ঢাকা ১১ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

সাংবাদিক টিপুকে কারাদণ্ড: কয়রা সাংবাদিক ফোরামের উদ্বেগ ও প্রতিবাদ

#
news image

দৈনিক কালের কণ্ঠের তালা উপজেলা প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান টিপুকে প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তার লাঞ্ছনার শিকার হওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কয়রা সাংবাদিক ফোরাম। একই সঙ্গে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বুধবার সকালে কয়রা সাংবাদিক ফোরামের ভার্চুয়াল জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি তারিক লিটু এবং পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এস.এম রাশেদুজ্জামান হিরো। 

সভায় বক্তৃতা করেন সহ-সভাপতি মো. মোক্তার হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজ দিপু এবং প্রচার সম্পাদক সুমাইয়া সুলতানা। তাঁরা সাংবাদিক টিপুর ওপর হামলা এবং পরবর্তীতে কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,মো.আব্দুল মান্নান,  জিল্লুর রহমান,আব্দুল্যাহ আল জুবায়ের,মো.কাজল,মো.সালাউদ্দিন,সোহরাব হোসেন,মাহফুজা খাতুন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, “তথ্য সংগ্রহের সময় সাংবাদিককে লাঞ্ছিত ও সাজা প্রদান সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ। এটা সাংবাদিকদের জন্য ভয়াবহ বার্তা।”

সভায় জানানো হয়, গত ২২ এপ্রিল তালা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণকাজে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী এম এম মামুন আলম তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উপস্থিত হয়ে রোকনুজ্জামান টিপুকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন।

ঘটনার পর সাংবাদিক টিপু বলেন, “আমি নির্মাণকাজের মান খারাপ হওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহে গিয়েছিলাম। তখন প্রকৌশলী মামুন আলম কোনো সহযোগিতা না করে উল্টো আমাকে মারধর করেন। আমি প্রতিরোধ করতে গেলে হাতাহাতি হয়।”

কয়রা সাংবাদিক ফোরাম দ্রুত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায়।

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ

২৩ এপ্রিল, ২০২৫,  11:27 PM

news image

দৈনিক কালের কণ্ঠের তালা উপজেলা প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান টিপুকে প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তার লাঞ্ছনার শিকার হওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কয়রা সাংবাদিক ফোরাম। একই সঙ্গে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বুধবার সকালে কয়রা সাংবাদিক ফোরামের ভার্চুয়াল জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি তারিক লিটু এবং পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এস.এম রাশেদুজ্জামান হিরো। 

সভায় বক্তৃতা করেন সহ-সভাপতি মো. মোক্তার হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজ দিপু এবং প্রচার সম্পাদক সুমাইয়া সুলতানা। তাঁরা সাংবাদিক টিপুর ওপর হামলা এবং পরবর্তীতে কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,মো.আব্দুল মান্নান,  জিল্লুর রহমান,আব্দুল্যাহ আল জুবায়ের,মো.কাজল,মো.সালাউদ্দিন,সোহরাব হোসেন,মাহফুজা খাতুন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, “তথ্য সংগ্রহের সময় সাংবাদিককে লাঞ্ছিত ও সাজা প্রদান সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ। এটা সাংবাদিকদের জন্য ভয়াবহ বার্তা।”

সভায় জানানো হয়, গত ২২ এপ্রিল তালা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণকাজে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী এম এম মামুন আলম তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উপস্থিত হয়ে রোকনুজ্জামান টিপুকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন।

ঘটনার পর সাংবাদিক টিপু বলেন, “আমি নির্মাণকাজের মান খারাপ হওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহে গিয়েছিলাম। তখন প্রকৌশলী মামুন আলম কোনো সহযোগিতা না করে উল্টো আমাকে মারধর করেন। আমি প্রতিরোধ করতে গেলে হাতাহাতি হয়।”

কয়রা সাংবাদিক ফোরাম দ্রুত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায়।