ফটিকছড়ির দাঁতমারায় শত বছরের ছড়ায় কৃত্রিম বাঁধ, হুমকির মুখে ফসলি জমি
কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফটিকছড়িঃ
২৮ মে, ২০২৫, 6:25 AM
ফটিকছড়ির দাঁতমারায় শত বছরের ছড়ায় কৃত্রিম বাঁধ, হুমকির মুখে ফসলি জমি
ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকায় শত বছরের পুরোনো পানি চলাচলের ছড়ার মুখে কৃত্রিম বাঁধের কারণে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কৃষকরা হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্তমানে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ না থাকায় জমিগুলো জলাবদ্ধ হয়ে ফসল নষ্ট হচ্ছে আর ক্ষতির পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার সংলগ্ন শত বছরের পুরোনো ঝবঝবি ছড়া কয়েক বছর আগে শাহিন নামের এক ব্যক্তি বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে তারাখোঁসহ আশেপাশের গ্রামের জমি প্লাবিত হয়ে গেছে।
কাছিমারখীল এবং তারাখোঁ এলাকার বাসিন্দারা জানান, সরকারি জমি থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হোক। ছড়াগুলোর পানি প্রবাহে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক। ছড়া বন্ধ থাকার কারণে শুধু কৃষি নয়, ঘরবাড়ি ধসে যাওয়ার মতো ভয়াবহ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন এসিল্যান্ড এই শাহিনের পক্ষে একটি পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত দিয়ে ছড়ার প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করেছিলেন। শাহিনের ক্ষমতার জোরে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির দখল এবং ছড়া বন্ধ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহকে বিপর্যস্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, আমি ১২০ শতক জমিতে সবজি চাষ করেছিলাম। কিন্তু পানি চলাচলে ছড়া বন্ধ হয়ে জমিতে পানি জমে হওয়ায় গত তিন বছরে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। এ বছরও প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আমাদের মতো কৃষকদের বাঁচার আর কোন উপায় থাকবে না।
দাঁতমারা ইউনিয়নের কৃষি অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন জানান, জমি গুলো পরিদর্শন করেছি। ছড়া বন্ধ থাকায় জমিতে পানি জমে ফসল নষ্ট হচ্ছে। কৃষি কাজ এমনিতেই কঠিন; সামান্য জলাবদ্ধতাও ফসল ধ্বংস করে দিতে পারে। আমি সিনিয়র কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে অবহিত করব। ছড়াগুলো পুনঃসংস্কার করা হলে কৃষকের ক্ষতি অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।
ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সালেক জানান, পানি প্রবাহ সহজ ও নির্বিঘ্নে করার জন্য ছড়ার মুখ খোলা থাকা দরকার। জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য ছড়া সংস্কার করনের মাধ্যমে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফটিকছড়িঃ
২৮ মে, ২০২৫, 6:25 AM
ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকায় শত বছরের পুরোনো পানি চলাচলের ছড়ার মুখে কৃত্রিম বাঁধের কারণে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কৃষকরা হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্তমানে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ না থাকায় জমিগুলো জলাবদ্ধ হয়ে ফসল নষ্ট হচ্ছে আর ক্ষতির পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার সংলগ্ন শত বছরের পুরোনো ঝবঝবি ছড়া কয়েক বছর আগে শাহিন নামের এক ব্যক্তি বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে তারাখোঁসহ আশেপাশের গ্রামের জমি প্লাবিত হয়ে গেছে।
কাছিমারখীল এবং তারাখোঁ এলাকার বাসিন্দারা জানান, সরকারি জমি থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হোক। ছড়াগুলোর পানি প্রবাহে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক। ছড়া বন্ধ থাকার কারণে শুধু কৃষি নয়, ঘরবাড়ি ধসে যাওয়ার মতো ভয়াবহ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন এসিল্যান্ড এই শাহিনের পক্ষে একটি পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত দিয়ে ছড়ার প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করেছিলেন। শাহিনের ক্ষমতার জোরে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির দখল এবং ছড়া বন্ধ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহকে বিপর্যস্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, আমি ১২০ শতক জমিতে সবজি চাষ করেছিলাম। কিন্তু পানি চলাচলে ছড়া বন্ধ হয়ে জমিতে পানি জমে হওয়ায় গত তিন বছরে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। এ বছরও প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আমাদের মতো কৃষকদের বাঁচার আর কোন উপায় থাকবে না।
দাঁতমারা ইউনিয়নের কৃষি অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন জানান, জমি গুলো পরিদর্শন করেছি। ছড়া বন্ধ থাকায় জমিতে পানি জমে ফসল নষ্ট হচ্ছে। কৃষি কাজ এমনিতেই কঠিন; সামান্য জলাবদ্ধতাও ফসল ধ্বংস করে দিতে পারে। আমি সিনিয়র কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে অবহিত করব। ছড়াগুলো পুনঃসংস্কার করা হলে কৃষকের ক্ষতি অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।
ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সালেক জানান, পানি প্রবাহ সহজ ও নির্বিঘ্নে করার জন্য ছড়ার মুখ খোলা থাকা দরকার। জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য ছড়া সংস্কার করনের মাধ্যমে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।