ঢাকা ১২ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম নীলফামারীতে 'ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি’ অর্জনকারী ২৬৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা হবিগঞ্জ কারাগারে এক হাজতি বন্দির মৃত নিয়ে ধ্রমজাল, তদন্তের দাবি পরিবারের শিবগঞ্জ সীমান্তে পৃথক অভিযান, নেশাজাতীয় সিরাপ ও ট্যাবলেটসহ আটক ১ বড়লেখায় জমে উঠেছে ঈদ বাজার গাইবান্ধায় শ্রমিকদলের নেতা রঞ্জুর ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার স্পার বাঁধ থেকে অবৈধ মাটি কাটায় অর্থদণ্ড। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফোরামের উদ্যোগে নবনির্বাচিত ৪ এমপিকে সংবর্ধনা প্রদান। পৌরসভার নাকের ডগায় নিয়ম ভাঙছে ডেভেলপাররা, রহস্যজনকভাবে নীরব পৌরসভা ঈদে সড়ক পথে নিরাপদ যাত্রায় প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ শীর্ষক সভা 

সিলেটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর-লুটের ঘটনায় গ্রেফতার ২৫

#
news image

ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে সিলেট নগরে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ইশতিয়াক নূর চৌধুরী জিহান নামের একজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে, গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার জিহান নগরীর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সুবিদ বাজার এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান চৌধুরীর ছেলে।
কোতোয়ালী মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৭ এপ্রিল) ইসরায়েল বিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচির সুযোগে দরগাহ গেট এলাকায় ‘বাটা’র একটি আউটলেটে হামলা ও ভাঙচুর চালায় কিছু দুর্বৃত্ত। 
এ সময় অন্যরা যখন ভাঙচুরে ব্যস্ত তখন জুতা লুটপাট শুরু করে জিহান। তার ব্যাগে ভরে জুতা লুট করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এসএমপি’র কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বাসস-কে বলেন, ‘ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও বিভিন্ন ভিডিও দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, জিহানই প্রথম জুতা লুট করা শুরু করে। পরবর্তীতে বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নগরীর এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল শনিবার তাকে আদালতে তোলা হলে, সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।’
তিনি আরও জানান, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় বাটা কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার ও নগরের মিরবক্সটুলাস্থ কেএফসি ভবনের রয়েল মার্ক হোটেল কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। 
এই ঘটনায় প্রথম দিন ১৪ জন ও পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে আরও ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি জিয়াউল হক বলেন, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তবে সবগুলো প্রতিষ্ঠানে হামলার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিডিও পর্যালোচনা করেই আসামিদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করে পুলিশ।

সিলেট প্রতিনিধিঃ

১৪ এপ্রিল, ২০২৫,  3:48 AM

news image

ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে সিলেট নগরে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ইশতিয়াক নূর চৌধুরী জিহান নামের একজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে, গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার জিহান নগরীর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সুবিদ বাজার এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান চৌধুরীর ছেলে।
কোতোয়ালী মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৭ এপ্রিল) ইসরায়েল বিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচির সুযোগে দরগাহ গেট এলাকায় ‘বাটা’র একটি আউটলেটে হামলা ও ভাঙচুর চালায় কিছু দুর্বৃত্ত। 
এ সময় অন্যরা যখন ভাঙচুরে ব্যস্ত তখন জুতা লুটপাট শুরু করে জিহান। তার ব্যাগে ভরে জুতা লুট করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এসএমপি’র কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বাসস-কে বলেন, ‘ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও বিভিন্ন ভিডিও দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, জিহানই প্রথম জুতা লুট করা শুরু করে। পরবর্তীতে বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নগরীর এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল শনিবার তাকে আদালতে তোলা হলে, সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।’
তিনি আরও জানান, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় বাটা কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার ও নগরের মিরবক্সটুলাস্থ কেএফসি ভবনের রয়েল মার্ক হোটেল কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। 
এই ঘটনায় প্রথম দিন ১৪ জন ও পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে আরও ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি জিয়াউল হক বলেন, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তবে সবগুলো প্রতিষ্ঠানে হামলার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিডিও পর্যালোচনা করেই আসামিদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করে পুলিশ।