ঢাকা ১৪ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হবিগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ধ/র্ষ/ণের হুমকির অভিযোগে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, টিন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ সুনামগঞ্জে খুনের জেরে ৩ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট, এক প্রবাসী মায়ের আর্তনাদ !

রাজশাহীতে নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণ, সরবরাহ, পরিবেশন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

#
news image

রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণ, খাদ্য সরবরাহ, পরিবেশন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে এগারোটায় সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার ।
 
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আফিয়া আখতার বলেন, খাদ্যে কীভাবে বিষ প্রয়োগ করা হচ্ছে, পোল্ট্রি খামারে কীভাবে ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে, বাচ্চাদের কীভাবে জাঙ্কফুড খাওয়ানো হচ্ছে সেটা আমরা সকলেই জানি। এগুলো আমাদেও জন্য বিপদ ডেকে আনছে। এগুলো প্রতিরোধে আইনের চেয়ে সচেতনতা বেশি জরুরি।
 
তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্যের যে আইন আছে সেটা অনেক কঠোর আইন। এই আইনের মাধ্যমে ২০১৩-১৪ সাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানার টাকা হয়তো আদায় হয়েছে কিন্তু সচেতনতা বাড়েনি। এটা পরিবর্তন করতে হলে একটি সিস্টেমে আসতে হবে, সেই সিস্টেম ডেভেলপ করতে হবে এবং উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন পর্যন্ত প্রতিটা পর্যায়ে গুণগতমান নিশ্চিত করতে হবে। 
 
জেলা প্রশাসক বলেন, পৃথিবীতে কোনো জাতি কী আছে যারা নিজেদেরকে ধ্বংস করে খাবার দিয়ে? আমরা করি। হোটেল রেস্তোরার কথা আমরা আলাদাভাবে কেন বলব । এটাতো আর বাইরের কোনো লোক পরিচালনা করে না। যারা রান্না করেন, খাবার পরিবেশন করেন তারা সকলেই আমাদের কারো না কারো ভাই। তাহলে সিস্টেমটা ডেভেলপ হচ্ছে না কেন ? সিস্টেমটা ডেভেলপ করার জন্য আমাদের আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। বাইরের খাবার পরিহার করে পারিবারিকভাবে ছোট ছোট স্কেলে নিজেরা খাবার উৎপাদন করতে পারি।
 
এছাড়াও তিনি বলেন, ইচ্ছেমত ফুডকোর্ড তৈরি করা হচ্ছে যেখানে কোনো নিয়মের বালাই নেই। যুবকেরা ফুডকার্ড ব্যবসায়ে ঝুঁকে পড়েছে,আমরা চাই আপনারা ব্যবসা করেন তবে নিয়ম মেনে,স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে। আপনাদের নৈতিকভাবে মজবুত থাকতে হবে। এক কথায় মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। 
 
স্বাস্থ্যকে আমানত হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান অতিথি খাবার প্রস্তুতকারীদের উদ্দেশে বলেন, আপনার খাবারের মাধ্যমে আপনি একজন আমানতকারী। এ খাবারের মাধ্যমে যদি আমার শারিরীক কোনো ক্ষতি হয় তাহলে আপনি আমানতের খেয়ানতকারী। এ সময় তিনি দেশকে ভালোবাসতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কিছু করে যেতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. ইয়ামিন হোসেন। 
 
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মির্জা ইমাম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোসা. মাহবুবা খাতুন। সেমিনারে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, হোটেল-রেস্তোরা মালিক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করে।

রাজশাহী থেকে বাবুল ঃ

২৪ এপ্রিল, ২০২৫,  7:00 PM

news image

রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণ, খাদ্য সরবরাহ, পরিবেশন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে এগারোটায় সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার ।
 
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আফিয়া আখতার বলেন, খাদ্যে কীভাবে বিষ প্রয়োগ করা হচ্ছে, পোল্ট্রি খামারে কীভাবে ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে, বাচ্চাদের কীভাবে জাঙ্কফুড খাওয়ানো হচ্ছে সেটা আমরা সকলেই জানি। এগুলো আমাদেও জন্য বিপদ ডেকে আনছে। এগুলো প্রতিরোধে আইনের চেয়ে সচেতনতা বেশি জরুরি।
 
তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্যের যে আইন আছে সেটা অনেক কঠোর আইন। এই আইনের মাধ্যমে ২০১৩-১৪ সাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানার টাকা হয়তো আদায় হয়েছে কিন্তু সচেতনতা বাড়েনি। এটা পরিবর্তন করতে হলে একটি সিস্টেমে আসতে হবে, সেই সিস্টেম ডেভেলপ করতে হবে এবং উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন পর্যন্ত প্রতিটা পর্যায়ে গুণগতমান নিশ্চিত করতে হবে। 
 
জেলা প্রশাসক বলেন, পৃথিবীতে কোনো জাতি কী আছে যারা নিজেদেরকে ধ্বংস করে খাবার দিয়ে? আমরা করি। হোটেল রেস্তোরার কথা আমরা আলাদাভাবে কেন বলব । এটাতো আর বাইরের কোনো লোক পরিচালনা করে না। যারা রান্না করেন, খাবার পরিবেশন করেন তারা সকলেই আমাদের কারো না কারো ভাই। তাহলে সিস্টেমটা ডেভেলপ হচ্ছে না কেন ? সিস্টেমটা ডেভেলপ করার জন্য আমাদের আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। বাইরের খাবার পরিহার করে পারিবারিকভাবে ছোট ছোট স্কেলে নিজেরা খাবার উৎপাদন করতে পারি।
 
এছাড়াও তিনি বলেন, ইচ্ছেমত ফুডকোর্ড তৈরি করা হচ্ছে যেখানে কোনো নিয়মের বালাই নেই। যুবকেরা ফুডকার্ড ব্যবসায়ে ঝুঁকে পড়েছে,আমরা চাই আপনারা ব্যবসা করেন তবে নিয়ম মেনে,স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে। আপনাদের নৈতিকভাবে মজবুত থাকতে হবে। এক কথায় মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। 
 
স্বাস্থ্যকে আমানত হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান অতিথি খাবার প্রস্তুতকারীদের উদ্দেশে বলেন, আপনার খাবারের মাধ্যমে আপনি একজন আমানতকারী। এ খাবারের মাধ্যমে যদি আমার শারিরীক কোনো ক্ষতি হয় তাহলে আপনি আমানতের খেয়ানতকারী। এ সময় তিনি দেশকে ভালোবাসতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কিছু করে যেতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. ইয়ামিন হোসেন। 
 
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মির্জা ইমাম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোসা. মাহবুবা খাতুন। সেমিনারে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, হোটেল-রেস্তোরা মালিক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করে।