ঢাকা ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে সংগীতা আইডিয়াল হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন  গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী সুযোগ নিতে পারে জামায়াত

কুষ্টিয়ার চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ-পল্লী চিকিৎসক কারাগারে

#
news image

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দয়রামপুর গ্রামের মৃত বাদশা শাহের ছেলে বারিক শাহ (৫৫)।

জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দয়ারামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পল্লী চিকিৎসক বারিক শাহ তার স্ত্রীর অসুস্থতার বাহানায় প্রতিবেশীর সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে কলার সঙ্গে চেতনা নাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করে।  

মেয়েটির জ্ঞান ফেরার পর বাড়িতে পৌঁছে আবার অজ্ঞান হয়ে গেলে বাড়ির লোকজন তাকে কুমার খালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী তার অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে তারা কুমারখালী থানায় জানান এবং থানা পুলিশ নমুনা সংগ্রহের জন্য ওই শিক্ষার্থীকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঘটনার সত্যতা মিললে রাতেই পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা হয়।   কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান শেখ জানান, পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে কুমারখালী থানায়।

মো: কামরুজ্জামান (রিপন), কুষ্টিয়া:

১৮ মে, ২০২৫,  1:29 AM

news image

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দয়রামপুর গ্রামের মৃত বাদশা শাহের ছেলে বারিক শাহ (৫৫)।

জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দয়ারামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পল্লী চিকিৎসক বারিক শাহ তার স্ত্রীর অসুস্থতার বাহানায় প্রতিবেশীর সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে কলার সঙ্গে চেতনা নাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করে।  

মেয়েটির জ্ঞান ফেরার পর বাড়িতে পৌঁছে আবার অজ্ঞান হয়ে গেলে বাড়ির লোকজন তাকে কুমার খালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী তার অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে তারা কুমারখালী থানায় জানান এবং থানা পুলিশ নমুনা সংগ্রহের জন্য ওই শিক্ষার্থীকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঘটনার সত্যতা মিললে রাতেই পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা হয়।   কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান শেখ জানান, পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে কুমারখালী থানায়।