ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
সরিষাবাড়ীতে দা’র কোপে আঙুল বিচ্ছিন্ন কারীর থানায় আত্মসমর্পণ সরকারি জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ ও স্থানীয়দের জমি বিক্রির চাপ রাজশাহীতে করিডোর নাইট ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের পুরস্কার বিতরণ বড়লেখায় পুকুরে ডুবে মারা গেল দুই বছরের শিশু ফরিদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাজমিস্ত্রীকে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন, ভাইও জখম বিদেশে পাঠানোর নামে জমি-টাকা আত্মসাৎ, প্রতিবাদ করায় মায়ের ওপর ছেলের বর্বরোচিত হামলা গাজীপুর সদর দলিল লেখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির নির্বাচনে সহ সভাপতি পদে শফিকুল ইসলাম শুকুর এগিয়ে পুলিশের জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

গাজীপুরে অটোরিকশা চালক হত্যাকাণ্ড : ১২ ঘণ্টার মধ্যে দুই আসামি গ্রেফতার করলো র‍্যাব

#
news image

গাজীপুরের জয়দেবপুরে এক অটোরিকশা চালককে হত্যার ঘটনায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান ও সহযোগীসহ দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১। গ্রেফতারকৃতরা সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
 
র‍্যাব-১, সিপিএসসি, গাজীপুর জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে জয়দেবপুর থানার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের সিংগাতলী গ্রামে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের শিকার হন অটোরিকশা চালক রানা ইয়াছিন (২৬)।
 
হত্যার দায়ে অভিযুক্তরা হলেন মো. মুর্শিদ আলম (২৪) ও মো. মাহাদী হাসান মিতুল (২০)। মুর্শিদ নেত্রকোণার মদন উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে সে গাজীপুরে অস্থায়ী বসবাস করতেন। অপর অভিযুক্ত মাহাদী হাসান মিতুল গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা।
 
বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, হত্যাকাণ্ডের রাতে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিম (হত্যার শিকার) রানা ইয়াছিনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় আসামিরা। পরে তার নাক-মুখ-গলায় আঘাত করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আসামিরা তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
 
পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা মো. উসমান গনি বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৫, তারিখ ০১/০৩/২০২৫, ধারা-৩০২/২০১/৩৭৯/৩৪ অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়।
 
ঘটনার পরপরই র‍্যাব-১ এর সদস্যরা ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারিও বৃদ্ধি করে। এক পর্যায়ে পহেলা মার্চ (১ মার্চ) সন্ধ্যায় র‍্যাব-১ এর আভিযানিক দল ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের শিড়িরচালা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. মুর্শিদ আলম ও মাহাদী হাসান মিতুলকে গ্রেফতার করে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
 
গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা র‍্যাব সদস্যদের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে র‍্যাব। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদের জয়দেবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাব-১ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
 
এ বিষয়ে র‍্যাব-১, স্পেশালাইজড কোম্পানি, পোড়াবাড়ি ক্যাম্প, গাজীপুর-এর কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার কে.এম.এ মামুন খান চিশতী বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল। আমরা দ্রুত তদন্ত করে আসামিদের শনাক্ত করি এবং মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।
 
এই হত্যাকাণ্ড গাজীপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। তবে র‍্যাবের দ্রুত অভিযানে আসামিদের গ্রেফতারের ঘটনায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

ফাহিম ফরহাদঃ 

০২ মার্চ, ২০২৫,  7:03 PM

news image

গাজীপুরের জয়দেবপুরে এক অটোরিকশা চালককে হত্যার ঘটনায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান ও সহযোগীসহ দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১। গ্রেফতারকৃতরা সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
 
র‍্যাব-১, সিপিএসসি, গাজীপুর জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে জয়দেবপুর থানার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের সিংগাতলী গ্রামে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের শিকার হন অটোরিকশা চালক রানা ইয়াছিন (২৬)।
 
হত্যার দায়ে অভিযুক্তরা হলেন মো. মুর্শিদ আলম (২৪) ও মো. মাহাদী হাসান মিতুল (২০)। মুর্শিদ নেত্রকোণার মদন উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে সে গাজীপুরে অস্থায়ী বসবাস করতেন। অপর অভিযুক্ত মাহাদী হাসান মিতুল গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা।
 
বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, হত্যাকাণ্ডের রাতে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিম (হত্যার শিকার) রানা ইয়াছিনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় আসামিরা। পরে তার নাক-মুখ-গলায় আঘাত করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আসামিরা তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
 
পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা মো. উসমান গনি বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৫, তারিখ ০১/০৩/২০২৫, ধারা-৩০২/২০১/৩৭৯/৩৪ অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়।
 
ঘটনার পরপরই র‍্যাব-১ এর সদস্যরা ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারিও বৃদ্ধি করে। এক পর্যায়ে পহেলা মার্চ (১ মার্চ) সন্ধ্যায় র‍্যাব-১ এর আভিযানিক দল ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের শিড়িরচালা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. মুর্শিদ আলম ও মাহাদী হাসান মিতুলকে গ্রেফতার করে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
 
গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা র‍্যাব সদস্যদের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে র‍্যাব। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদের জয়দেবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাব-১ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
 
এ বিষয়ে র‍্যাব-১, স্পেশালাইজড কোম্পানি, পোড়াবাড়ি ক্যাম্প, গাজীপুর-এর কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার কে.এম.এ মামুন খান চিশতী বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল। আমরা দ্রুত তদন্ত করে আসামিদের শনাক্ত করি এবং মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।
 
এই হত্যাকাণ্ড গাজীপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। তবে র‍্যাবের দ্রুত অভিযানে আসামিদের গ্রেফতারের ঘটনায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।