ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

খান জাহানের পুণ্যভূমি বাগেরহাটের চুনাখোলা মসজিদ

#
news image

প্রত্নতাত্ত্বিক নগরী  খান জাহানের  পুণ্যভূমি বাগেরহাটের চুনাখোলা মসজিদসহ  রয়েছে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট । যা দেখতে  পর্যটকরা ভিড় করেন এ শহরে। 

চুনাখোলা মসজিদটি ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত । তবে বিবি বেগনি মসজিদ থেকে পায়ে হেঁটে এখানে যেতে সময় লাগে মাত্র ৫ মিনিট। মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট এবং বর্গাকৃতির । চুনাখোলা গ্রামে অবস্থিত  হওয়ার কারনে নামকরণ করা হয়েছে চুনাখোলা মসজিদ। 

মসজিদটি ইটের তৈরি, এবং এর বাইরের প্রতিটি দিকের দৈর্ঘ্য ১২.৫০ মিটার। মসজিদটির দেয়ালগুলো প্রায় ২.১৪ মিটার পুরু, মসজিদটিতে পাঁচটি ধনুকাকৃতির খিলানযুক্ত দরজা রয়েছে। পূর্ব দিকের তিনটি দরজার মধ্যে একটি কিছুটা বড় এবং অন্য দুটির মতো উত্তর ও দক্ষিণ দিকের দরজাগুলো সমান প্রশস্ত। মসজিদের অভ্যন্তরে কিবলা দেয়ালের পাশে তিনটি মিহরাব রয়েছে। চুনাখোলা মসজিদটির ছাদে একটি বিশাল অর্ধগোলাকৃতির গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের বাইরের চার কোণে রয়েছে চারটি গোলাকার মিনার। মসজিদের তিনটি কার্নিশ বাঁকানো আকারে নির্মিত। মসজিদে ব্যবহৃত পোড়ামাটির অলঙ্করণে সাধারণত ফুল, লতাপাতা, জালি ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে।

চারিদিকে সবুজে আবৃত বৃক্ষরাজির সমাহার চোখে পড়বে। নির্জন নিস্তব্ধ এলাকায় চুনা খোলা মসজিদটি দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। খুলনা বিভাগীয় প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত ষাটগম্বুজ জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ পল্লীবাংলাকে অবহিত করেন খান জাহানের পুরাকীর্তি কে আরও সমৃদ্ধ এবং পর্যটকদের আকর্ষণে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প। দর্শনার্থীদের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত  পর্যটকদের অবকাশ যাপন, রেস্টহাউজ নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ করে যাতায়াতের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে যাচ্ছে নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারী। ঢাকা থেকে অনায়াসে নোয়াপাড়া নেমেই এ স্পটে আসতে লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট। কাছাকাছি হোটেল রেস্টুরেন্ট থাকা খাবার  ব্যাবস্থা পাওয়া  যাবে খুবই স্বল্প খরচে।

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

১১ মার্চ, ২০২৫,  7:00 PM

news image

প্রত্নতাত্ত্বিক নগরী  খান জাহানের  পুণ্যভূমি বাগেরহাটের চুনাখোলা মসজিদসহ  রয়েছে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট । যা দেখতে  পর্যটকরা ভিড় করেন এ শহরে। 

চুনাখোলা মসজিদটি ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত । তবে বিবি বেগনি মসজিদ থেকে পায়ে হেঁটে এখানে যেতে সময় লাগে মাত্র ৫ মিনিট। মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট এবং বর্গাকৃতির । চুনাখোলা গ্রামে অবস্থিত  হওয়ার কারনে নামকরণ করা হয়েছে চুনাখোলা মসজিদ। 

মসজিদটি ইটের তৈরি, এবং এর বাইরের প্রতিটি দিকের দৈর্ঘ্য ১২.৫০ মিটার। মসজিদটির দেয়ালগুলো প্রায় ২.১৪ মিটার পুরু, মসজিদটিতে পাঁচটি ধনুকাকৃতির খিলানযুক্ত দরজা রয়েছে। পূর্ব দিকের তিনটি দরজার মধ্যে একটি কিছুটা বড় এবং অন্য দুটির মতো উত্তর ও দক্ষিণ দিকের দরজাগুলো সমান প্রশস্ত। মসজিদের অভ্যন্তরে কিবলা দেয়ালের পাশে তিনটি মিহরাব রয়েছে। চুনাখোলা মসজিদটির ছাদে একটি বিশাল অর্ধগোলাকৃতির গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের বাইরের চার কোণে রয়েছে চারটি গোলাকার মিনার। মসজিদের তিনটি কার্নিশ বাঁকানো আকারে নির্মিত। মসজিদে ব্যবহৃত পোড়ামাটির অলঙ্করণে সাধারণত ফুল, লতাপাতা, জালি ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে।

চারিদিকে সবুজে আবৃত বৃক্ষরাজির সমাহার চোখে পড়বে। নির্জন নিস্তব্ধ এলাকায় চুনা খোলা মসজিদটি দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। খুলনা বিভাগীয় প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত ষাটগম্বুজ জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ পল্লীবাংলাকে অবহিত করেন খান জাহানের পুরাকীর্তি কে আরও সমৃদ্ধ এবং পর্যটকদের আকর্ষণে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প। দর্শনার্থীদের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত  পর্যটকদের অবকাশ যাপন, রেস্টহাউজ নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ করে যাতায়াতের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে যাচ্ছে নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারী। ঢাকা থেকে অনায়াসে নোয়াপাড়া নেমেই এ স্পটে আসতে লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট। কাছাকাছি হোটেল রেস্টুরেন্ট থাকা খাবার  ব্যাবস্থা পাওয়া  যাবে খুবই স্বল্প খরচে।