গাজীপুরে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে
গাজীপুর প্রতিনিধি :
১৮ মার্চ, ২০২৫, 10:28 PM
গাজীপুরে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে
গাজীপুরের হায়দারবাদ এলাকায় কয়েক মাস ধরে চলছিল ঘোড়ার মাংস বিক্রি। যা ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘেষণা করেছেন প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মৌখিকভাবে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. এস.এম. হারুন-অর-রশিদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন গণমাধ্যমকে।
তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ঘোড়ার মাংস খাওয়া হারাম নয়। তবে ঘোড়া আমাদের দেশে বিলুপ্তির পথে প্রায় একটি প্রাণী। এ কারণে বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়া জবাই করতে হলে সরকারি অনুমতি এবং নির্দিষ্ট কসাইখানার অনুমোদন প্রয়োজন বলে জানা গেছে, যা উদ্যোক্তারা না নিয়েই মাংস বিক্রি করে আসছিলেন দীর্ঘদিন।
চলতি বছরের শুরুতে গাজীপুরের হায়দারবাদ এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়ার মাংস বিক্রি শুরু করা হয়েছিলো। প্রথমে প্রতি কেজি ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি করা হলেও চাহিদা বাড়ায় পরে যা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি শুরু করা হয়। প্রতি শুক্রবার প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস বিক্রি হচ্ছিল ।
এ বিষয়ে বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম পল্লীবাংলাকে বলেন, গরুর মাংসে চর্বি থাকে, কিন্তু ঘোড়ার মাংসে চর্বি নেই। খেতেও বেশ মজাদার। খাওয়ার পর হাত ধোয়ার জন্য সাবানও লাগে না। প্রথমে অনেকে সমালোচনা করলেও এখন অনেকেই তা গ্রহণ করছেন সদলবলে।
কাপাসিয়া থেকে আসা শরীফ শিকদারসহ অনেকেই পল্লীবাংলাকে জানান, প্রথমে শুনে অবাক হয়েছিলাম। তবে কৌতূহল-বসত একদিন কিনে খেয়েছি। স্বাদে গরুর মাংসের মতোই লেগেছে, বরং একটু বেশি নরম (সেদ্ধ) মনে হয়েছে। দামও কম, তাই মাঝে মাঝে কিনে নিয়ে যাই।
গাজীপুর প্রতিনিধি :
১৮ মার্চ, ২০২৫, 10:28 PM
গাজীপুরের হায়দারবাদ এলাকায় কয়েক মাস ধরে চলছিল ঘোড়ার মাংস বিক্রি। যা ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘেষণা করেছেন প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মৌখিকভাবে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. এস.এম. হারুন-অর-রশিদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন গণমাধ্যমকে।
তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ঘোড়ার মাংস খাওয়া হারাম নয়। তবে ঘোড়া আমাদের দেশে বিলুপ্তির পথে প্রায় একটি প্রাণী। এ কারণে বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়া জবাই করতে হলে সরকারি অনুমতি এবং নির্দিষ্ট কসাইখানার অনুমোদন প্রয়োজন বলে জানা গেছে, যা উদ্যোক্তারা না নিয়েই মাংস বিক্রি করে আসছিলেন দীর্ঘদিন।
চলতি বছরের শুরুতে গাজীপুরের হায়দারবাদ এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়ার মাংস বিক্রি শুরু করা হয়েছিলো। প্রথমে প্রতি কেজি ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি করা হলেও চাহিদা বাড়ায় পরে যা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি শুরু করা হয়। প্রতি শুক্রবার প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস বিক্রি হচ্ছিল ।
এ বিষয়ে বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম পল্লীবাংলাকে বলেন, গরুর মাংসে চর্বি থাকে, কিন্তু ঘোড়ার মাংসে চর্বি নেই। খেতেও বেশ মজাদার। খাওয়ার পর হাত ধোয়ার জন্য সাবানও লাগে না। প্রথমে অনেকে সমালোচনা করলেও এখন অনেকেই তা গ্রহণ করছেন সদলবলে।
কাপাসিয়া থেকে আসা শরীফ শিকদারসহ অনেকেই পল্লীবাংলাকে জানান, প্রথমে শুনে অবাক হয়েছিলাম। তবে কৌতূহল-বসত একদিন কিনে খেয়েছি। স্বাদে গরুর মাংসের মতোই লেগেছে, বরং একটু বেশি নরম (সেদ্ধ) মনে হয়েছে। দামও কম, তাই মাঝে মাঝে কিনে নিয়ে যাই।