চট্টগ্রাম পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ঃ
২০ মার্চ, ২০২৫, 11:30 PM
চট্টগ্রাম পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম মহানগরীর ষোলশহর এলাকায় রেলপথ ও দুই নম্বর গেট মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সড়ক অবরোধ করেন তারা। পরে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ১১টা ৪০ মিনিটের পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি ষোলশহর এলে সেটি আটকে দেওয়া হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। এ আন্দোলন ও অবরোধকে ঘিরে চট্টগ্রামে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, শিক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে অবিলম্বে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ প্রমোশন কোটা বাতিল করতে হবে। জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর (টেক) পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক ‘ডিপ্লোমা প্রকৌশল’ থাকতে হবে। ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরসহ দেশের কারিগরি সব পদে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনবল নিয়োগ দিতে হবে। কারিগরি (পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের জন্য) সব বিভাগীয় শহরগুলোয় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে। কারিগরি শিক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের চাকরির আবেদনের সুযোগ বাস্তবায়ন করতে হবে। ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য প্রাইভেট সেক্টরে সর্বনিম্ন বেতন স্কেল নির্ধারণ করতে হবে।
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের অবরোধ সম্পর্কে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আবু জাফর মজুমদার বলেন, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস বেলা ১২টা থেকে আটকে ছিল। যার কারণে যাত্রীরা চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুরোধ করেছেন, এরপরও তারা ট্রেন ছাড়তে দেয়নি। দুপুর ২টার পর ট্রেন ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ঃ
২০ মার্চ, ২০২৫, 11:30 PM
চট্টগ্রাম মহানগরীর ষোলশহর এলাকায় রেলপথ ও দুই নম্বর গেট মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সড়ক অবরোধ করেন তারা। পরে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ১১টা ৪০ মিনিটের পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি ষোলশহর এলে সেটি আটকে দেওয়া হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। এ আন্দোলন ও অবরোধকে ঘিরে চট্টগ্রামে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, শিক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে অবিলম্বে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ প্রমোশন কোটা বাতিল করতে হবে। জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর (টেক) পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক ‘ডিপ্লোমা প্রকৌশল’ থাকতে হবে। ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরসহ দেশের কারিগরি সব পদে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনবল নিয়োগ দিতে হবে। কারিগরি (পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের জন্য) সব বিভাগীয় শহরগুলোয় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে। কারিগরি শিক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের চাকরির আবেদনের সুযোগ বাস্তবায়ন করতে হবে। ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য প্রাইভেট সেক্টরে সর্বনিম্ন বেতন স্কেল নির্ধারণ করতে হবে।
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের অবরোধ সম্পর্কে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আবু জাফর মজুমদার বলেন, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস বেলা ১২টা থেকে আটকে ছিল। যার কারণে যাত্রীরা চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুরোধ করেছেন, এরপরও তারা ট্রেন ছাড়তে দেয়নি। দুপুর ২টার পর ট্রেন ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।