ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

সংযোগ সড়ক না থাকায় মেলান্দহে অচল ১৭ কোটি টাকা প্রকল্পের দুই সেতু

#
news image

জামালপুরের মেলান্দহে ব্রিজ নির্মাণের দেড় বছর অতিবাহিত হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। দেড় বছর আগে ব্রিজ দুটি নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘ সময়েও হয়নি সংযোগ সড়ক। ফলে অচল অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে সেতুগুলো।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজ তৈরি হলেও সড়ক না থাকায় এর কোনো বাস্তবিক উপকার পাচ্ছেন না তারা। শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিত্য প্রয়োজনীয় যাতায়াতে ঘুরে যেতে হচ্ছে অন্তত ১০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ, যা সময় ও খরচ—দুটোই বাড়িয়ে দিচ্ছে কয়েকগুণ।

জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার ভাবকী গ্রামে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু এবং পাশের চন্দ্রাস্থ এলাকায় প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৫ মিটার দীর্ঘ আরেকটি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০২৪ সালের শুরুর দিকে। পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি সেতুকে যুক্ত করে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের কথা থাকলেও সেটি আজও আলোর মুখ দেখেনি।

আটাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মো. মুয়াসিম মণ্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সেতু আছে, কিন্তু রাস্তা নেই—এই সেতু দিয়ে আমরা যাব কোথায়? শহরে সরাসরি যাওয়ার সুযোগ নেই, সব ঘুরে যেতে হয়।”

মেলান্দহ উপজেলা প্রকৌশলী শুভাশীষ রায় জানান, “সেতু দুটি সংযোগ সড়কসহ প্রকল্পের অংশ ছিল। কিন্তু জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি—শাহ আলম—জমি দিতে না চাওয়ায় এবং হাইকোর্টে মামলা করায় আদালতের স্থগিতাদেশে সড়ক নির্মাণ আটকে আছে।”

শাহ আলম বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাতিজা আশরাফ আলী বলেন, “আমাদের জমি জোর করে দখল করার চেষ্টা চলছিল, তাই আমরা আইনের সহায়তা নিয়েছি। হাইকোর্ট সব কিছু বিবেচনা করেই স্থগিতাদেশ দিয়েছে।”

এদিকে এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত জমি সংক্রান্ত জটিলতা মিটিয়ে সংযোগ সড়কের কাজ পুনরায় শুরু করা হোক। যাতে করে  সাধারণ মানুষ সেতুর পূর্ণ সুবিধা পায়।

মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি :

১১ জুন, ২০২৫,  1:05 PM

news image

জামালপুরের মেলান্দহে ব্রিজ নির্মাণের দেড় বছর অতিবাহিত হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। দেড় বছর আগে ব্রিজ দুটি নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘ সময়েও হয়নি সংযোগ সড়ক। ফলে অচল অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে সেতুগুলো।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজ তৈরি হলেও সড়ক না থাকায় এর কোনো বাস্তবিক উপকার পাচ্ছেন না তারা। শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিত্য প্রয়োজনীয় যাতায়াতে ঘুরে যেতে হচ্ছে অন্তত ১০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ, যা সময় ও খরচ—দুটোই বাড়িয়ে দিচ্ছে কয়েকগুণ।

জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার ভাবকী গ্রামে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু এবং পাশের চন্দ্রাস্থ এলাকায় প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৫ মিটার দীর্ঘ আরেকটি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০২৪ সালের শুরুর দিকে। পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি সেতুকে যুক্ত করে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের কথা থাকলেও সেটি আজও আলোর মুখ দেখেনি।

আটাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মো. মুয়াসিম মণ্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সেতু আছে, কিন্তু রাস্তা নেই—এই সেতু দিয়ে আমরা যাব কোথায়? শহরে সরাসরি যাওয়ার সুযোগ নেই, সব ঘুরে যেতে হয়।”

মেলান্দহ উপজেলা প্রকৌশলী শুভাশীষ রায় জানান, “সেতু দুটি সংযোগ সড়কসহ প্রকল্পের অংশ ছিল। কিন্তু জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি—শাহ আলম—জমি দিতে না চাওয়ায় এবং হাইকোর্টে মামলা করায় আদালতের স্থগিতাদেশে সড়ক নির্মাণ আটকে আছে।”

শাহ আলম বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাতিজা আশরাফ আলী বলেন, “আমাদের জমি জোর করে দখল করার চেষ্টা চলছিল, তাই আমরা আইনের সহায়তা নিয়েছি। হাইকোর্ট সব কিছু বিবেচনা করেই স্থগিতাদেশ দিয়েছে।”

এদিকে এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত জমি সংক্রান্ত জটিলতা মিটিয়ে সংযোগ সড়কের কাজ পুনরায় শুরু করা হোক। যাতে করে  সাধারণ মানুষ সেতুর পূর্ণ সুবিধা পায়।