ফটিকছড়িতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :
০৩ জুন, ২০২৫, 12:19 AM
ফটিকছড়িতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বিপদ সীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে হালদা, ধুরুং, সর্তাসহ বিভিন্ন খাল নদীর পানি।
গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলার দাঁতমারা, নারায়নহাট, ভুজপুর, সুয়াবিল, লেলাং, রোসাংগিরী, সমিতিরহাট, ধর্মপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি রয়েছে বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা।
এছাড়াও গহিরা হেঁয়াকো সড়কের বিভিন্ন স্থান পানিতে তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে গ্রামীণ সড়কগুলোও পানিতে ডুবে রয়েছে।বেশ কয়েকটি স্থানে মহাসড়কের উপর দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।পানির স্রোতে ভেসে গেছে নাজিরহাট পৌরসভা ও সুন্দরপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী হালদা নদীর উপর নির্মিত কাঠের সেতুটিও।এতে করে পারাপারে চরম দুর্ভোগে পড়েছে দু'পাড়ের বাসিন্দারা।
এদিকে হালদা ধুরুংসহ বিভিন্ন খাল ও নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।
বৃষ্টি অব্যাহত থালে ভয়াবহ বন্যার শংকায় রয়েছেন তারা।
এছাড়া নারায়নহাটে কয়েক গ্রামের মানুষ পানিতে বন্দী হয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।ইতিমধ্যে সর্তা খালের বাঁধ ভেঙ্গে ধর্মপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
বিভিন্ন এলাকায় মাছের ঘের ও ফসলের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি বিজ্ঞান শাখার উপসহকারী প্রকৌশলী আরিফা নাসরিন বলেন, হালদা নদীর নারায়ণহাট পয়েন্টে বিপদ সীমা ছাড়িয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে তা রাতের মধ্যেই বাঁধ ভেঙে বড় ধরনের বিপদের আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ফটিকছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু নাছের বলেন, পর্যাপ্ত চালসহ বন্যা মোকাবেলার সার্বিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে।
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :
০৩ জুন, ২০২৫, 12:19 AM
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বিপদ সীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে হালদা, ধুরুং, সর্তাসহ বিভিন্ন খাল নদীর পানি।
গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলার দাঁতমারা, নারায়নহাট, ভুজপুর, সুয়াবিল, লেলাং, রোসাংগিরী, সমিতিরহাট, ধর্মপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি রয়েছে বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা।
এছাড়াও গহিরা হেঁয়াকো সড়কের বিভিন্ন স্থান পানিতে তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে গ্রামীণ সড়কগুলোও পানিতে ডুবে রয়েছে।বেশ কয়েকটি স্থানে মহাসড়কের উপর দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।পানির স্রোতে ভেসে গেছে নাজিরহাট পৌরসভা ও সুন্দরপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী হালদা নদীর উপর নির্মিত কাঠের সেতুটিও।এতে করে পারাপারে চরম দুর্ভোগে পড়েছে দু'পাড়ের বাসিন্দারা।
এদিকে হালদা ধুরুংসহ বিভিন্ন খাল ও নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।
বৃষ্টি অব্যাহত থালে ভয়াবহ বন্যার শংকায় রয়েছেন তারা।
এছাড়া নারায়নহাটে কয়েক গ্রামের মানুষ পানিতে বন্দী হয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।ইতিমধ্যে সর্তা খালের বাঁধ ভেঙ্গে ধর্মপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
বিভিন্ন এলাকায় মাছের ঘের ও ফসলের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি বিজ্ঞান শাখার উপসহকারী প্রকৌশলী আরিফা নাসরিন বলেন, হালদা নদীর নারায়ণহাট পয়েন্টে বিপদ সীমা ছাড়িয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে তা রাতের মধ্যেই বাঁধ ভেঙে বড় ধরনের বিপদের আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ফটিকছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু নাছের বলেন, পর্যাপ্ত চালসহ বন্যা মোকাবেলার সার্বিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে।
সম্পর্কিত