ঢাকা ১৪ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হবিগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ধ/র্ষ/ণের হুমকির অভিযোগে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, টিন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ সুনামগঞ্জে খুনের জেরে ৩ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট, এক প্রবাসী মায়ের আর্তনাদ !

'২০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজির মামলা শেখ হেলাল-তন্ময়ের বিরুদ্ধে' গ্রে'ফ'তা'র-০১

#
news image

বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন ও তার ছেলে শেখ সারহান নাসের তন্ময়সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুইশ কোটি টাকার চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। 

গত সোমবার স্থানীয় নিউ বসুন্ধরা রিয়েল স্টেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান তালুকদার বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলাটি করেছেন বলে জানিয়েছেন থানার ওসি মো. মাহামুদ-উল-হাসান।

বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন ও তার ছেলে বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময় ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, শেখ হেলালের ব্যক্তিগত সহকারী মো. ফিরোজুল ইসলাম, তন্ময়ের ব্যক্তিগত সহকারী শাহীন ও শেখ শহীদুল ইসলাম।

 মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ওসি মাহামুদ-উল-হাসান বলেন, ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর রাতে শেখ হেলাল উদ্দীন, শেখ সারহান নাসের তন্ময়সহ পাঁচজন আব্দুল মান্নান তালুকদারের শহরের সরুই কার্যালয়ে গিয়ে দুইশত কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া, মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ মেরে ফেলার হুমকি দেয় আসামিরা।

তখন আব্দুল মান্নান তালুকদার নিজের ব্যবসা রক্ষার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রাহকের রক্ষিত টাকা থেকে সাত কোটি ত্রিশ লাখ আসামিদের হাতে তুলে দেন। তারা বাকি টাকা দ্রুত দিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তখনকার মত চলে যান।

এরপর ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি আসামিরা আবার তার অফিসে এসে বাকি টাকা পরিশোধের জন্য হুমকি দিলে তিনি তাদের আরও ১২ কোটি ৭০ লাখ টাকা চাঁদা দেন।

অর্থাৎ দুদফায় আসামিরা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আব্দুল মান্নান তালুকদারের কাছ থেকে মোট বিশ কোটি টাকা চাঁদা নিয়েছে বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

এর মধ্যে এজাহারনামীয় ৩ নাম্বার আসামি মো. শহীদুল ইসলামকে (৩৭) গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলেও জানান ওসি।

উল্লেখ্য ঘটনার সাত বছর পর বাগেরহাট সদর মডেল থানায় করা এ মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

০৬ মে, ২০২৫,  11:36 PM

news image

বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন ও তার ছেলে শেখ সারহান নাসের তন্ময়সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুইশ কোটি টাকার চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। 

গত সোমবার স্থানীয় নিউ বসুন্ধরা রিয়েল স্টেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান তালুকদার বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলাটি করেছেন বলে জানিয়েছেন থানার ওসি মো. মাহামুদ-উল-হাসান।

বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন ও তার ছেলে বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময় ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, শেখ হেলালের ব্যক্তিগত সহকারী মো. ফিরোজুল ইসলাম, তন্ময়ের ব্যক্তিগত সহকারী শাহীন ও শেখ শহীদুল ইসলাম।

 মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ওসি মাহামুদ-উল-হাসান বলেন, ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর রাতে শেখ হেলাল উদ্দীন, শেখ সারহান নাসের তন্ময়সহ পাঁচজন আব্দুল মান্নান তালুকদারের শহরের সরুই কার্যালয়ে গিয়ে দুইশত কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া, মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ মেরে ফেলার হুমকি দেয় আসামিরা।

তখন আব্দুল মান্নান তালুকদার নিজের ব্যবসা রক্ষার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রাহকের রক্ষিত টাকা থেকে সাত কোটি ত্রিশ লাখ আসামিদের হাতে তুলে দেন। তারা বাকি টাকা দ্রুত দিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তখনকার মত চলে যান।

এরপর ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি আসামিরা আবার তার অফিসে এসে বাকি টাকা পরিশোধের জন্য হুমকি দিলে তিনি তাদের আরও ১২ কোটি ৭০ লাখ টাকা চাঁদা দেন।

অর্থাৎ দুদফায় আসামিরা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আব্দুল মান্নান তালুকদারের কাছ থেকে মোট বিশ কোটি টাকা চাঁদা নিয়েছে বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

এর মধ্যে এজাহারনামীয় ৩ নাম্বার আসামি মো. শহীদুল ইসলামকে (৩৭) গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলেও জানান ওসি।

উল্লেখ্য ঘটনার সাত বছর পর বাগেরহাট সদর মডেল থানায় করা এ মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।