ঢাকা ১৪ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হবিগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ধ/র্ষ/ণের হুমকির অভিযোগে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, টিন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ সুনামগঞ্জে খুনের জেরে ৩ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট, এক প্রবাসী মায়ের আর্তনাদ !

অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পড়ল চা বাগানে খুশি শ্রমিকরা

#
news image

অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পড়ল জেলার চা বাগান গুলোতে। এতে বাগান কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকরা অনেকটাই খুশি হয়েছেন। দু’ এক দিনের মধ্যে আবারও বৃষ্টি দেখা দিলে ভাল ফলনের সম্ভাবনার পাশাপাশি আপাতত বাগান রক্ষায় কৃত্রিম পানি দেয়া প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন বাগান কর্তৃপক্ষ। চলতি মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তা বাড়ছিল জেলার ৩৪টি চা বাগানের মালিক-শ্রমিকদের। চা বাগানের পাতা একটি কুঁড়িও দেখা যাচ্ছিল না। ক্রমে গাছগুলিতে রোগ ও পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছিল। পর্যাপ্ত জলের অভাবে বেশিরভাগ চা গাছ লাল হতে শুরু করে। অনেক বাগানের চা পাতা পুড়ে যায়। 

গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় পর্যন্ত চুনারুঘাট ও মাধবপুরে যথেষ্ট পরিমানে বৃষ্টি দেখা দেয়। এছাড়া বাহুবল ও নবীগঞ্জে বৃষ্টি হয়েছে। আর সেই বৃষ্টিই স্বস্তি এনেছে বাগানের মালিক ও শ্রমিকদের। যদিও চা বাগানগুলোতে আরও বৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে। ভাল ফলন হতে হলে আরও দু’ এক দিন বৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাগান কর্তৃপক্ষ। তবে আপাতত আজ থেকে কৃত্রিম পানি দেয়া বন্ধ থাকবে। দু’ এক দিনের মধ্যে বৃষ্টি হলে চা পাতার উৎপাদন, গুণমান দুটোই ভাল হবে। মে মাসে ফলন ভালো হবে। এটাই ভাবছেন মালিকরা। এতদিন চা উৎপাদনের পরিমান অনেকটাই কম ছিল। কিন্তু এবার কত উৎপাদন হবে? সেই বিষয়টি আগামী দিনে বলা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বৃষ্টির ফলে রোগ, পোকার আক্রমণ কমবে। যে সব চা বাগানে সেচের ব্যবস্থা নেই, সেখানে এই বৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু মালিকপক্ষই না, এই বৃষ্টির ফলে খুশি চা শ্রমিকরাও।
উল্লেখ্য, প্রচন্ড খরা ও অনাবৃষ্টির কবলে দীর্ঘদিন ধরে পুড়ছিল জেলার ৩৪টি চা বাগান। চা বাগানে সৃষ্টি হয়েছিল পোকা মাকড়। নতুন পাতা না আসায় লোকসানের শঙ্কায় ছিলেন বাগান মালিকরা। অন্যদিকে, হতাশায় ছিলেন শ্রমিকরাও। বাগানে পাতা না থাকায় কাজ বন্ধ হয়ে পড়ছিল শ্রমিকদের। যে কারনে অনেক শ্রমিক বিভিন্ন এলাকা থেকে কলস দিয়ে পানি সংগ্রহ করে বাগানে ছিটিয়ে ছিলেন। অনেক বাগান মালিকরা সেচের সুবিধা না থাকায় কৃত্রিম ভাবে পানি ব্যবহার করেন। 
চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডি চা বাগানের ব্যবস্থাপক সেলিমুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর বৃষ্টির দেখা পেলাম। তবে ভাল চা উৎপাদনে আরও বৃষ্টির প্রয়োজন। আগামী দু’ এক দিনের মধ্যে আবারও বৃষ্টি দেখা দিলে ভাল চা উৎপাদন হবে। এই বৃষ্টির ফলে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ভালো পাতা তৈরি হবে। বৃষ্টির ফলে অনেকটাই উপকার হয়েছে। আপাতত বাগান রক্ষায় শ্রমিক ও মালিকদের কৃত্রিম পানি দেয়া প্রয়োজন নেই। সামনের দিন গুলোতে বৃষ্টি না হলে আবারও কৃত্রিম পানির প্রয়োজন হতে পারে।

