ঢাকা ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে সংগীতা আইডিয়াল হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন  গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী সুযোগ নিতে পারে জামায়াত

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিলেটে ৭ বন্দি কারামুক্ত

#
news image

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাত কারাবন্দি।

মুক্তিপ্রাপ্তরা সবাই পুরুষ। তাদের বেশিরভাগই শারীরিকভাবে অসুস্থ।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার শারমিন তানিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার তিন, সিলেটের দুই ও মৌলভীবাজারের আরও দুই জন রয়েছেন।

শারমিন তানিয়া জানান, মুক্তিপ্রাপ্তরা সিলেট কারাগারে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা খেটেছেন। তাদের বেশিরভাগই বৃদ্ধ ও সবাই পুরুষ। তাদের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে সরকারি সিদ্ধান্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের হাড়গ্রামের হাজি আব্দুল মজিদের ছেলে খোরশিদ আলী, একই জেলার রায়পুর গ্রামের হাজী আনোয়ার পাশার ছেলে শাহীনুর আলম, জগন্নাথপুর পাড়ারগাও গ্রামের মৃত সৈয়দ উল্লাহর ছেলে সুফি মিয়া, সিলেটের বিয়ানীবাজারেরর দত্তগ্রামের সাজ্জাদ আলীর ছেলে তেরা মিয়া, সিলেটের বিশ্বনাথের মৃত শমসের আলীর ছেলে বাদশা মিয়া, মৌলভীবাজার বড়লেখার মুরারপুল গ্রামের খোরশেদ আলির ছেলে হবিব আলী ও একই জেলার শ্রীমঙ্গলের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে শফিক মিয়া।

কারা সূত্র জানায়, হত্যার অভিযোগে ৩০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দণ্ডিত ছিলেন খোরশিদ আলী (৮১)। এর মধ্যে সাজা খেটেছেন সাড়ে ১১ বছর। তার সাজার বাকি আছে আরও প্রায় ১৮ বছর। তিনি শ্বাসকষ্ট, দৃষ্টিশক্তি সমস্যাসহ নানা রোগে অচল ও অক্ষম।

এ ছাড়া চাচাতো বোনকে হত্যার দায়ে ৩০ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে কারাবন্দি ছিলেন শাহীনুর আলম (৫০)। তিনি ইতোমধ্য ২৮ বছর এক মাস ১৪ দিন সাজা খেটেছেন। স্ট্রোকের কারণে তিনি পক্ষাগ্রস্তসহ বার্ধক্যজনিত কারণে প্রায় অচল।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৬ মার্চ, ২০২৫,  8:22 PM

news image

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাত কারাবন্দি।

মুক্তিপ্রাপ্তরা সবাই পুরুষ। তাদের বেশিরভাগই শারীরিকভাবে অসুস্থ।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার শারমিন তানিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার তিন, সিলেটের দুই ও মৌলভীবাজারের আরও দুই জন রয়েছেন।

শারমিন তানিয়া জানান, মুক্তিপ্রাপ্তরা সিলেট কারাগারে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা খেটেছেন। তাদের বেশিরভাগই বৃদ্ধ ও সবাই পুরুষ। তাদের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে সরকারি সিদ্ধান্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের হাড়গ্রামের হাজি আব্দুল মজিদের ছেলে খোরশিদ আলী, একই জেলার রায়পুর গ্রামের হাজী আনোয়ার পাশার ছেলে শাহীনুর আলম, জগন্নাথপুর পাড়ারগাও গ্রামের মৃত সৈয়দ উল্লাহর ছেলে সুফি মিয়া, সিলেটের বিয়ানীবাজারেরর দত্তগ্রামের সাজ্জাদ আলীর ছেলে তেরা মিয়া, সিলেটের বিশ্বনাথের মৃত শমসের আলীর ছেলে বাদশা মিয়া, মৌলভীবাজার বড়লেখার মুরারপুল গ্রামের খোরশেদ আলির ছেলে হবিব আলী ও একই জেলার শ্রীমঙ্গলের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে শফিক মিয়া।

কারা সূত্র জানায়, হত্যার অভিযোগে ৩০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দণ্ডিত ছিলেন খোরশিদ আলী (৮১)। এর মধ্যে সাজা খেটেছেন সাড়ে ১১ বছর। তার সাজার বাকি আছে আরও প্রায় ১৮ বছর। তিনি শ্বাসকষ্ট, দৃষ্টিশক্তি সমস্যাসহ নানা রোগে অচল ও অক্ষম।

এ ছাড়া চাচাতো বোনকে হত্যার দায়ে ৩০ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে কারাবন্দি ছিলেন শাহীনুর আলম (৫০)। তিনি ইতোমধ্য ২৮ বছর এক মাস ১৪ দিন সাজা খেটেছেন। স্ট্রোকের কারণে তিনি পক্ষাগ্রস্তসহ বার্ধক্যজনিত কারণে প্রায় অচল।