ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হবিগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ধ/র্ষ/ণের হুমকির অভিযোগে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, টিন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ সুনামগঞ্জে খুনের জেরে ৩ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট, এক প্রবাসী মায়ের আর্তনাদ !

পাঁচ আগস্টের পরে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো প্রকৃতপক্ষে আগে থেকেই বন্ধ ছিল: শ্রম উপদেষ্টা

#
news image

শ্রম ও কর্মস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, পাঁচ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো প্রকৃতপক্ষে আগে থেকেই বন্ধ ছিল। তিনি বলেন, সব গার্মেন্টস বন্ধ হলে তো ১৭ পার্সেন্ট এক্সপোর্ট হতো না। প্রচুর মালামাল রপ্তানির কারণে চিটাগাং পোর্ট কুলাতে পারছে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আজ বুধবার সাভারের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বিপিএটিসিতে ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড স্টাফ কলেজ মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট এর উদ্যোগে সামরিক বাহিনীর এক সেমিনারে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। সেমিনারে বাংলাদেশসহ বিশ্বের চব্বিশটি দেশের সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

উপদেষ্টা এসময় আরও বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর মালিক কারখানা চালু থাকা অবস্থায় শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নিলেও সেই টাকা শ্রমিকদের দেয়নি, কাজও করেনি। এসব কারখানার মালিকদের যদি ব্যাংক হিসাব নেয়া হয় তবে দেখা যাবে- প্রত্যেকেই দুই’শ থেকে তিন’শ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি। 

বন্ধ হয়ে যাওয়া বেক্সিমকোর অধিকাংশ শ্রমিক চিটাগাংসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় যোগ দিয়েছে বলেও জানান উপদেষ্টা। 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৬ জুন, ২০২৫,  12:48 AM

news image

শ্রম ও কর্মস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, পাঁচ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো প্রকৃতপক্ষে আগে থেকেই বন্ধ ছিল। তিনি বলেন, সব গার্মেন্টস বন্ধ হলে তো ১৭ পার্সেন্ট এক্সপোর্ট হতো না। প্রচুর মালামাল রপ্তানির কারণে চিটাগাং পোর্ট কুলাতে পারছে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আজ বুধবার সাভারের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বিপিএটিসিতে ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড স্টাফ কলেজ মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট এর উদ্যোগে সামরিক বাহিনীর এক সেমিনারে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। সেমিনারে বাংলাদেশসহ বিশ্বের চব্বিশটি দেশের সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

উপদেষ্টা এসময় আরও বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর মালিক কারখানা চালু থাকা অবস্থায় শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নিলেও সেই টাকা শ্রমিকদের দেয়নি, কাজও করেনি। এসব কারখানার মালিকদের যদি ব্যাংক হিসাব নেয়া হয় তবে দেখা যাবে- প্রত্যেকেই দুই’শ থেকে তিন’শ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি। 

বন্ধ হয়ে যাওয়া বেক্সিমকোর অধিকাংশ শ্রমিক চিটাগাংসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় যোগ দিয়েছে বলেও জানান উপদেষ্টা।