সংযোগ সড়ক না থাকায় মেলান্দহে অচল ১৭ কোটি টাকা প্রকল্পের দুই সেতু
মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি :
১১ জুন, ২০২৫, 1:05 PM
সংযোগ সড়ক না থাকায় মেলান্দহে অচল ১৭ কোটি টাকা প্রকল্পের দুই সেতু
জামালপুরের মেলান্দহে ব্রিজ নি
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজ তৈরি হলেও সড়ক না থাকায় এর কোনো বাস্তবিক উপকার পাচ্ছেন না তারা। শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিত্য প্রয়োজনীয় যাতায়াতে ঘুরে যেতে হচ্ছে অন্তত ১০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ, যা সময় ও খরচ—দুটোই বাড়িয়ে দিচ্ছে কয়েকগুণ।
জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার ভাবকী গ্রামে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু এবং পাশের চন্দ্রাস্থ এলাকায় প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৫ মিটার দীর্ঘ আরেকটি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০২৪ সালের শুরুর দিকে। পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি সেতুকে যুক্ত করে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের কথা থাকলেও সেটি আজও আলোর মুখ দেখেনি।
আটাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মো. মুয়াসিম মণ্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সেতু আছে, কিন্তু রাস্তা নেই—এই সেতু দিয়ে আমরা যাব কোথায়? শহরে সরাসরি যাওয়ার সুযোগ নেই, সব ঘুরে যেতে হয়।”
মেলান্দহ উপজেলা প্রকৌশলী শুভাশীষ রায় জানান, “সেতু দুটি সংযোগ সড়কসহ প্রকল্পের অংশ ছিল। কিন্তু জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি—শাহ আলম—জমি দিতে না চাওয়ায় এবং হাইকোর্টে মামলা করায় আদালতের স্থগিতাদেশে সড়ক নির্মাণ আটকে আছে।”
শাহ আলম বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাতিজা আশরাফ আলী বলেন, “আমাদের জমি জোর করে দখল করার চেষ্টা চলছিল, তাই আমরা আইনের সহায়তা নিয়েছি। হাইকোর্ট সব কিছু বিবেচনা করেই স্থগিতাদেশ দিয়েছে।”
এদিকে এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত জমি সংক্রান্ত জটিলতা মিটিয়ে সংযোগ সড়কের কাজ পুনরায় শুরু করা হোক। যাতে করে সাধারণ মানুষ সেতুর পূর্ণ সুবিধা পায়।
মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি :
১১ জুন, ২০২৫, 1:05 PM
জামালপুরের মেলান্দহে ব্রিজ নি
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজ তৈরি হলেও সড়ক না থাকায় এর কোনো বাস্তবিক উপকার পাচ্ছেন না তারা। শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিত্য প্রয়োজনীয় যাতায়াতে ঘুরে যেতে হচ্ছে অন্তত ১০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ, যা সময় ও খরচ—দুটোই বাড়িয়ে দিচ্ছে কয়েকগুণ।
জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার ভাবকী গ্রামে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু এবং পাশের চন্দ্রাস্থ এলাকায় প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৫ মিটার দীর্ঘ আরেকটি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০২৪ সালের শুরুর দিকে। পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি সেতুকে যুক্ত করে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের কথা থাকলেও সেটি আজও আলোর মুখ দেখেনি।
আটাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মো. মুয়াসিম মণ্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সেতু আছে, কিন্তু রাস্তা নেই—এই সেতু দিয়ে আমরা যাব কোথায়? শহরে সরাসরি যাওয়ার সুযোগ নেই, সব ঘুরে যেতে হয়।”
মেলান্দহ উপজেলা প্রকৌশলী শুভাশীষ রায় জানান, “সেতু দুটি সংযোগ সড়কসহ প্রকল্পের অংশ ছিল। কিন্তু জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি—শাহ আলম—জমি দিতে না চাওয়ায় এবং হাইকোর্টে মামলা করায় আদালতের স্থগিতাদেশে সড়ক নির্মাণ আটকে আছে।”
শাহ আলম বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাতিজা আশরাফ আলী বলেন, “আমাদের জমি জোর করে দখল করার চেষ্টা চলছিল, তাই আমরা আইনের সহায়তা নিয়েছি। হাইকোর্ট সব কিছু বিবেচনা করেই স্থগিতাদেশ দিয়েছে।”
এদিকে এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত জমি সংক্রান্ত জটিলতা মিটিয়ে সংযোগ সড়কের কাজ পুনরায় শুরু করা হোক। যাতে করে সাধারণ মানুষ সেতুর পূর্ণ সুবিধা পায়।