ঢাকা ১৪ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হবিগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ধ/র্ষ/ণের হুমকির অভিযোগে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, টিন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ সুনামগঞ্জে খুনের জেরে ৩ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট, এক প্রবাসী মায়ের আর্তনাদ !

গাজীপুরে জুতার মালা পড়িয়ে নির্যাতন করা ইমাম হাজতে মৃত্যু

#
news image

গাজীপুরের পূবাইলের হায়দরাবাদ এলাকায় একাধিক শিশু-কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে গাছের সাথে বেঁধে জুতার মালা পরিয়ে মারধর (নির্যাতন) করা ইমাম রহিজ উদ্দিনের কারাগারে মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৭এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
 
ইমাম রহিজ উদ্দিন চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ আখলাদুল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে সাইনবোর্ড ভূষির মিল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন মৃত রহিজ উদ্দিন।
 
এর আগে রবিবার (২৭এপ্রিল) সকালে গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকায় কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে ইমাম রহিজ উদ্দিনকে জনতার হাত থেকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে তুলকালাম সৃষ্টি করলে রবিবার এলাকার লোকজন রহিজ উদ্দিনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এসময় তারা ইমামকে জুতার মালা পড়িয়ে লাঞ্ছিতের পাশাপাশি মারধর করে।
 
ঘটনার পর রবিবার থানায় মামলা রুজু হলে ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। নির্যাতিত এক কিশোরের বাবা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ইমাম রহিজ উদ্দিনকে এলাকাবাসীর কাছ থেকে উদ্ধার করে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের নির্দেশে রাতেই গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠায়। 
 
কারাগারে থাকাকালীন রাত ৩টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোমবার সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ওই হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
 
এদিকে মৃত রহিজ উদ্দিনের স্বজনরা বলেন, সকালে ঈমামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় মসজিদ কমিটির লোকজন পরে কয়েক মাস পূর্বের এক বলাৎকারের অভিযোগ দিয়ে তাকে বেধম মারপিট করেন মসজিদ কমিটি ও সংশ্লীষ্টরা। পরে তাকে গাছের সাথে বেঁধে জুতার মালা পরিয়েও বেধম মারপিট করা হয়। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে রহিজ উদ্দিনকে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে  জেলে পাঠানো হয়। রবিবার দিনগত রাত তিনটার দিকে রহিজ উদ্দিনের মৃত্যুর সংবাদ পায় স্বজনরা।  
 
সত্যতা নিশ্চিত করে জেল সুপার বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের  জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি, আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি রহিজ উদ্দিনের মৃত্যুর কারণ সনাক্তে ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কে নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

গাজীপুর প্রতিনিধি :

২৮ এপ্রিল, ২০২৫,  11:20 PM

news image

গাজীপুরের পূবাইলের হায়দরাবাদ এলাকায় একাধিক শিশু-কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে গাছের সাথে বেঁধে জুতার মালা পরিয়ে মারধর (নির্যাতন) করা ইমাম রহিজ উদ্দিনের কারাগারে মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৭এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
 
ইমাম রহিজ উদ্দিন চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ আখলাদুল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে সাইনবোর্ড ভূষির মিল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন মৃত রহিজ উদ্দিন।
 
এর আগে রবিবার (২৭এপ্রিল) সকালে গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকায় কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে ইমাম রহিজ উদ্দিনকে জনতার হাত থেকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে তুলকালাম সৃষ্টি করলে রবিবার এলাকার লোকজন রহিজ উদ্দিনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এসময় তারা ইমামকে জুতার মালা পড়িয়ে লাঞ্ছিতের পাশাপাশি মারধর করে।
 
ঘটনার পর রবিবার থানায় মামলা রুজু হলে ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। নির্যাতিত এক কিশোরের বাবা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ইমাম রহিজ উদ্দিনকে এলাকাবাসীর কাছ থেকে উদ্ধার করে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের নির্দেশে রাতেই গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠায়। 
 
কারাগারে থাকাকালীন রাত ৩টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোমবার সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ওই হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
 
এদিকে মৃত রহিজ উদ্দিনের স্বজনরা বলেন, সকালে ঈমামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় মসজিদ কমিটির লোকজন পরে কয়েক মাস পূর্বের এক বলাৎকারের অভিযোগ দিয়ে তাকে বেধম মারপিট করেন মসজিদ কমিটি ও সংশ্লীষ্টরা। পরে তাকে গাছের সাথে বেঁধে জুতার মালা পরিয়েও বেধম মারপিট করা হয়। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে রহিজ উদ্দিনকে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে  জেলে পাঠানো হয়। রবিবার দিনগত রাত তিনটার দিকে রহিজ উদ্দিনের মৃত্যুর সংবাদ পায় স্বজনরা।  
 
সত্যতা নিশ্চিত করে জেল সুপার বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের  জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি, আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি রহিজ উদ্দিনের মৃত্যুর কারণ সনাক্তে ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কে নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।