ঢাকা ১১ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

আম-ধান মিশ্র চাষে সফলতা আশা করছেন রহনপুরের কৃষক বাইদুল ইসলাম

#
news image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের তেঁতুল তলা গ্রামের কৃষক বাইদুল ইসলাম আম-ধান মিশ্র চাষে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছেন। সীমিত জমিতে চাষাবাদ করে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে একই জমিতে একসঙ্গে দুই ধরনের ফসল ফলিয়ে লাভবান হওয়া যায়।

বাইদুল ইসলাম তার প্রায় দুই বিঘা জমিতে আম গাছের নিচে ধান চাষ করেছেন, যা সাধারণত অব্যবহৃত থেকে যায়। এতে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার যেমন নিশ্চিত হয়েছে, তেমনি খরচও কমেছে। বিশেষ করে তিনি গ্রীষ্মকালীন উচ্চফলনশীল ধান বেছে নিয়ে মাটির আর্দ্রতা বজায় রেখে সঠিকভাবে পরিচর্যা করেছেন। ফলাফলস্বরূপ, তিনি এক মৌসুমেই আম থেকে যেমন লাভবান হবে তেমনি ধান থেকেও ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছেন। তিনি আরোও জানিয়েছেন যে আমের মধ্যে ধান চাষ করলে আম গাছে আলাদা পানি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

এই চাষাবাদ পদ্ধতিতে একদিকে যেমন কৃষকের আয় বাড়ছে, অন্যদিকে জমির উৎপাদনশীলতাও বেড়েছে। এলাকার অনেক কৃষক এখন বাইদুল ইসলামের দেখানো পথে হাঁটার আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তারাও প্রশংসা করেছেন তার উদ্যোগের। তারা বলছেন, মিশ্র চাষ পদ্ধতি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষির একটি ভালো উদাহরণ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :

১৯ এপ্রিল, ২০২৫,  12:26 AM

news image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের তেঁতুল তলা গ্রামের কৃষক বাইদুল ইসলাম আম-ধান মিশ্র চাষে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছেন। সীমিত জমিতে চাষাবাদ করে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে একই জমিতে একসঙ্গে দুই ধরনের ফসল ফলিয়ে লাভবান হওয়া যায়।

বাইদুল ইসলাম তার প্রায় দুই বিঘা জমিতে আম গাছের নিচে ধান চাষ করেছেন, যা সাধারণত অব্যবহৃত থেকে যায়। এতে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার যেমন নিশ্চিত হয়েছে, তেমনি খরচও কমেছে। বিশেষ করে তিনি গ্রীষ্মকালীন উচ্চফলনশীল ধান বেছে নিয়ে মাটির আর্দ্রতা বজায় রেখে সঠিকভাবে পরিচর্যা করেছেন। ফলাফলস্বরূপ, তিনি এক মৌসুমেই আম থেকে যেমন লাভবান হবে তেমনি ধান থেকেও ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছেন। তিনি আরোও জানিয়েছেন যে আমের মধ্যে ধান চাষ করলে আম গাছে আলাদা পানি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

এই চাষাবাদ পদ্ধতিতে একদিকে যেমন কৃষকের আয় বাড়ছে, অন্যদিকে জমির উৎপাদনশীলতাও বেড়েছে। এলাকার অনেক কৃষক এখন বাইদুল ইসলামের দেখানো পথে হাঁটার আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তারাও প্রশংসা করেছেন তার উদ্যোগের। তারা বলছেন, মিশ্র চাষ পদ্ধতি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষির একটি ভালো উদাহরণ।