ফটিকছড়ির শান্তিরহাটে আগুনে পুড়ে ৩০ দোকান ছাই
কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফটিকছড়িঃ
০৯ মার্চ, ২০২৫, 6:50 PM
ফটিকছড়ির শান্তিরহাটে আগুনে পুড়ে ৩০ দোকান ছাই
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির শান্তিরহাটে গভীর রাতে আগুনে ত্রিশটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় দু'কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
শনিবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে বাজারের ব্যবসায়ীরা যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখনই পার্শ্ববর্তী জলিল সওদাগরের ভাড়া বাসার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে তা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে৷
শুরুতে এলাকাবাসী আগুন নেভাতে চেষ্টা করলেও আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়। ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই বাজারের ত্রিশটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
দোকানগুলো হলো- আব্দুস ছালামের চায়ের দোকান, আবু তালেবের কসমেটিকের দোকান, ডা. সঞ্জয়ের ফার্মেসী, রুপনের মুদির দোকান, দেলোয়ারের ক্রোকারিজ দোকান, খুরশেদের হার্ডওয়ারের দোকান, জলিলের বসতঘর ও রফিক, ইসমাইল, মহসীন, সাহাবউদ্দিন, এমরান ও জসিমের ৮ টি ফার্নিচারের দোকান। এছাড়াও দেলোয়ার, জালাল, শেখ আহমেদ ও আব্বাসের ১৫ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে।
ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে ২ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। এতে ফায়ার সার্ভিস এর দুটি ইউনিট কাজ করেছে।
কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফটিকছড়িঃ
০৯ মার্চ, ২০২৫, 6:50 PM
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির শান্তিরহাটে গভীর রাতে আগুনে ত্রিশটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় দু'কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
শনিবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে বাজারের ব্যবসায়ীরা যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখনই পার্শ্ববর্তী জলিল সওদাগরের ভাড়া বাসার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে তা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে৷
শুরুতে এলাকাবাসী আগুন নেভাতে চেষ্টা করলেও আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়। ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই বাজারের ত্রিশটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
দোকানগুলো হলো- আব্দুস ছালামের চায়ের দোকান, আবু তালেবের কসমেটিকের দোকান, ডা. সঞ্জয়ের ফার্মেসী, রুপনের মুদির দোকান, দেলোয়ারের ক্রোকারিজ দোকান, খুরশেদের হার্ডওয়ারের দোকান, জলিলের বসতঘর ও রফিক, ইসমাইল, মহসীন, সাহাবউদ্দিন, এমরান ও জসিমের ৮ টি ফার্নিচারের দোকান। এছাড়াও দেলোয়ার, জালাল, শেখ আহমেদ ও আব্বাসের ১৫ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে।
ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে ২ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। এতে ফায়ার সার্ভিস এর দুটি ইউনিট কাজ করেছে।
সম্পর্কিত