মোঃ রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

১২ এপ্রিল, ২০২৫,  10:41 PM

news image

অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পড়ল জেলার চা বাগান গুলোতে। এতে বাগান কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকরা অনেকটাই খুশি হয়েছেন। দু’ এক দিনের মধ্যে আবারও বৃষ্টি দেখা দিলে ভাল ফলনের সম্ভাবনার পাশাপাশি আপাতত বাগান রক্ষায় কৃত্রিম পানি দেয়া প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন বাগান কর্তৃপক্ষ। চলতি মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তা বাড়ছিল জেলার ৩৪টি চা বাগানের মালিক-শ্রমিকদের। চা বাগানের পাতা একটি কুঁড়িও দেখা যাচ্ছিল না। ক্রমে গাছগুলিতে রোগ ও পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছিল। পর্যাপ্ত জলের অভাবে বেশিরভাগ চা গাছ লাল হতে শুরু করে। অনেক বাগানের চা পাতা পুড়ে যায়। 

গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় পর্যন্ত চুনারুঘাট ও মাধবপুরে যথেষ্ট পরিমানে বৃষ্টি দেখা দেয়। এছাড়া বাহুবল ও নবীগঞ্জে বৃষ্টি হয়েছে। আর সেই বৃষ্টিই স্বস্তি এনেছে বাগানের মালিক ও শ্রমিকদের। যদিও চা বাগানগুলোতে আরও বৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে। ভাল ফলন হতে হলে আরও দু’ এক দিন বৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাগান কর্তৃপক্ষ। তবে আপাতত আজ থেকে কৃত্রিম পানি দেয়া বন্ধ থাকবে। দু’ এক দিনের মধ্যে বৃষ্টি হলে চা পাতার উৎপাদন, গুণমান দুটোই ভাল হবে। মে মাসে ফলন ভালো হবে। এটাই ভাবছেন মালিকরা। এতদিন চা উৎপাদনের পরিমান অনেকটাই কম ছিল। কিন্তু এবার কত উৎপাদন হবে? সেই বিষয়টি আগামী দিনে বলা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বৃষ্টির ফলে রোগ, পোকার আক্রমণ কমবে। যে সব চা বাগানে সেচের ব্যবস্থা নেই, সেখানে এই বৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু মালিকপক্ষই না, এই বৃষ্টির ফলে খুশি চা শ্রমিকরাও।
উল্লেখ্য, প্রচন্ড খরা ও অনাবৃষ্টির কবলে দীর্ঘদিন ধরে পুড়ছিল জেলার ৩৪টি চা বাগান। চা বাগানে সৃষ্টি হয়েছিল পোকা মাকড়। নতুন পাতা না আসায় লোকসানের শঙ্কায় ছিলেন বাগান মালিকরা। অন্যদিকে, হতাশায় ছিলেন শ্রমিকরাও। বাগানে পাতা না থাকায় কাজ বন্ধ হয়ে পড়ছিল শ্রমিকদের। যে কারনে অনেক শ্রমিক বিভিন্ন এলাকা থেকে কলস দিয়ে পানি সংগ্রহ করে বাগানে ছিটিয়ে ছিলেন। অনেক বাগান মালিকরা সেচের সুবিধা না থাকায় কৃত্রিম ভাবে পানি ব্যবহার করেন। 
চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডি চা বাগানের ব্যবস্থাপক সেলিমুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর বৃষ্টির দেখা পেলাম। তবে ভাল চা উৎপাদনে আরও বৃষ্টির প্রয়োজন। আগামী দু’ এক দিনের মধ্যে আবারও বৃষ্টি দেখা দিলে ভাল চা উৎপাদন হবে। এই বৃষ্টির ফলে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ভালো পাতা তৈরি হবে। বৃষ্টির ফলে অনেকটাই উপকার হয়েছে। আপাতত বাগান রক্ষায় শ্রমিক ও মালিকদের কৃত্রিম পানি দেয়া প্রয়োজন নেই। সামনের দিন গুলোতে বৃষ্টি না হলে আবারও কৃত্রিম পানির প্রয়োজন হতে পারে।