সরিষাবাড়ীতে চিরকুট লিখে এসএসসি পরীক্ষাথী’র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি :
১৬ মে, ২০২৫, 11:18 PM
সরিষাবাড়ীতে চিরকুট লিখে এসএসসি পরীক্ষাথী’র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পিতা-মাতা’র উপর অভিমানে চিরকুট লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে আপন (১৫) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী আত্নহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাতে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের বয়ড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সে বয়ড়া ইসরাইল আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী সে। নিহত আপন মিয়া বয়ড়া গ্রামের শিপন মিয়া’র ছেলে বলে জানা গেছে। চিরকুট কাছেই রেখেছিল ওই শিক্ষার্থী।
ওই শিক্ষার্থী দুই পৃষ্ঠার একটি চিরকুট লিখে গলায় ফাস দিয়ে আত্নহত্যার করেছে।যাহা হুবুহু তুলে ধরা হলো: আমি আপনাদের অনেক কষ্ট দিয়েছি, আমি আপনাদের অনেক ক্ষতি করেছি, আপনাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছি। আমি ছোট থেকেই অনেক খারাপ, নিজেকে কখনও ভালো করতে পারি নাই। বাবার কথা রাখতে পারি নাই, বাবার মনে অনেক কষ্ট দিয়েছি।
বাবা আপনার পা দুটি ধরে মাফ চাইতে পারলাম না। আপনি আমাকে মাফ করে দিয়েন। আর মা তুমি আমার জন্য অনেক কষ্ট করছো, আমাকে অনেক বুঝাতে কিন্তু ভালো হতে পারলাম না। আর দাদার কথা কি বলব, সে তো আমার জন্য নিজের সম্মানটুকুও হারিয়েছে। আমার জন্য অনেক কিছু করেছে। কিন্তু আমি কেন ভালো হতে পারলাম না। আচ্ছা আমি সবার মনে কষ্ট দিয়েছি আপনারা আমাকে মাফ করে দিয়েন। বন্ধু তোদের সঙ্গে কত আড্ডা দিতাম, কত মজা করতাম, তোরা আমার কথায় কিছু মনে করিস না। আমার কবরে মাটি দিতে আসিস। আমার কাছে কেউ টাকা পেয়ে থাকলে আমাকে মাফ করে দিয়েন। আমি ভালো হতে পারলাম না। তাই নিজেই দুনিয়া থেকে চলে গেলাম। আপনারা ভালো থাকেন। আপনাদের খারাপ সন্তান আর নেই। বন্ধু তোরা কিন্তু আসিস আমার জানাজায়। ইতি- আপনাদের খারাপ ছেলে আপন।
এ ব্যাপারে নিহতের দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক বলেন, আমার ছেলে ইটভাটায় কাজ করে। আপন রাতে খেয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘুমাতে যায়। আপন কে ডাকাডাকি করতে থাকে তার মা। আপন এর কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে গলায় ফাস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ রাশেদ হাসান বলেন, আত্মহত্যার ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি :
১৬ মে, ২০২৫, 11:18 PM
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পিতা-মাতা’র উপর অভিমানে চিরকুট লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে আপন (১৫) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী আত্নহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাতে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের বয়ড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সে বয়ড়া ইসরাইল আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী সে। নিহত আপন মিয়া বয়ড়া গ্রামের শিপন মিয়া’র ছেলে বলে জানা গেছে। চিরকুট কাছেই রেখেছিল ওই শিক্ষার্থী।
ওই শিক্ষার্থী দুই পৃষ্ঠার একটি চিরকুট লিখে গলায় ফাস দিয়ে আত্নহত্যার করেছে।যাহা হুবুহু তুলে ধরা হলো: আমি আপনাদের অনেক কষ্ট দিয়েছি, আমি আপনাদের অনেক ক্ষতি করেছি, আপনাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছি। আমি ছোট থেকেই অনেক খারাপ, নিজেকে কখনও ভালো করতে পারি নাই। বাবার কথা রাখতে পারি নাই, বাবার মনে অনেক কষ্ট দিয়েছি।
বাবা আপনার পা দুটি ধরে মাফ চাইতে পারলাম না। আপনি আমাকে মাফ করে দিয়েন। আর মা তুমি আমার জন্য অনেক কষ্ট করছো, আমাকে অনেক বুঝাতে কিন্তু ভালো হতে পারলাম না। আর দাদার কথা কি বলব, সে তো আমার জন্য নিজের সম্মানটুকুও হারিয়েছে। আমার জন্য অনেক কিছু করেছে। কিন্তু আমি কেন ভালো হতে পারলাম না। আচ্ছা আমি সবার মনে কষ্ট দিয়েছি আপনারা আমাকে মাফ করে দিয়েন। বন্ধু তোদের সঙ্গে কত আড্ডা দিতাম, কত মজা করতাম, তোরা আমার কথায় কিছু মনে করিস না। আমার কবরে মাটি দিতে আসিস। আমার কাছে কেউ টাকা পেয়ে থাকলে আমাকে মাফ করে দিয়েন। আমি ভালো হতে পারলাম না। তাই নিজেই দুনিয়া থেকে চলে গেলাম। আপনারা ভালো থাকেন। আপনাদের খারাপ সন্তান আর নেই। বন্ধু তোরা কিন্তু আসিস আমার জানাজায়। ইতি- আপনাদের খারাপ ছেলে আপন।
এ ব্যাপারে নিহতের দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক বলেন, আমার ছেলে ইটভাটায় কাজ করে। আপন রাতে খেয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘুমাতে যায়। আপন কে ডাকাডাকি করতে থাকে তার মা। আপন এর কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে গলায় ফাস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ রাশেদ হাসান বলেন, আত্মহত্যার ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।