এক কলা গাছে ৫০ মোচা
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
২৩ মে, ২০২৫, 10:58 PM
এক কলা গাছে ৫০ মোচা
নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলার উজানগাঁও গ্রামে কলা বাগানের একটি কলা গাছে ৫০ টি থোর (মোচা) বের হয়েছে। আবার প্রতিটি থোর থেকে কলাও বের হচ্ছে। এই রকম অলৌকিক দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন শিশু থেকে বৃদ্ধ সকল বয়সের মানুষজনই ভিড় জমাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে বিষয়টি।ফলে দূর-দূরান্ত থেকেও গাছটিকে একনজর দেখতে আসছেন অনেকেই।
এদিকে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের কেউ কেউ আবার বিশেষ ফায়দা লাভের উদ্যোগ নিয়েছেন। মানুষের ভিড় ঠেকাতে কলা গাছের পাশে দেয়া হয়েছে জাল দিয়ে বেড়া। ভীতি সৃষ্টির জন্য গাছটির আশপাশে মাজারের মত টাঙ্গানো হয়েছে অনেকগুলো লাল নিশান।
অবিশ্বাস্য এই অলৌকিক ঘটনাটি ঘটেছে বারহাট্টা উপজেলা উজানগাঁও গ্রামের কাশেম মিয়ার কলা বাগানের। বাগানটির পাশেই একটি কবরস্থান থাকায় কেউ কেউ এটিকে ভিন্নভাবে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছ, এই গাছে প্রায় ৫০ টি থোর (মোচা) হয়েছে। প্রতিটি থোর (মোচা) থেকেই গজাচ্ছে ছোট ছোট :কলা'। যদিও এই কলা বড় হয়ে পেকে খাওয়ার উপযোগী হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবুও বিভিন্ন বয়সের মানুষজন বিস্মিত হয়ে গাছটির দিকে তাকিয়ে আছেন। আগত লোকজনের মাঝে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন। সাধারণত একটি কলা গাছে একটি থোরই (মোচা) দেখা যায়। সেই 'থোর' থেকে বেড় হয় কলা।
দর্শনার্থীরা বলছেন, তারা এমন ঘটনা কোনদিন দেখেনি। বাপ-দাদার মুখেও শুনেননি। এটি নিছক আল্লাহ তায়ালার কুদরত বলে মনে করছেন তারা। দর্শনার্থীদের মধ্যে ৮০ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধ বলছেন, ৮০ বছর বয়সে, এই রকম দৃশ্য কোনদিন আমি আর দেখি নাই। আমি ছোট বেলায় একটি কলা গাছে পাঁচ-সাতটি থোর হতে দেখেছি কিন্তু এক সাথে ৫০ টি থোর এটি একটি বিরল ঘটনা। আবার প্রতিটি থোর থেকে কলাও বের হচ্ছে।
বাগানের মালিক কাশেম মিয়া বলেন, আমি গাছ লাগিয়েছি কলার জন্য। এইরকম হবে তা কখনোই ভাবি নাই। এটা আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে। প্রতিদিনই শত শত লোক গাছটি দেখতে আসে। লোকের আনাগোনায় আশপাশের ফসল নষ্ট হচ্ছে। তাই ক্ষতির মুখে পরছি। তাই গাছের কিনারা দিয়ে জালের বেড়া দিয়েছি। লাল নিশান অন্যরা টানাইছে।
এ বিষয়ে বিজ্ঞানে বিভিন্ন রকম ব্যখ্যা থাকলেও উজানগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আ. ছালাম এই বিষটিকে আল্লাহ তায়ালার কুদরত বলেই মনে করছেন। তিনি বলেন, আমার স্কুলের পশ্চিম পাশে একটি কলা গাছে অনেকগুলো থোর বের হয়েছে আবার তা থেকে কলাও হচ্ছে। আমি এটিকে আল্লাহ তায়ালার কুদরত বলেই মনে করি।
বারহাট্টা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, এটি একটি ব্যতিক্রম বিষয়। প্রকৃতিতে এমন ঘটনা মাঝে মধ্যে ঘটে। এ বিষয় নিয়ে এতো উৎসাহী হওয়ার কিছু নেই।
