধ রাখা হয়।

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ অফিস সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী, কদমতলা, কৈখালী ও কোবাদক ফরেস্ট স্টেশনের আওতায় দুইহাজার নয়শ’টি নৌকা সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতিপত্র আছে।এর মধ্যে কাঁকড়া ধরার নৌকা একহাজার ছয়শ’টি।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের চারটি স্টেশনের আওতাধীন পুষ্পকাটি, মান্দারবাড়িয়া, নটাবেঁকি ও হলদেবুনিয়া এলাকায় অভয়ারণ্য রয়েছে। এছাড়া দোবেকী ও কাঁচিকাটার ৫২ শতাংশ অভয়ারণ্য ঘোষিত। এছাড়াও সাতক্ষীরা রেঞ্জের সুন্দরবনের মধ্যে অভয়ারণ্য ঘোষিত ছোট কেয়াখালী খাল, বড় কেয়াখালী খাল, খোলশিবুনিয়া খাল ও সাপখালী খাল এবং ২৫ ফুটের কম প্রশস্ত খালে সারা বছরই কাঁকড়া ধরা নিষিদ্ধ থাকে। বাকি অংশের নদী ও খালে বৈধ পাস-পারমিটধারী প্রায় ১৫ হাজার জেলে শুধু কাঁকড়া আহরণ করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন।

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মসিউর রহমান জানান, কাঁকড়ার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুন্দরবনে বিভিন্ন নদী-খালে দুইমাস জেলেদের কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ ছিল। আজ শনিবার (১ মার্চ) থেকে বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে জেলেরা প্রবেশনিষিদ্ধ অভয়াশ্রম ছাড়া অন্য নদী-খালে কাঁকড়া আহরণ করতে পারবেন। 

তিনি জানান, কেউ যাতে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার অনুমতি নিয়ে বেআইনি কর্মকান্ডে জড়িত হতে না পারে, সে জন্য বনরক্ষীদের টহল ও অন্যান্য কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইঞ্জিনচালিত নৌকা বা ট্রলারে কাঁকড়া পরিবহনেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০১ মার্চ, ২০২৫,  5:54 PM

news image

জেলায় আজ দীর্ঘ দু’মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে কাঁকড়া আহরণ শুরু হয়েছে। 

আজ সকাল থেকে বন বিভাগের পাশ (অনুমতিপত্র) নিয়ে কাঁকড়া আহরণের লক্ষ্যে সুন্দরবনে প্রবেশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে উপকূলের বনজীবী পরিবারগুলোতে শুরু হয়েছে কর্মচাঞ্চল্য।

১৯৯৮ সালে কাঁকড়া রপ্তানির নীতিমালা প্রণয়নের পর থেকেই প্রতিবছর দুইমাস কাঁকড়া ধরার পাস-পারমিট বন্ধ রাখা হয়।

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ অফিস সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী, কদমতলা, কৈখালী ও কোবাদক ফরেস্ট স্টেশনের আওতায় দুইহাজার নয়শ’টি নৌকা সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতিপত্র আছে।এর মধ্যে কাঁকড়া ধরার নৌকা একহাজার ছয়শ’টি।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের চারটি স্টেশনের আওতাধীন পুষ্পকাটি, মান্দারবাড়িয়া, নটাবেঁকি ও হলদেবুনিয়া এলাকায় অভয়ারণ্য রয়েছে। এছাড়া দোবেকী ও কাঁচিকাটার ৫২ শতাংশ অভয়ারণ্য ঘোষিত। এছাড়াও সাতক্ষীরা রেঞ্জের সুন্দরবনের মধ্যে অভয়ারণ্য ঘোষিত ছোট কেয়াখালী খাল, বড় কেয়াখালী খাল, খোলশিবুনিয়া খাল ও সাপখালী খাল এবং ২৫ ফুটের কম প্রশস্ত খালে সারা বছরই কাঁকড়া ধরা নিষিদ্ধ থাকে। বাকি অংশের নদী ও খালে বৈধ পাস-পারমিটধারী প্রায় ১৫ হাজার জেলে শুধু কাঁকড়া আহরণ করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন।

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মসিউর রহমান জানান, কাঁকড়ার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুন্দরবনে বিভিন্ন নদী-খালে দুইমাস জেলেদের কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ ছিল। আজ শনিবার (১ মার্চ) থেকে বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে জেলেরা প্রবেশনিষিদ্ধ অভয়াশ্রম ছাড়া অন্য নদী-খালে কাঁকড়া আহরণ করতে পারবেন। 

তিনি জানান, কেউ যাতে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার অনুমতি নিয়ে বেআইনি কর্মকান্ডে জড়িত হতে না পারে, সে জন্য বনরক্ষীদের টহল ও অন্যান্য কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইঞ্জিনচালিত নৌকা বা ট্রলারে কাঁকড়া পরিবহনেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।