ঢাকা ০৯ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
চাখার-মীরেরহাট সড়ক সংস্কারে চরম ধীরগতি: দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ বঙ্গোপসাগর রক্ষার শপথ নিলেন শতাধিক তরুণ পরিবেশকর্মী ইসরাইলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ শিল্পকলায় উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সিলেট অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জেলা প্রশাসক  হবিগঞ্জ নওগাঁয় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, শীর্ষ দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বঞ্চিত, তালিকায় স্বজনপ্রীতির, শাল্লায় কৃষকদের প্রতিবাদ মিছিল  নীলফামারীর ডোমার বিএডিসি খামারে  মাটির উর্বরতা ফিরাতে ধইঞ্চা চাষ ফটিকছড়িতে বিষপানে যুবকের আত্নহত্যা

সিরাজগঞ্জে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

#
news image

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে হবিবর রহমান হবি হত্যা মামলায় ৬ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
 
আজ রোববার (২৯ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ-২ এর আদালতের বিচারক কানিস ফাতিমা এরায় প্রদান করেন।
 
আদালতের অতিরিক্ত পিপি এ্যাডভোকেট গোলাম সরোয়ার খান নাবাব ও পেশকার মোহাম্মদ আলী এতথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মামলার ৭ জন আসামীর মধ্যে ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও একজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
 
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কাজীপুর উপজেলার পাটগ্রাম এলাকার মৃত পচা শেখের ছেলে জুড়ান শেখ, মৃত সোনা মল্লিকের ছেলে নজরুল ইসলাম, মৃত অসীম খার ছেলে কুড়ান খা, শাহ আলীর স্ত্রী ফুলমালা, জুড়ান শেখের স্ত্রী লাভলী ও  ছেলে আমির হোসেন।
 
মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, হবিবর রহমানের (নিহত) স্ত্রী মৃত্যু বরন করায় পাশ্ববর্তী তার মেয়ের বাড়িতে খাওয়া দাওয়া করতো। ২০১৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে খাবার খেয়ে নাতী মেহেদী হাসান শুভ কে সঙ্গে নিয়ে নিজ বাড়িতে এসে পৃথক ঘরে ঘুুমিয়ে পড়েন হবিবুর রহমান। সকালে নাতী শুভ ঘুম থেকে উঠে নানাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজা খুঁজি শুরু করেন। পরে বিষয়টি তার মা কে জানালে তারাও খোঁজা খুঁজি করেন।
 
এক পর্যায়ে ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর বিকেলে বাড়ির পাশ্বর্তী নীচু ফসলী জমিতে পানির মধ্যে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে নিহতের পরিবার জানতে পারে হবিবর রহমান প্রতিবেশি ফুলমালা খাতুনের বাড়ীতে গোপনে যাতায়াত করতেন। এতে আশপাশের লোকজন সন্দেহ করে  মাঝে মধ্যে তাদের সমালোচনা করতেন। এই আক্রোশে ফুলমালা খাতুন সহ আসামীরা হবিবরকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। এঘটনায় নিহতের ছেলে আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে ফুলমালা সহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামী করে কাজীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। 
মামলা তদন্ত শেষে পুলিশ ৭ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলা চলাকালে ২০ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করে আদালত। দীর্ঘ স্বাক্ষ্য প্রমান শেষে আজ ৬ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় আদালত।

খন্দকার মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ : 

০৩ জুলাই, ২০২৫,  3:39 AM

news image

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে হবিবর রহমান হবি হত্যা মামলায় ৬ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
 
আজ রোববার (২৯ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ-২ এর আদালতের বিচারক কানিস ফাতিমা এরায় প্রদান করেন।
 
আদালতের অতিরিক্ত পিপি এ্যাডভোকেট গোলাম সরোয়ার খান নাবাব ও পেশকার মোহাম্মদ আলী এতথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মামলার ৭ জন আসামীর মধ্যে ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও একজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
 
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কাজীপুর উপজেলার পাটগ্রাম এলাকার মৃত পচা শেখের ছেলে জুড়ান শেখ, মৃত সোনা মল্লিকের ছেলে নজরুল ইসলাম, মৃত অসীম খার ছেলে কুড়ান খা, শাহ আলীর স্ত্রী ফুলমালা, জুড়ান শেখের স্ত্রী লাভলী ও  ছেলে আমির হোসেন।
 
মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, হবিবর রহমানের (নিহত) স্ত্রী মৃত্যু বরন করায় পাশ্ববর্তী তার মেয়ের বাড়িতে খাওয়া দাওয়া করতো। ২০১৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে খাবার খেয়ে নাতী মেহেদী হাসান শুভ কে সঙ্গে নিয়ে নিজ বাড়িতে এসে পৃথক ঘরে ঘুুমিয়ে পড়েন হবিবুর রহমান। সকালে নাতী শুভ ঘুম থেকে উঠে নানাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজা খুঁজি শুরু করেন। পরে বিষয়টি তার মা কে জানালে তারাও খোঁজা খুঁজি করেন।
 
এক পর্যায়ে ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর বিকেলে বাড়ির পাশ্বর্তী নীচু ফসলী জমিতে পানির মধ্যে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে নিহতের পরিবার জানতে পারে হবিবর রহমান প্রতিবেশি ফুলমালা খাতুনের বাড়ীতে গোপনে যাতায়াত করতেন। এতে আশপাশের লোকজন সন্দেহ করে  মাঝে মধ্যে তাদের সমালোচনা করতেন। এই আক্রোশে ফুলমালা খাতুন সহ আসামীরা হবিবরকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। এঘটনায় নিহতের ছেলে আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে ফুলমালা সহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামী করে কাজীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। 
মামলা তদন্ত শেষে পুলিশ ৭ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলা চলাকালে ২০ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করে আদালত। দীর্ঘ স্বাক্ষ্য প্রমান শেষে আজ ৬ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় আদালত।