চান্দনা চৌরাস্তায় ১৫ দিনের জলাবদ্ধতা, সীমাহীন দুর্ভোগে স্থানীয় জনজীবন
গাজীপুর প্রতিনিধি :
২৯ এপ্রিল, ২০২৫, 11:41 PM
চান্দনা চৌরাস্তায় ১৫ দিনের জলাবদ্ধতা, সীমাহীন দুর্ভোগে স্থানীয় জনজীবন
গত সোমবার (২১এপ্রিল ২০২৫ ইং তারিখে) মাত্র একদিনের টানা বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা কাটেনি প্রায় ১৫ (পনের) দিনেও। গাজীপুরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান চান্দনা চৌরাস্তা এখন বিষাক্ত পানির নালায় পরিণত হয়েছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সংযোগস্থলে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও কয়েক লাখ মানুষের চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এ জলাবদ্ধতায়।
জলাবদ্ধ পানির সাথে বিভিন্ন দিক থেকে আসা ময়লা-আবর্জনা মিশ্রিত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে চারপাশে। বাসাবাড়ির মল-মূত্র এবং মাছের বাজারের নোংরা পানি ও অন্যা বর্জ্য এসে সড়কের ওপর জমে থাকায় জনভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে। পানির রঙ হয়েছে কালচে।
অনুপম সুপার মার্কেট ও চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় হাঁটুসমান পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। পানির নিচে সড়কে অদৃশ্য গর্তের কারণে ওই স্থানে রোজ ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। অনেকে সড়কের এক পাশ থেকে অপর পাশে রিকশা যোগে মাত্র কয়েক ফুট পার হতেই গুনছেন ১০ টাকা।
স্থানীয় দোকানদাররা বলছেন, জলাবদ্ধতার কারণে ব্যবসায় নেমে এসেছে ধ্বস। ক্রেতারা আসতে বিড়ম্বনার ফলে প্রায় দোকানের বেচাকেনায় দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। সড়কে খানাখন্দ চিহ্নিত করনে দূর্ঘটনা এড়াতে সড়কে ব্যাবসায়ীরা দিয়েছেন লাল পতাকা।
নগরবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিষ্কার করা হয়নি। ফলে ময়লা আবর্জনায় ড্রেন বন্ধ হয়ে এখন সড়কে উঠে এসেছে পানি।
একাধিকবার অভিযোগ করলেও মিলেনি কার্যকর কোনো সমাধান।
সিটি কর্পোরেশনের কোনো কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তাদের কাছ থেকে এসেছে পরিচিত সেই আশ্বাসের বাণী - শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে দুর্গন্ধযুক্ত পানি আর দুর্ঘটনার ভয়ে আতঙ্কিত চালক ও স্থানীয়রা। তাদের দাবি সংশ্লীষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। যার ফলে স্বাভাবিক গতী ফিরে পাবে চান্দনা এলাকার সড়ক ব্যবহারকারি পথচারী ও স্থানীয়রা।
গাজীপুর প্রতিনিধি :
২৯ এপ্রিল, ২০২৫, 11:41 PM
গত সোমবার (২১এপ্রিল ২০২৫ ইং তারিখে) মাত্র একদিনের টানা বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা কাটেনি প্রায় ১৫ (পনের) দিনেও। গাজীপুরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান চান্দনা চৌরাস্তা এখন বিষাক্ত পানির নালায় পরিণত হয়েছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সংযোগস্থলে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও কয়েক লাখ মানুষের চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এ জলাবদ্ধতায়।
জলাবদ্ধ পানির সাথে বিভিন্ন দিক থেকে আসা ময়লা-আবর্জনা মিশ্রিত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে চারপাশে। বাসাবাড়ির মল-মূত্র এবং মাছের বাজারের নোংরা পানি ও অন্যা বর্জ্য এসে সড়কের ওপর জমে থাকায় জনভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে। পানির রঙ হয়েছে কালচে।
অনুপম সুপার মার্কেট ও চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় হাঁটুসমান পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। পানির নিচে সড়কে অদৃশ্য গর্তের কারণে ওই স্থানে রোজ ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। অনেকে সড়কের এক পাশ থেকে অপর পাশে রিকশা যোগে মাত্র কয়েক ফুট পার হতেই গুনছেন ১০ টাকা।
স্থানীয় দোকানদাররা বলছেন, জলাবদ্ধতার কারণে ব্যবসায় নেমে এসেছে ধ্বস। ক্রেতারা আসতে বিড়ম্বনার ফলে প্রায় দোকানের বেচাকেনায় দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। সড়কে খানাখন্দ চিহ্নিত করনে দূর্ঘটনা এড়াতে সড়কে ব্যাবসায়ীরা দিয়েছেন লাল পতাকা।
নগরবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিষ্কার করা হয়নি। ফলে ময়লা আবর্জনায় ড্রেন বন্ধ হয়ে এখন সড়কে উঠে এসেছে পানি।
একাধিকবার অভিযোগ করলেও মিলেনি কার্যকর কোনো সমাধান।
সিটি কর্পোরেশনের কোনো কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তাদের কাছ থেকে এসেছে পরিচিত সেই আশ্বাসের বাণী - শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে দুর্গন্ধযুক্ত পানি আর দুর্ঘটনার ভয়ে আতঙ্কিত চালক ও স্থানীয়রা। তাদের দাবি সংশ্লীষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। যার ফলে স্বাভাবিক গতী ফিরে পাবে চান্দনা এলাকার সড়ক ব্যবহারকারি পথচারী ও স্থানীয়রা।
সম্পর্কিত