ঢাকা ১৪ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলে দুই নামজারি সহকারী আসাদুল ও অজিত চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ ভিনিসিয়ুসের গোলে মরক্কোর সাথে ড্র করল ব্রাজিল গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়াই: তথ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি হতে পারে, প্রত্যাশা মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত

বাগেরহাটে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেটের গ্রাহকদের টাকা ফেরত ওমামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

#
news image

বাগেরহাটে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধের সুযোগ প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক, । রোববার (১৮ মে) বেলা ১১টায় খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহস্রাধিক গ্রাহক, কর্মচারী, কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীরা অংশগ্রহন করেন।

পরে দুপুর ১২টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে একই দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কোম্পানিটির মাঠ কর্মকর্তা মাওলানা বেলায়েত হোসেন বলেন, নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লি. দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে আবাসন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। কিন্তু বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন এবং তার ছেলে বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়ের দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় তারা কোম্পানিকে ধ্বংস করে দেওয়া ও মালিককে বিপদের ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। বিভিন্ন সময় নানা হুমকি-ধামকী দিয়ে নগদ ২০ কোটি টাকাও হাতিয়ে নেয় তারা। পরে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান তালুকদার ও চেয়ারম্যান মাওলানা আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান তালুকদার ৭ বছরের মত কারাগারে ছিলেন। চেয়ারম্যান মাওলানা আনিসুর রহমানও দীর্ঘদিন কারাভোগের পরে নানা রোগ ও অর্থকষ্টে ভুগে মারাযায়। এসব কারণে কোম্পানির সকল কাযক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।২২ হাজারের বেশি গ্রাহক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন, ইচ্ছা থাকা স্বত্ত্বেও তাদের পাওনা পরিশোধ করতে পারছেন না কোম্পানির মালিক। কারণ কোম্পানির সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোম্পানির শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকরা পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

কোম্পানির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা এবং জব্দ আদেশ প্রত্যাহার করা হলে, গ্রাহকদের টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হবে। গ্রাহক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বার্থে মামলা ও জব্দ আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান সংবাদ সম্মেলনকারীরা।

এছাড়া সংবাদ সম্মেলন থেকে সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল, শেখ তন্ময় ও তাদের দোসরদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে, কোম্পানির পরিচালক (উন্নয়ন) মাও. রুহুল আমিন, গ্রাহক মুফতি ওয়াক্কাস আলী, মাঠ কর্মকর্তা মোঃ হায়দার আলী, আবু সাইদসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে গেল ৫ মে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান তালুকদার বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন, তাঁর ছেলে বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজির মামলা করেন। ওই মামলায় শেখ শহীদুল ইসলাম নামের এক আসামীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

১৮ মে, ২০২৫,  4:48 PM

news image

বাগেরহাটে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধের সুযোগ প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক, । রোববার (১৮ মে) বেলা ১১টায় খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহস্রাধিক গ্রাহক, কর্মচারী, কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীরা অংশগ্রহন করেন।

পরে দুপুর ১২টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে একই দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কোম্পানিটির মাঠ কর্মকর্তা মাওলানা বেলায়েত হোসেন বলেন, নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লি. দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে আবাসন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। কিন্তু বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন এবং তার ছেলে বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়ের দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় তারা কোম্পানিকে ধ্বংস করে দেওয়া ও মালিককে বিপদের ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। বিভিন্ন সময় নানা হুমকি-ধামকী দিয়ে নগদ ২০ কোটি টাকাও হাতিয়ে নেয় তারা। পরে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান তালুকদার ও চেয়ারম্যান মাওলানা আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান তালুকদার ৭ বছরের মত কারাগারে ছিলেন। চেয়ারম্যান মাওলানা আনিসুর রহমানও দীর্ঘদিন কারাভোগের পরে নানা রোগ ও অর্থকষ্টে ভুগে মারাযায়। এসব কারণে কোম্পানির সকল কাযক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।২২ হাজারের বেশি গ্রাহক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন, ইচ্ছা থাকা স্বত্ত্বেও তাদের পাওনা পরিশোধ করতে পারছেন না কোম্পানির মালিক। কারণ কোম্পানির সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোম্পানির শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকরা পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

কোম্পানির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা এবং জব্দ আদেশ প্রত্যাহার করা হলে, গ্রাহকদের টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হবে। গ্রাহক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বার্থে মামলা ও জব্দ আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান সংবাদ সম্মেলনকারীরা।

এছাড়া সংবাদ সম্মেলন থেকে সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল, শেখ তন্ময় ও তাদের দোসরদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে, কোম্পানির পরিচালক (উন্নয়ন) মাও. রুহুল আমিন, গ্রাহক মুফতি ওয়াক্কাস আলী, মাঠ কর্মকর্তা মোঃ হায়দার আলী, আবু সাইদসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে গেল ৫ মে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান তালুকদার বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন, তাঁর ছেলে বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজির মামলা করেন। ওই মামলায় শেখ শহীদুল ইসলাম নামের এক আসামীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।