ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

গাছা থানার বিতর্কিত ওসি রাশেদ বদলি

#
news image

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানার বিতর্কিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদকে বদলি করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র নয় মাসের মাথায় থাকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

গত ১৬ জুন মঙ্গলবার জিএমপি কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। ঐদিনেই ডিবি (উত্তর) এর পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলামকে গাছা থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

জানা যায়, ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ গাছা থানার আগে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে তিনি গাছা থানায় ওসি হিসেবে যোগদান কবার কিছুদিন পর থেকে মামলা বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকোন্ডে জড়িয়ে গাজীপুরে আলোচিত ও সমালোচিত হন।

স্থানীয় বিএনপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছেন, গাছা থানায় দায়িত্ব পালনকালে ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম, দুর্নীতি এবং মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার একাধিক আসামিকে ছেড়ে দেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্য, মাটি বিক্রি চক্র ও জলমহাল দখলে সহায়তা, মোট অংকের ঘুষ লেনদেন এবং ঝুট নিয়ন্ত্রণসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। 

স্থানীয় একাধিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সূত্র জানিয়েছে, ওসি রাশেদ যুবলীগ নেতা আল-আমিনের মাধ্যমে ‘মামলা বাণিজ্য’ চালাতেন। মামলা বাণিজ্য করতে গিয়ে এমনকি গাজীপুরের বাইরে অবস্থানরত ব্যক্তি, দুই বছরের বেশি সময় ধরে প্রবাসে থাকা প্রবাসী এবং নিরীহ ব্যক্তিদেরও ছাত্র আন্দোলনের মামলায় আসামি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, যুবলীগ নেতা থেকে কথিত ‘ছাত্র সমন্বয়ক’ পরিচয়ধারী আল-আমিনের মাধ্যমে গাছা থানায় একটি ‘মামলা বাণিজ্য চক্র’ গড়ে ওঠে। যার নেপথ্যে প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষ মদদে ছিলেন ওসি রাশেদ। এছাড়াও আলামিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনাবাড়ী মেট্রো থানায় দায়েরকৃত একটি মামলায় (তারিখ: ৩ মে ২০২৫, মামলা নম্বর: ৩, আসামি নম্বর: ৩৮) নিজে আসামি হয়েও ওসি রাশেদের মদদে বিভিন্ন মামলায় সাধারণ মানুষকে আসামি করার সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।আলামিনের স্ত্রীসহ তার পরিবারের ঘনিষ্ঠদেরও ছাত্র আন্দোলনের মামলায় আসামি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশের বিশেষ একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে এসব অভিযোগ উঠে এসেছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়গুলো নিয়ে ভোক্তভোগিদের সংবাদ সম্মেলন ও দৈনিক পল্লীবাংলা সহ একাধিক গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

গাছা (গাজীপুর) প্রতিনিধি :

১৮ জুন, ২০২৫,  1:43 AM

news image

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানার বিতর্কিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদকে বদলি করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র নয় মাসের মাথায় থাকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

গত ১৬ জুন মঙ্গলবার জিএমপি কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। ঐদিনেই ডিবি (উত্তর) এর পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলামকে গাছা থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

জানা যায়, ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ গাছা থানার আগে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে তিনি গাছা থানায় ওসি হিসেবে যোগদান কবার কিছুদিন পর থেকে মামলা বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকোন্ডে জড়িয়ে গাজীপুরে আলোচিত ও সমালোচিত হন।

স্থানীয় বিএনপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছেন, গাছা থানায় দায়িত্ব পালনকালে ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম, দুর্নীতি এবং মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার একাধিক আসামিকে ছেড়ে দেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্য, মাটি বিক্রি চক্র ও জলমহাল দখলে সহায়তা, মোট অংকের ঘুষ লেনদেন এবং ঝুট নিয়ন্ত্রণসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। 

স্থানীয় একাধিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সূত্র জানিয়েছে, ওসি রাশেদ যুবলীগ নেতা আল-আমিনের মাধ্যমে ‘মামলা বাণিজ্য’ চালাতেন। মামলা বাণিজ্য করতে গিয়ে এমনকি গাজীপুরের বাইরে অবস্থানরত ব্যক্তি, দুই বছরের বেশি সময় ধরে প্রবাসে থাকা প্রবাসী এবং নিরীহ ব্যক্তিদেরও ছাত্র আন্দোলনের মামলায় আসামি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, যুবলীগ নেতা থেকে কথিত ‘ছাত্র সমন্বয়ক’ পরিচয়ধারী আল-আমিনের মাধ্যমে গাছা থানায় একটি ‘মামলা বাণিজ্য চক্র’ গড়ে ওঠে। যার নেপথ্যে প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষ মদদে ছিলেন ওসি রাশেদ। এছাড়াও আলামিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনাবাড়ী মেট্রো থানায় দায়েরকৃত একটি মামলায় (তারিখ: ৩ মে ২০২৫, মামলা নম্বর: ৩, আসামি নম্বর: ৩৮) নিজে আসামি হয়েও ওসি রাশেদের মদদে বিভিন্ন মামলায় সাধারণ মানুষকে আসামি করার সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।আলামিনের স্ত্রীসহ তার পরিবারের ঘনিষ্ঠদেরও ছাত্র আন্দোলনের মামলায় আসামি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশের বিশেষ একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে এসব অভিযোগ উঠে এসেছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়গুলো নিয়ে ভোক্তভোগিদের সংবাদ সম্মেলন ও দৈনিক পল্লীবাংলা সহ একাধিক গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।