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
২৩ মে, ২০২৫, 10:58 PM
নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলার উজানগাঁও গ্রামে কলা বাগানের একটি কলা গাছে ৫০ টি থোর (মোচা) বের হয়েছে। আবার প্রতিটি থোর থেকে কলাও বের হচ্ছে। এই রকম অলৌকিক দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন শিশু থেকে বৃদ্ধ সকল বয়সের মানুষজনই ভিড় জমাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে বিষয়টি।ফলে দূর-দূরান্ত থেকেও গাছটিকে একনজর দেখতে আসছেন অনেকেই।
এদিকে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের কেউ কেউ আবার বিশেষ ফায়দা লাভের উদ্যোগ নিয়েছেন। মানুষের ভিড় ঠেকাতে কলা গাছের পাশে দেয়া হয়েছে জাল দিয়ে বেড়া। ভীতি সৃষ্টির জন্য গাছটির আশপাশে মাজারের মত টাঙ্গানো হয়েছে অনেকগুলো লাল নিশান।
অবিশ্বাস্য এই অলৌকিক ঘটনাটি ঘটেছে বারহাট্টা উপজেলা উজানগাঁও গ্রামের কাশেম মিয়ার কলা বাগানের। বাগানটির পাশেই একটি কবরস্থান থাকায় কেউ কেউ এটিকে ভিন্নভাবে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছ, এই গাছে প্রায় ৫০ টি থোর (মোচা) হয়েছে। প্রতিটি থোর (মোচা) থেকেই গজাচ্ছে ছোট ছোট :কলা'। যদিও এই কলা বড় হয়ে পেকে খাওয়ার উপযোগী হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবুও বিভিন্ন বয়সের মানুষজন বিস্মিত হয়ে গাছটির দিকে তাকিয়ে আছেন। আগত লোকজনের মাঝে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন। সাধারণত একটি কলা গাছে একটি থোরই (মোচা) দেখা যায়। সেই 'থোর' থেকে বেড় হয় কলা।
দর্শনার্থীরা বলছেন, তারা এমন ঘটনা কোনদিন দেখেনি। বাপ-দাদার মুখেও শুনেননি। এটি নিছক আল্লাহ তায়ালার কুদরত বলে মনে করছেন তারা। দর্শনার্থীদের মধ্যে ৮০ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধ বলছেন, ৮০ বছর বয়সে, এই রকম দৃশ্য কোনদিন আমি আর দেখি নাই। আমি ছোট বেলায় একটি কলা গাছে পাঁচ-সাতটি থোর হতে দেখেছি কিন্তু এক সাথে ৫০ টি থোর এটি একটি বিরল ঘটনা। আবার প্রতিটি থোর থেকে কলাও বের হচ্ছে।
বাগানের মালিক কাশেম মিয়া বলেন, আমি গাছ লাগিয়েছি কলার জন্য। এইরকম হবে তা কখনোই ভাবি নাই। এটা আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে। প্রতিদিনই শত শত লোক গাছটি দেখতে আসে। লোকের আনাগোনায় আশপাশের ফসল নষ্ট হচ্ছে। তাই ক্ষতির মুখে পরছি। তাই গাছের কিনারা দিয়ে জালের বেড়া দিয়েছি। লাল নিশান অন্যরা টানাইছে।
এ বিষয়ে বিজ্ঞানে বিভিন্ন রকম ব্যখ্যা থাকলেও উজানগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আ. ছালাম এই বিষটিকে আল্লাহ তায়ালার কুদরত বলেই মনে করছেন। তিনি বলেন, আমার স্কুলের পশ্চিম পাশে একটি কলা গাছে অনেকগুলো থোর বের হয়েছে আবার তা থেকে কলাও হচ্ছে। আমি এটিকে আল্লাহ তায়ালার কুদরত বলেই মনে করি।
বারহাট্টা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, এটি একটি ব্যতিক্রম বিষয়। প্রকৃতিতে এমন ঘটনা মাঝে মধ্যে ঘটে। এ বিষয় নিয়ে এতো উৎসাহী হওয়ার কিছু নেই।