ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে সংগীতা আইডিয়াল হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন  গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী সুযোগ নিতে পারে জামায়াত

ফটিকছড়ির দাঁতমারায় শত বছরের ছড়ায় কৃত্রিম বাঁধ, হুমকির মুখে ফসলি জমি

#
news image

ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকায় শত বছরের পুরোনো পানি চলাচলের ছড়ার মুখে কৃত্রিম বাঁধের কারণে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কৃষকরা হুমকির মুখে পড়েছে।

বর্তমানে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ না থাকায় জমিগুলো জলাবদ্ধ হয়ে ফসল নষ্ট হচ্ছে আর ক্ষতির পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার সংলগ্ন শত বছরের পুরোনো ঝবঝবি ছড়া কয়েক বছর আগে শাহিন নামের এক ব্যক্তি বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে তারাখোঁসহ আশেপাশের গ্রামের জমি প্লাবিত হয়ে গেছে।

কাছিমারখীল এবং তারাখোঁ এলাকার বাসিন্দারা জানান, সরকারি জমি থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হোক। ছড়াগুলোর পানি প্রবাহে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক। ছড়া বন্ধ থাকার কারণে শুধু কৃষি নয়, ঘরবাড়ি ধসে যাওয়ার মতো ভয়াবহ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন এসিল্যান্ড এই শাহিনের পক্ষে একটি পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত দিয়ে ছড়ার প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করেছিলেন। শাহিনের ক্ষমতার জোরে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির দখল এবং ছড়া বন্ধ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহকে বিপর্যস্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, আমি ১২০ শতক জমিতে সবজি চাষ করেছিলাম। কিন্তু পানি চলাচলে ছড়া বন্ধ হয়ে জমিতে পানি জমে হওয়ায় গত তিন বছরে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। এ বছরও প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আমাদের মতো কৃষকদের বাঁচার আর কোন উপায় থাকবে না।

দাঁতমারা ইউনিয়নের কৃষি অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন জানান, জমি গুলো পরিদর্শন করেছি। ছড়া বন্ধ থাকায় জমিতে পানি জমে ফসল নষ্ট হচ্ছে। কৃষি কাজ এমনিতেই কঠিন; সামান্য জলাবদ্ধতাও ফসল ধ্বংস করে দিতে পারে। আমি সিনিয়র কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে অবহিত করব। ছড়াগুলো পুনঃসংস্কার করা হলে কৃষকের ক্ষতি অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।

ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সালেক জানান, পানি প্রবাহ সহজ ও নির্বিঘ্নে করার জন্য ছড়ার মুখ খোলা থাকা দরকার। জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য ছড়া সংস্কার করনের মাধ্যমে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফটিকছড়িঃ

২৮ মে, ২০২৫,  6:25 AM

news image

ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকায় শত বছরের পুরোনো পানি চলাচলের ছড়ার মুখে কৃত্রিম বাঁধের কারণে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কৃষকরা হুমকির মুখে পড়েছে।

বর্তমানে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ না থাকায় জমিগুলো জলাবদ্ধ হয়ে ফসল নষ্ট হচ্ছে আর ক্ষতির পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার সংলগ্ন শত বছরের পুরোনো ঝবঝবি ছড়া কয়েক বছর আগে শাহিন নামের এক ব্যক্তি বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে তারাখোঁসহ আশেপাশের গ্রামের জমি প্লাবিত হয়ে গেছে।

কাছিমারখীল এবং তারাখোঁ এলাকার বাসিন্দারা জানান, সরকারি জমি থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হোক। ছড়াগুলোর পানি প্রবাহে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক। ছড়া বন্ধ থাকার কারণে শুধু কৃষি নয়, ঘরবাড়ি ধসে যাওয়ার মতো ভয়াবহ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন এসিল্যান্ড এই শাহিনের পক্ষে একটি পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত দিয়ে ছড়ার প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করেছিলেন। শাহিনের ক্ষমতার জোরে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির দখল এবং ছড়া বন্ধ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহকে বিপর্যস্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, আমি ১২০ শতক জমিতে সবজি চাষ করেছিলাম। কিন্তু পানি চলাচলে ছড়া বন্ধ হয়ে জমিতে পানি জমে হওয়ায় গত তিন বছরে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। এ বছরও প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আমাদের মতো কৃষকদের বাঁচার আর কোন উপায় থাকবে না।

দাঁতমারা ইউনিয়নের কৃষি অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন জানান, জমি গুলো পরিদর্শন করেছি। ছড়া বন্ধ থাকায় জমিতে পানি জমে ফসল নষ্ট হচ্ছে। কৃষি কাজ এমনিতেই কঠিন; সামান্য জলাবদ্ধতাও ফসল ধ্বংস করে দিতে পারে। আমি সিনিয়র কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে অবহিত করব। ছড়াগুলো পুনঃসংস্কার করা হলে কৃষকের ক্ষতি অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।

ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সালেক জানান, পানি প্রবাহ সহজ ও নির্বিঘ্নে করার জন্য ছড়ার মুখ খোলা থাকা দরকার। জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য ছড়া সংস্কার করনের মাধ্যমে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।