ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

৬০ শতাংশেরও বেশি জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী

#
news image

জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প বিষয়ক উপমন্ত্রী মাতসুও তাকেহিকো এক জরিপের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ৬০ শতাংশেরও বেশি জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের কথা বিবেচনা করছে।

তিনি বলেন, তার সরকার সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে প্রস্তুত।

আজ টোকিওতে জাপানি অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ে (এমইটিআই) অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বাংলাদেশ-জাপান সরকারি-বেসরকারি যৌথ অর্থনৈতিক সংলাপে উপমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংলাপে ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম. সিরাজ উদ্দিন মিয়া। জাপানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এমইটিআইয়ের ভাইস মিনিস্টার মাতসুও তাকেহিক। এসময় জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই সংলাপ উভয় দেশের অংশীদারদের মধ্যে অব্যাহত উন্মুক্ত ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

আলোচনায় উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদার করা, বিশেষ করে কানেক্টিভিটি, বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট (বিগ-বি), লজিস্টিকস, এনার্জি ট্রানজিশন, কৃষি এবং কর ও কাস্টমস পদ্ধতি সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং আরও ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত সংস্কার কার্যক্রমের কথা তুলে ধরা হয়। এছাড়া পূর্ববর্তী সংলাপে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়।

সংলাপে বাংলাদেশ তার বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং আরও ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে চলমান সংস্কার উদ্যোগগুলি তুলে ধরে।

জাপানের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে ব্যবসার পরিবেশের উন্নয়নে তাদের বেসরকারি খাতের সন্তুষ্টির কথা প্রকাশ করে বলেন, বিগত এক দশকে বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানির সংখ্যা তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা এবং সেখানে ব্যবসা সম্প্রসারণে তাদের আগ্রহের প্রতিফলন। সংলাপে উভয় পক্ষ দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর করার বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে এবং ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) সম্পাদনের আশা প্রকাশ করে। বাংলাদেশ জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণে জাপানের স্টেকহোল্ডারদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া আলোচনায় উত্থাপিত মূল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার কাজ করে যাবে বলে আশ্বাস দেন। তিনি আরো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংস্কার ও অটোমেশন প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণের আগেই ইপিএ চূড়ান্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সংলাপে উভয় সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ থেকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এফবিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠকে জাপানের পক্ষে অন্যান্যদের মধ্যে জাপান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেসিসিআই) জাপান-বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশে জাইকা ও জেট্রো অফিসের প্রধান এবং জাপানের বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৪ এপ্রিল, ২০২৫,  12:24 AM

news image

জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প বিষয়ক উপমন্ত্রী মাতসুও তাকেহিকো এক জরিপের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ৬০ শতাংশেরও বেশি জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের কথা বিবেচনা করছে।

তিনি বলেন, তার সরকার সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে প্রস্তুত।

আজ টোকিওতে জাপানি অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ে (এমইটিআই) অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বাংলাদেশ-জাপান সরকারি-বেসরকারি যৌথ অর্থনৈতিক সংলাপে উপমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংলাপে ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম. সিরাজ উদ্দিন মিয়া। জাপানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এমইটিআইয়ের ভাইস মিনিস্টার মাতসুও তাকেহিক। এসময় জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই সংলাপ উভয় দেশের অংশীদারদের মধ্যে অব্যাহত উন্মুক্ত ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

আলোচনায় উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদার করা, বিশেষ করে কানেক্টিভিটি, বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট (বিগ-বি), লজিস্টিকস, এনার্জি ট্রানজিশন, কৃষি এবং কর ও কাস্টমস পদ্ধতি সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং আরও ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত সংস্কার কার্যক্রমের কথা তুলে ধরা হয়। এছাড়া পূর্ববর্তী সংলাপে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়।

সংলাপে বাংলাদেশ তার বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং আরও ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে চলমান সংস্কার উদ্যোগগুলি তুলে ধরে।

জাপানের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে ব্যবসার পরিবেশের উন্নয়নে তাদের বেসরকারি খাতের সন্তুষ্টির কথা প্রকাশ করে বলেন, বিগত এক দশকে বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানির সংখ্যা তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা এবং সেখানে ব্যবসা সম্প্রসারণে তাদের আগ্রহের প্রতিফলন। সংলাপে উভয় পক্ষ দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর করার বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে এবং ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) সম্পাদনের আশা প্রকাশ করে। বাংলাদেশ জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণে জাপানের স্টেকহোল্ডারদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া আলোচনায় উত্থাপিত মূল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার কাজ করে যাবে বলে আশ্বাস দেন। তিনি আরো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংস্কার ও অটোমেশন প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণের আগেই ইপিএ চূড়ান্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সংলাপে উভয় সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ থেকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এফবিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠকে জাপানের পক্ষে অন্যান্যদের মধ্যে জাপান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেসিসিআই) জাপান-বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশে জাইকা ও জেট্রো অফিসের প্রধান এবং জাপানের বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।