ঢাকা ১৪ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হবিগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ধ/র্ষ/ণের হুমকির অভিযোগে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, টিন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ সুনামগঞ্জে খুনের জেরে ৩ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট, এক প্রবাসী মায়ের আর্তনাদ !

গাজীপুরে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে

#
news image

 

গাজীপুরের হায়দারবাদ এলাকায় কয়েক মাস ধরে চলছিল ঘোড়ার মাংস বিক্রি। যা ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘেষণা করেছেন প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মৌখিকভাবে ঘোড়া জবাই মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. এস.এম. হারুন-অর-রশিদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন গণমাধ্যমকে।

তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ঘোড়ার মাংস খাওয়া হারাম নয়। তবে ঘোড়া আমাদের দেশে বিলুপ্তির পথে প্রায় একটি প্রাণী। কারণে বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়া জবাই করতে হলে সরকারি অনুমতি এবং নির্দিষ্ট কসাইখানার অনুমোদন প্রয়োজন বলে জানা গেছে, যা উদ্যোক্তারা না নিয়েই মাংস বিক্রি করে আসছিলেন দীর্ঘদিন।

চলতি বছরের শুরুতে গাজীপুরের হায়দারবাদ এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়ার মাংস বিক্রি শুরু করা হয়েছিলো। প্রথমে প্রতি কেজি ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি করা হলেও চাহিদা বাড়ায় পরে যা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি শুরু করা হয়। প্রতি শুক্রবার প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস বিক্রি হচ্ছিল

বিষয়ে বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম পল্লীবাংলাকে বলেন, গরুর মাংসে চর্বি থাকে, কিন্তু ঘোড়ার মাংসে চর্বি নেই। খেতেও বেশ মজাদার। খাওয়ার পর হাত ধোয়ার জন্য সাবানও লাগে না। প্রথমে অনেকে সমালোচনা করলেও এখন অনেকেই তা গ্রহণ করছেন সদলবলে।

কাপাসিয়া থেকে আসা শরীফ শিকদারসহ অনেকেই পল্লীবাংলাকে জানান, প্রথমে শুনে অবাক হয়েছিলাম। তবে কৌতূহল-বসত একদিন কিনে খেয়েছি। স্বাদে গরুর মাংসের মতোই লেগেছে, বরং একটু বেশি নরম (সেদ্ধ) মনে হয়েছে। দামও কম, তাই মাঝে মাঝে কিনে নিয়ে যাই।

গাজীপুর প্রতিনিধি :

১৮ মার্চ, ২০২৫,  10:28 PM

news image

 

গাজীপুরের হায়দারবাদ এলাকায় কয়েক মাস ধরে চলছিল ঘোড়ার মাংস বিক্রি। যা ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘেষণা করেছেন প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মৌখিকভাবে ঘোড়া জবাই মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. এস.এম. হারুন-অর-রশিদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন গণমাধ্যমকে।

তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ঘোড়ার মাংস খাওয়া হারাম নয়। তবে ঘোড়া আমাদের দেশে বিলুপ্তির পথে প্রায় একটি প্রাণী। কারণে বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়া জবাই করতে হলে সরকারি অনুমতি এবং নির্দিষ্ট কসাইখানার অনুমোদন প্রয়োজন বলে জানা গেছে, যা উদ্যোক্তারা না নিয়েই মাংস বিক্রি করে আসছিলেন দীর্ঘদিন।

চলতি বছরের শুরুতে গাজীপুরের হায়দারবাদ এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়ার মাংস বিক্রি শুরু করা হয়েছিলো। প্রথমে প্রতি কেজি ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি করা হলেও চাহিদা বাড়ায় পরে যা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি শুরু করা হয়। প্রতি শুক্রবার প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস বিক্রি হচ্ছিল

বিষয়ে বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম পল্লীবাংলাকে বলেন, গরুর মাংসে চর্বি থাকে, কিন্তু ঘোড়ার মাংসে চর্বি নেই। খেতেও বেশ মজাদার। খাওয়ার পর হাত ধোয়ার জন্য সাবানও লাগে না। প্রথমে অনেকে সমালোচনা করলেও এখন অনেকেই তা গ্রহণ করছেন সদলবলে।

কাপাসিয়া থেকে আসা শরীফ শিকদারসহ অনেকেই পল্লীবাংলাকে জানান, প্রথমে শুনে অবাক হয়েছিলাম। তবে কৌতূহল-বসত একদিন কিনে খেয়েছি। স্বাদে গরুর মাংসের মতোই লেগেছে, বরং একটু বেশি নরম (সেদ্ধ) মনে হয়েছে। দামও কম, তাই মাঝে মাঝে কিনে নিয়ে যাই।