ঢাকা ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে সংগীতা আইডিয়াল হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন  গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী সুযোগ নিতে পারে জামায়াত

খান জাহানের পুণ্যভূমি বাগেরহাটের চুনাখোলা মসজিদ

#
news image

প্রত্নতাত্ত্বিক নগরী  খান জাহানের  পুণ্যভূমি বাগেরহাটের চুনাখোলা মসজিদসহ  রয়েছে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট । যা দেখতে  পর্যটকরা ভিড় করেন এ শহরে। 

চুনাখোলা মসজিদটি ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত । তবে বিবি বেগনি মসজিদ থেকে পায়ে হেঁটে এখানে যেতে সময় লাগে মাত্র ৫ মিনিট। মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট এবং বর্গাকৃতির । চুনাখোলা গ্রামে অবস্থিত  হওয়ার কারনে নামকরণ করা হয়েছে চুনাখোলা মসজিদ। 

মসজিদটি ইটের তৈরি, এবং এর বাইরের প্রতিটি দিকের দৈর্ঘ্য ১২.৫০ মিটার। মসজিদটির দেয়ালগুলো প্রায় ২.১৪ মিটার পুরু, মসজিদটিতে পাঁচটি ধনুকাকৃতির খিলানযুক্ত দরজা রয়েছে। পূর্ব দিকের তিনটি দরজার মধ্যে একটি কিছুটা বড় এবং অন্য দুটির মতো উত্তর ও দক্ষিণ দিকের দরজাগুলো সমান প্রশস্ত। মসজিদের অভ্যন্তরে কিবলা দেয়ালের পাশে তিনটি মিহরাব রয়েছে। চুনাখোলা মসজিদটির ছাদে একটি বিশাল অর্ধগোলাকৃতির গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের বাইরের চার কোণে রয়েছে চারটি গোলাকার মিনার। মসজিদের তিনটি কার্নিশ বাঁকানো আকারে নির্মিত। মসজিদে ব্যবহৃত পোড়ামাটির অলঙ্করণে সাধারণত ফুল, লতাপাতা, জালি ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে।

চারিদিকে সবুজে আবৃত বৃক্ষরাজির সমাহার চোখে পড়বে। নির্জন নিস্তব্ধ এলাকায় চুনা খোলা মসজিদটি দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। খুলনা বিভাগীয় প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত ষাটগম্বুজ জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ পল্লীবাংলাকে অবহিত করেন খান জাহানের পুরাকীর্তি কে আরও সমৃদ্ধ এবং পর্যটকদের আকর্ষণে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প। দর্শনার্থীদের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত  পর্যটকদের অবকাশ যাপন, রেস্টহাউজ নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ করে যাতায়াতের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে যাচ্ছে নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারী। ঢাকা থেকে অনায়াসে নোয়াপাড়া নেমেই এ স্পটে আসতে লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট। কাছাকাছি হোটেল রেস্টুরেন্ট থাকা খাবার  ব্যাবস্থা পাওয়া  যাবে খুবই স্বল্প খরচে।

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

১১ মার্চ, ২০২৫,  7:00 PM

news image

প্রত্নতাত্ত্বিক নগরী  খান জাহানের  পুণ্যভূমি বাগেরহাটের চুনাখোলা মসজিদসহ  রয়েছে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট । যা দেখতে  পর্যটকরা ভিড় করেন এ শহরে। 

চুনাখোলা মসজিদটি ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত । তবে বিবি বেগনি মসজিদ থেকে পায়ে হেঁটে এখানে যেতে সময় লাগে মাত্র ৫ মিনিট। মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট এবং বর্গাকৃতির । চুনাখোলা গ্রামে অবস্থিত  হওয়ার কারনে নামকরণ করা হয়েছে চুনাখোলা মসজিদ। 

মসজিদটি ইটের তৈরি, এবং এর বাইরের প্রতিটি দিকের দৈর্ঘ্য ১২.৫০ মিটার। মসজিদটির দেয়ালগুলো প্রায় ২.১৪ মিটার পুরু, মসজিদটিতে পাঁচটি ধনুকাকৃতির খিলানযুক্ত দরজা রয়েছে। পূর্ব দিকের তিনটি দরজার মধ্যে একটি কিছুটা বড় এবং অন্য দুটির মতো উত্তর ও দক্ষিণ দিকের দরজাগুলো সমান প্রশস্ত। মসজিদের অভ্যন্তরে কিবলা দেয়ালের পাশে তিনটি মিহরাব রয়েছে। চুনাখোলা মসজিদটির ছাদে একটি বিশাল অর্ধগোলাকৃতির গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের বাইরের চার কোণে রয়েছে চারটি গোলাকার মিনার। মসজিদের তিনটি কার্নিশ বাঁকানো আকারে নির্মিত। মসজিদে ব্যবহৃত পোড়ামাটির অলঙ্করণে সাধারণত ফুল, লতাপাতা, জালি ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে।

চারিদিকে সবুজে আবৃত বৃক্ষরাজির সমাহার চোখে পড়বে। নির্জন নিস্তব্ধ এলাকায় চুনা খোলা মসজিদটি দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। খুলনা বিভাগীয় প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত ষাটগম্বুজ জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ পল্লীবাংলাকে অবহিত করেন খান জাহানের পুরাকীর্তি কে আরও সমৃদ্ধ এবং পর্যটকদের আকর্ষণে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প। দর্শনার্থীদের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত  পর্যটকদের অবকাশ যাপন, রেস্টহাউজ নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ করে যাতায়াতের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে যাচ্ছে নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারী। ঢাকা থেকে অনায়াসে নোয়াপাড়া নেমেই এ স্পটে আসতে লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট। কাছাকাছি হোটেল রেস্টুরেন্ট থাকা খাবার  ব্যাবস্থা পাওয়া  যাবে খুবই স্বল্প খরচে।