নোয়াখালীতে আগুনে পুড়ে ছাই ১৮ দোকান
শাহাদাত হোসেন, নোয়াখালী :
২৩ মার্চ, ২০২৫, 10:10 PM
নোয়াখালীতে আগুনে পুড়ে ছাই ১৮ দোকান
নোয়াখালী সদর উপজেলায় মান্নান নগর বাজারে মুদি ও সেলুনসহ ১৮টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
২৩ মার্চ রাত আনুমানিক পৌনে ১টার দিকে বাজারের একটি হোটেল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আগুন নিভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে বলে নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান।
আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো হল, শাহজাহানের কাপড়ের দোকান সততা স্টোর, আজাদের চায়ের দোকান, আলাউদ্দিনের মুরগির দোকান, খলিলের মুদি দোকান, চিটাং হোটেল, আজাদের মুদি দোকান, গণেশের সেলুন, হোরনের হোটেল, সওদাগরের মুদি দোকান, আজাদ হোসেনের চা ও ভ্যারাইটিজ স্টোর, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংঘ, দুলাল বেপারীর মুদি দোকান, কালামের চায়ের দোকান, কাপড় বিতান, মুদি স্টোর, হাসেমের চায়ের দোকান ও ফারুকের মুরগির দোকান।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গণমাধ্যমকে বলেন, রাত পৌনে ১টার দিকে দক্ষিণ বাজারে প্রধান সড়কের পশ্চিম পাশের হোরনের হোটেল থেকে আগুন লেগে তা দ্রুত বাজারের অন্য দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে হোটেলের চুলা নাকি বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, মাইজদী এবং সুবর্ণচর থেকে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আনুমানিক রাত পৌনে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।এর আগে আগুনে প্রায় ১৮টি দেকান পুড়ে গেছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ মার্চ রমজানের সময় মান্নান নগর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৮টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
শাহাদাত হোসেন, নোয়াখালী :
২৩ মার্চ, ২০২৫, 10:10 PM
নোয়াখালী সদর উপজেলায় মান্নান নগর বাজারে মুদি ও সেলুনসহ ১৮টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
২৩ মার্চ রাত আনুমানিক পৌনে ১টার দিকে বাজারের একটি হোটেল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আগুন নিভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে বলে নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান।
আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো হল, শাহজাহানের কাপড়ের দোকান সততা স্টোর, আজাদের চায়ের দোকান, আলাউদ্দিনের মুরগির দোকান, খলিলের মুদি দোকান, চিটাং হোটেল, আজাদের মুদি দোকান, গণেশের সেলুন, হোরনের হোটেল, সওদাগরের মুদি দোকান, আজাদ হোসেনের চা ও ভ্যারাইটিজ স্টোর, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংঘ, দুলাল বেপারীর মুদি দোকান, কালামের চায়ের দোকান, কাপড় বিতান, মুদি স্টোর, হাসেমের চায়ের দোকান ও ফারুকের মুরগির দোকান।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গণমাধ্যমকে বলেন, রাত পৌনে ১টার দিকে দক্ষিণ বাজারে প্রধান সড়কের পশ্চিম পাশের হোরনের হোটেল থেকে আগুন লেগে তা দ্রুত বাজারের অন্য দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে হোটেলের চুলা নাকি বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, মাইজদী এবং সুবর্ণচর থেকে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আনুমানিক রাত পৌনে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।এর আগে আগুনে প্রায় ১৮টি দেকান পুড়ে গেছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ মার্চ রমজানের সময় মান্নান নগর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৮টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।