ঢাকা ১৪ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলে দুই নামজারি সহকারী আসাদুল ও অজিত চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ ভিনিসিয়ুসের গোলে মরক্কোর সাথে ড্র করল ব্রাজিল গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়াই: তথ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি হতে পারে, প্রত্যাশা মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত

গাজীপুর সাইনবোর্ড এলাকায় পানি পান করে শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ 

#
news image

গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার সাইনবোর্ড এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় পানি পান করে শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনার পর এক দিনের জন্য কারখানাটি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গাজীপুর শিল্পপুলিশ-২ এর পরিদর্শক মোঃ ইসমাইল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

পুলিশ ও শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, নগরীর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাইনবোর্ড এলাকায় রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেলস লিঃ নামের ওই কারখানায় ২ হাজার ৮০০ শ্রমিক কর্মরত। যথারীতি প্রতিদিনের মতো রোববার সকালেও শ্রমিকরা কাজে যোগ দেন। পরে কারখানার সরবরাহকৃত পানি পান করার পর প্রথমে কয়েকজন পেটব্যথায় আক্রান্ত হন। পরে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দেড় শতাধিকে ছাড়িয়ে যায়। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকরা অসুস্থদের স্থানীয় তায়রুননেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এদিকে গুরুতর অসুস্থ শ্রমিকদের মধ্যে ৬৭ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. শাহ আলী বলেন, গুরুতর অসুস্থ ৬৭ জন ভর্তি আছে। এর মধ্যে ১১ জন নারী শ্রমিক অন্তঃসত্ত্বা রয়েছেন । তাদেরকে আমাদের গাইনি বিভাগের চিকিৎসকের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছে এবং ৭০ থেকে ৭৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে হয়েছে। এদের মধ্যে সবাই বমি ও পেটব্যথায় আক্রান্ত ছিলেন। 

অপরদিকে কারখানার জিএম অ্যাডমিন মোঃ রাজন বলেন, অসুস্থ শ্রমিকদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে আমরা এ বিষয়টি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। 

পুলিশ পরিদর্শক মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, সকালে কাজে যোগদানের পর শ্রমিকরা পানি পান করে অসুস্থ হতে থাকেন। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় কর্তৃপক্ষ আজকের জন্য কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছেন। তিনি আরও বলেন, মালিকপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অসুস্থ শ্রমিকদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কারো অবস্থা গুরুতর হলে যেন উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়, সে দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

গাজীপুর প্রতিনিধি :

০২ জুন, ২০২৫,  1:59 PM

news image

গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার সাইনবোর্ড এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় পানি পান করে শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনার পর এক দিনের জন্য কারখানাটি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গাজীপুর শিল্পপুলিশ-২ এর পরিদর্শক মোঃ ইসমাইল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

পুলিশ ও শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, নগরীর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাইনবোর্ড এলাকায় রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেলস লিঃ নামের ওই কারখানায় ২ হাজার ৮০০ শ্রমিক কর্মরত। যথারীতি প্রতিদিনের মতো রোববার সকালেও শ্রমিকরা কাজে যোগ দেন। পরে কারখানার সরবরাহকৃত পানি পান করার পর প্রথমে কয়েকজন পেটব্যথায় আক্রান্ত হন। পরে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দেড় শতাধিকে ছাড়িয়ে যায়। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকরা অসুস্থদের স্থানীয় তায়রুননেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এদিকে গুরুতর অসুস্থ শ্রমিকদের মধ্যে ৬৭ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. শাহ আলী বলেন, গুরুতর অসুস্থ ৬৭ জন ভর্তি আছে। এর মধ্যে ১১ জন নারী শ্রমিক অন্তঃসত্ত্বা রয়েছেন । তাদেরকে আমাদের গাইনি বিভাগের চিকিৎসকের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছে এবং ৭০ থেকে ৭৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে হয়েছে। এদের মধ্যে সবাই বমি ও পেটব্যথায় আক্রান্ত ছিলেন। 

অপরদিকে কারখানার জিএম অ্যাডমিন মোঃ রাজন বলেন, অসুস্থ শ্রমিকদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে আমরা এ বিষয়টি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। 

পুলিশ পরিদর্শক মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, সকালে কাজে যোগদানের পর শ্রমিকরা পানি পান করে অসুস্থ হতে থাকেন। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় কর্তৃপক্ষ আজকের জন্য কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছেন। তিনি আরও বলেন, মালিকপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অসুস্থ শ্রমিকদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কারো অবস্থা গুরুতর হলে যেন উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়, সে দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।