ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান একজন মানবতার ফেরিওয়ালা

#
news image

সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলে বিশ্বকে উপহার দেওয়া। বিশ্বের দরবারে এক সময়ের ভিক্ষুকের দেশ আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের। উন্নয়নের ছোঁয়ায় মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আজ বিশ্ব দরবারে প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সরকারের এই অর্জন প্রশংসিত হওয়ার পেছনে সততা, একনিষ্ঠতা জনকল্যাণে ছুটে চলা সরকারি-বেসরকারি মানুষগুলোর অবদান অপরিসীম। রাষ্ট্রে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
 
উপজেলার প্রতিটি মানুষের মনে ভালোবাসার পাত্র হয়ে উঠেছেন। মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা শুনলে স্থির থাকতে পারেন না তিনি। যতদ্রুত সম্ভব ছুটে গিয়ে অসহায় মানুষের মুখে হাঁসি ফুটানোর জন্য তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। যোগ্যতা, বুদ্ধিমত্তার পুরস্কার হিসেবে তিনি ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের অল্প সময়ের মধ্যেই ভাঙ্গার জনগনের নয়নের মনি হয়ে উঠেছেন।
 এরই মধ্যে তিনি অনেক অসহায় গরিব বেকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহযোগিতা করে কর্মমুখী করে তুলেছেন। অভাব-অনটন ঘুঁচিয়েছেন ওইসব পরিবারের। নিরাস হয়ে মানুষ হতাশায় না ভুগে মনের জোর রেখে সফলতার জন্য সামনে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই করতে শিখিয়েছেন ইউএনও মিজানুর রহমান। কোন সময় আর্থিক সহযোগিতা বুদ্ধি পরামর্শ সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে মানুষকে স্বাবলম্বী হতে শিখিয়েছেন। ভাঙ্গা উপজেলায় এ প্রথম একজন সরকারি কর্মকর্তাকে উদ্যোক্তা হিসেবে কাছে পেয়ে অনেক অসহায়, প্রতিবন্ধী, অস্বচ্ছল পরিবারে আনন্দের, সুখের হাসি ফুটেছে।
 
এছাড়াও ইউএনও মিজানুর রহমান ভাঙ্গা উপজেলার মৃতপ্রায় ক্রীড়াঙ্গনকে উজ্জীবিত করে সুবাতাস প্রবাহিত করেছেন খেলার মাঠে। বিমুখ হয়ে থাকা উঠতি বয়সের ছেলেরা খেলার মাঠে ফিরেছে। কমতে শুরু করেছে মাদক আর মোবাইল ফোনে আসক্ত হওয়া উঠতি বয়সিদের আড্ডা। উপজেলার ক্রীড়াঙ্গন রোল মডেলে পরিণত করেছেন। আর সাংস্কৃতির কথা বাদ দিলে পুরো কৃপণতা করা হবে। তিনি যেমন একজন শ্রোতা, একজন উপস্থাপক, একজন গায়ক,তেমনি একজন দক্ষ আয়োজকও বটে।
 
তার দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য- এমনি চিরন্তন কথাগুলোর যথার্থতা ফিরিয়ে আনতে এবং সমাজের প্রতিটি মানুষ ভালো থাকলে, তাদের মুখে হাসি ফুটলে সমাজের সব ব্যাধি দূর হবে, অন্যায় অত্যাচার, নিপীড়ন কমে আসবে। ফলে একটি সুস্থ সমাজের আঙিনায় প্রতিটি মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলুক এমন প্রত্যাশা যেন চোখে মুখে মহান উদ্যোক্তার।
ভাঙ্গা উপজেলার প্রতি ইঞ্চি মাটি হোক মাদকমুক্ত, প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফুটুক প্রতিটি মুহূর্ত এমন ভাবনায় সময় পার করেন ইউএনও মিজানুর রহমান।

মাহমুদুর রহমান(তুরান), ফরিদপুর :

০৯ মার্চ, ২০২৫,  6:35 PM

news image

সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলে বিশ্বকে উপহার দেওয়া। বিশ্বের দরবারে এক সময়ের ভিক্ষুকের দেশ আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের। উন্নয়নের ছোঁয়ায় মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আজ বিশ্ব দরবারে প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সরকারের এই অর্জন প্রশংসিত হওয়ার পেছনে সততা, একনিষ্ঠতা জনকল্যাণে ছুটে চলা সরকারি-বেসরকারি মানুষগুলোর অবদান অপরিসীম। রাষ্ট্রে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
 
উপজেলার প্রতিটি মানুষের মনে ভালোবাসার পাত্র হয়ে উঠেছেন। মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা শুনলে স্থির থাকতে পারেন না তিনি। যতদ্রুত সম্ভব ছুটে গিয়ে অসহায় মানুষের মুখে হাঁসি ফুটানোর জন্য তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। যোগ্যতা, বুদ্ধিমত্তার পুরস্কার হিসেবে তিনি ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের অল্প সময়ের মধ্যেই ভাঙ্গার জনগনের নয়নের মনি হয়ে উঠেছেন।
 এরই মধ্যে তিনি অনেক অসহায় গরিব বেকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহযোগিতা করে কর্মমুখী করে তুলেছেন। অভাব-অনটন ঘুঁচিয়েছেন ওইসব পরিবারের। নিরাস হয়ে মানুষ হতাশায় না ভুগে মনের জোর রেখে সফলতার জন্য সামনে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই করতে শিখিয়েছেন ইউএনও মিজানুর রহমান। কোন সময় আর্থিক সহযোগিতা বুদ্ধি পরামর্শ সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে মানুষকে স্বাবলম্বী হতে শিখিয়েছেন। ভাঙ্গা উপজেলায় এ প্রথম একজন সরকারি কর্মকর্তাকে উদ্যোক্তা হিসেবে কাছে পেয়ে অনেক অসহায়, প্রতিবন্ধী, অস্বচ্ছল পরিবারে আনন্দের, সুখের হাসি ফুটেছে।
 
এছাড়াও ইউএনও মিজানুর রহমান ভাঙ্গা উপজেলার মৃতপ্রায় ক্রীড়াঙ্গনকে উজ্জীবিত করে সুবাতাস প্রবাহিত করেছেন খেলার মাঠে। বিমুখ হয়ে থাকা উঠতি বয়সের ছেলেরা খেলার মাঠে ফিরেছে। কমতে শুরু করেছে মাদক আর মোবাইল ফোনে আসক্ত হওয়া উঠতি বয়সিদের আড্ডা। উপজেলার ক্রীড়াঙ্গন রোল মডেলে পরিণত করেছেন। আর সাংস্কৃতির কথা বাদ দিলে পুরো কৃপণতা করা হবে। তিনি যেমন একজন শ্রোতা, একজন উপস্থাপক, একজন গায়ক,তেমনি একজন দক্ষ আয়োজকও বটে।
 
তার দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য- এমনি চিরন্তন কথাগুলোর যথার্থতা ফিরিয়ে আনতে এবং সমাজের প্রতিটি মানুষ ভালো থাকলে, তাদের মুখে হাসি ফুটলে সমাজের সব ব্যাধি দূর হবে, অন্যায় অত্যাচার, নিপীড়ন কমে আসবে। ফলে একটি সুস্থ সমাজের আঙিনায় প্রতিটি মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলুক এমন প্রত্যাশা যেন চোখে মুখে মহান উদ্যোক্তার।
ভাঙ্গা উপজেলার প্রতি ইঞ্চি মাটি হোক মাদকমুক্ত, প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফুটুক প্রতিটি মুহূর্ত এমন ভাবনায় সময় পার করেন ইউএনও মিজানুর রহমান।