রোহিঙ্গাদের কপালে চিন্তারভাজ সহায়তা ১২ ডলার থেকে নেমে ছয় ডলার
নুরুল বশর, উখিয়া কক্সবাজার :
০৬ মার্চ, ২০২৫, 4:39 AM
রোহিঙ্গাদের কপালে চিন্তারভাজ সহায়তা ১২ ডলার থেকে নেমে ছয় ডলার
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য রেশন বা খাদ্য সহায়তা কমিয়ে অর্ধেক করছে জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। এখন থেকে প্রতি মাসে রোহিঙ্গাদের মাথাপিছু ছয় ডলারের রেশন দেবে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বর্তমানে রোহিঙ্গাদের মাথাপিছু ১২ দশমিক ৫০ ডলারের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়, তহবিল সংকটের কারণে আগামী মাস থেকে তা ছয় ডলারে নেমে আসবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় খাদ্য সংকট ও অপুষ্টি বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ত্রাণ কর্মকর্তারা।
শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান রয়টার্সকে বলেন, গতকাল আমাকে মৌখিকভাবে সাড়ে ছয় ডলার সহায়তা কমিয়ে আনার এই তথ্য জানানো হয় এবং আজ আমি এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছি। পহেলা এপ্রিল থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। আমরা এখন যে পরিমাণ সহায়তা পাচ্ছি তাই যথেষ্ট নয়। নতুন কাটছাঁটের পরিণতি কী হবে তা কল্পনা করাই কঠিন।
বুধবার রাতে রোহিঙ্গা নেতা ডাক্তার জোবায়েরের কাছে খাদ্য সহায়তা কমিয়ে আনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে প্রতিবেদককে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমিয়ে আনার কারণে স্থানীয় বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের সাথে দ্বন্দ্ব তৈরি হবে।
রোহিঙ্গারা চুরি ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের সহয়তা আগের মতো চলমান রাখার জন্য জাতিসংসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান করেন।
বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে। তাদের বেশির ভাগই ২০১৭ সালে মিয়ানমারে সহিংসতার সময় পালিয়ে আসে। গত বছরও প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
নুরুল বশর, উখিয়া কক্সবাজার :
০৬ মার্চ, ২০২৫, 4:39 AM
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য রেশন বা খাদ্য সহায়তা কমিয়ে অর্ধেক করছে জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। এখন থেকে প্রতি মাসে রোহিঙ্গাদের মাথাপিছু ছয় ডলারের রেশন দেবে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বর্তমানে রোহিঙ্গাদের মাথাপিছু ১২ দশমিক ৫০ ডলারের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়, তহবিল সংকটের কারণে আগামী মাস থেকে তা ছয় ডলারে নেমে আসবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় খাদ্য সংকট ও অপুষ্টি বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ত্রাণ কর্মকর্তারা।
শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান রয়টার্সকে বলেন, গতকাল আমাকে মৌখিকভাবে সাড়ে ছয় ডলার সহায়তা কমিয়ে আনার এই তথ্য জানানো হয় এবং আজ আমি এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছি। পহেলা এপ্রিল থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। আমরা এখন যে পরিমাণ সহায়তা পাচ্ছি তাই যথেষ্ট নয়। নতুন কাটছাঁটের পরিণতি কী হবে তা কল্পনা করাই কঠিন।
বুধবার রাতে রোহিঙ্গা নেতা ডাক্তার জোবায়েরের কাছে খাদ্য সহায়তা কমিয়ে আনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে প্রতিবেদককে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমিয়ে আনার কারণে স্থানীয় বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের সাথে দ্বন্দ্ব তৈরি হবে।
রোহিঙ্গারা চুরি ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের সহয়তা আগের মতো চলমান রাখার জন্য জাতিসংসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান করেন।
বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে। তাদের বেশির ভাগই ২০১৭ সালে মিয়ানমারে সহিংসতার সময় পালিয়ে আসে। গত বছরও প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।