গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে দুই কারখানা অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ
গাজীপুর প্রতিনিধি :
৩০ এপ্রিল, ২০২৫, 3:59 PM
গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে দুই কারখানা অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ
গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে দুটি তৈরী পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করতে দেখা গেছে। বুধবার (৩০এপ্রিল) সকালে কারখানা দুটির সামনে গিয়ে বন্ধ ঘোষণার নোটিশ টাঙানো দেখতে পান শ্রমিকরা।
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হওয়া কারাখানা দুটি হলো- এমএম নিটওয়্যার লিমিটেড ও মামুন নিটওয়্যার লিমিটেড। কারখানা দুটিই গাজীপুরের কোনাবাড়ির আমবাগ এলাকায় অবস্থিত।
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩ (১) ধারায় কারখানা দুটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছে বলে এক পত্রের বরাতে জানা গেছে।
গেটে লাগানো বন্ধের ঘোষণায় এমএম নিটওয়্যার লিমিটেডের নোটিশে বলা হয়, ২৯ এপ্রিল সকাল ৮টার দিকে কারখানা চালু হলে গার্মেন্টস ডিভিশনের শ্রমিকরা কারখানায় ঢুকে অবৈধভাবে কাজ বন্ধ করে দেয় ও উচ্ছৃঙ্খলতা করে। কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের কাজ শুরুর জন্য বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া কাজ করা থেকে বিরত থাকে।
তারা (শ্রমিকরা) কারখানার অভ্যন্তরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ও একপর্যায়ে অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করে কারখানা থেকে তারা বেরিয়ে যায়। এর ফলে কারখানা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। শ্রমিকদের এমন আচরণ বেআইনি ধর্মঘটের সামিল বলেও পত্রে উল্লেখ করা হয়।
এমতাবস্থায় কারখানা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে বুধবার সকাল ৮টা থেকে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ (সংশোধনী- ২০১৩ ও ২০১৮) এর ১৩(১) ধারা মোতাবেক অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানার গার্মেন্টস, স্ক্রীন প্রিন্টিং ও এমব্রয়ডারি ডিভিশনের সকল সেকশন (শাখা) বন্ধ ঘোষণা করল। পরবর্তীতে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে কারখানা খোলার তারিখ নোটিশে জানানো হবে বলেও প্রশাসন ও মানব সম্পদ বিভাগের সহঃ ব্যবস্থাপক সাক্ষরিত ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়।
অপর আরো এক পত্রে প্রায় একই ধরণের কথা উল্লেখ করেছে মামুন নিটওয়্যার লিমিটেড কর্তৃপক্ষ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এমএম নিটওয়্যারের এক শ্রমিক বলেন, ‘পাওনা পরিশোধ করে কারখানার কিছু শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়। কিন্তু মালিকপক্ষের লোকজন ছাঁটাইকৃত কয়েকজন শ্রমিককে মারধর করেন। এর জেরে আমরা কাজ বন্ধ করি। মঙ্গলবার রাত ১০টায় শুনি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।’
কারখানাটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন বলেন, ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের মারধরের অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। গুজব ছড়িয়ে শ্রমিকদের উসকে দেওয়া হয়।’
কোনাবাড়ী মেট্রো থানার ওসি মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘বিশৃঙ্খলা এড়াতে সেনাবাহিনী, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও থানা পুলিশ সদস্যরা দুই কারখানার সামনে অবস্থান করছেন।
গাজীপুর প্রতিনিধি :
৩০ এপ্রিল, ২০২৫, 3:59 PM
গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে দুটি তৈরী পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করতে দেখা গেছে। বুধবার (৩০এপ্রিল) সকালে কারখানা দুটির সামনে গিয়ে বন্ধ ঘোষণার নোটিশ টাঙানো দেখতে পান শ্রমিকরা।
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হওয়া কারাখানা দুটি হলো- এমএম নিটওয়্যার লিমিটেড ও মামুন নিটওয়্যার লিমিটেড। কারখানা দুটিই গাজীপুরের কোনাবাড়ির আমবাগ এলাকায় অবস্থিত।
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩ (১) ধারায় কারখানা দুটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছে বলে এক পত্রের বরাতে জানা গেছে।
গেটে লাগানো বন্ধের ঘোষণায় এমএম নিটওয়্যার লিমিটেডের নোটিশে বলা হয়, ২৯ এপ্রিল সকাল ৮টার দিকে কারখানা চালু হলে গার্মেন্টস ডিভিশনের শ্রমিকরা কারখানায় ঢুকে অবৈধভাবে কাজ বন্ধ করে দেয় ও উচ্ছৃঙ্খলতা করে। কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের কাজ শুরুর জন্য বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া কাজ করা থেকে বিরত থাকে।
তারা (শ্রমিকরা) কারখানার অভ্যন্তরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ও একপর্যায়ে অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করে কারখানা থেকে তারা বেরিয়ে যায়। এর ফলে কারখানা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। শ্রমিকদের এমন আচরণ বেআইনি ধর্মঘটের সামিল বলেও পত্রে উল্লেখ করা হয়।
এমতাবস্থায় কারখানা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে বুধবার সকাল ৮টা থেকে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ (সংশোধনী- ২০১৩ ও ২০১৮) এর ১৩(১) ধারা মোতাবেক অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানার গার্মেন্টস, স্ক্রীন প্রিন্টিং ও এমব্রয়ডারি ডিভিশনের সকল সেকশন (শাখা) বন্ধ ঘোষণা করল। পরবর্তীতে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে কারখানা খোলার তারিখ নোটিশে জানানো হবে বলেও প্রশাসন ও মানব সম্পদ বিভাগের সহঃ ব্যবস্থাপক সাক্ষরিত ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়।
অপর আরো এক পত্রে প্রায় একই ধরণের কথা উল্লেখ করেছে মামুন নিটওয়্যার লিমিটেড কর্তৃপক্ষ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এমএম নিটওয়্যারের এক শ্রমিক বলেন, ‘পাওনা পরিশোধ করে কারখানার কিছু শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়। কিন্তু মালিকপক্ষের লোকজন ছাঁটাইকৃত কয়েকজন শ্রমিককে মারধর করেন। এর জেরে আমরা কাজ বন্ধ করি। মঙ্গলবার রাত ১০টায় শুনি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।’
কারখানাটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন বলেন, ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের মারধরের অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। গুজব ছড়িয়ে শ্রমিকদের উসকে দেওয়া হয়।’
কোনাবাড়ী মেট্রো থানার ওসি মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘বিশৃঙ্খলা এড়াতে সেনাবাহিনী, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও থানা পুলিশ সদস্যরা দুই কারখানার সামনে অবস্থান করছেন।