ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

টিটিসি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছেন অভিযুক্তরা

#
news image

রাজশাহী টিটিসিতে অচলাবস্থা সৃষ্টির জন্য মহল বিশেষের ষড়যন্ত্র বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে নড়েচড়ে বসেছেন অভিযুক্তরা। এনিয়ে সোমবার (৭ জুলাই) ও মঙ্গলবার (৮ জুলাই) জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় "রাজশাহী টিটিসিকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ" সহ বিভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
 
প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, রাজশাহী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. নাজমুল হককে বেকায়দায় ফেলতে ষড়যন্ত্র ও উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার এস.এম ইমদাদুল হক পুনরায় রাজশাহী টিটিসিতে বদলি হয়ে আসার লক্ষ্যে এবং আরো কিছু কারণে এই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে তিনি বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজশাহী টিটিসিতে থাকাকালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শাস্তিমূলক বদলি করে তাকে বগুড়া টিটিসিতে পাঠানো হয়। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজশাহী টিটিসির একাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, এই প্রতিষ্ঠানেরই কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী এসএম ইমদাদুল হককে সহায়তা করছেন। এর মধ্যে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের একজন ইনস্ট্রাক্টর, হেড অ্যাসিস্ট্যান্ট, স্টোর কিপার ও একজন কারখানা সহকারী রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা ও ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছেন। এছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
তাদের ভাষ্য, অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক যদি আবার রাজশাহী টিটিসিতে বদলি হয়ে আসেন, তাহলে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও তার সহযোগীদের দেখে নেবেন- এমন হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এতে করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে এমন আশংকাও করছেন তারা।
এছাড়া ইমদাদুল হকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তুলে ধরা হয় প্রকাশিত সংবাদে। এতে অডিট আপত্তির  তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, ইঞ্জিনিয়ার ইমদাদুল হক রাজশাহী টিটিসির অধ্যক্ষ থাকাবস্থায় ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ৪২ লাখ ৩১ হাজার ৫৮৪ টাকা অনিয়মিতভাবে ব্যয় করা হয়। এ নিয়ে অডিট আপত্তি হওয়ায় ইমদাদুল হক রাজশাহী টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহ সংশ্লিষ্ট কয়েজনের ওপর চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কেন অডিট আপত্তি হলো তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তিনি। 
জানা গেছে, বর্তমান বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার এস. এম. ইমদাদুল হক চাকরি নিয়মিতকরণের তালিকা থেকেও বাদ পড়েছেন। বিভাগীয় অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন থাকায় তাকে এ তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজশাহী টিটিসির শিক্ষক কর্মকর্তারা বলেন, অডিট আপত্তি, বিভাগীয় মামলা সহ বিভিন্ন অভিযোগ চলমান থাকা অবস্থায় অধ্যক্ষ ইমদাদুল আবারও রাজশাহী টিটিসিতে অধ্যক্ষ হিসেবে আসলে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি ও ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।  
বগুড়া টিটিসির অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক বলেন,  “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। 
রাজশাহী টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজমুল হক বলেন, আমি রাজশাহী টিটিসিতে যোগদানের পর প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি। অতীতে যে অনিয়ম ছিল, তা বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমাকে হয়রানি করার চেষ্টা করছে। 

খন্দকার মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ : 

০৯ জুলাই, ২০২৫,  6:33 AM

news image

রাজশাহী টিটিসিতে অচলাবস্থা সৃষ্টির জন্য মহল বিশেষের ষড়যন্ত্র বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে নড়েচড়ে বসেছেন অভিযুক্তরা। এনিয়ে সোমবার (৭ জুলাই) ও মঙ্গলবার (৮ জুলাই) জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় "রাজশাহী টিটিসিকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ" সহ বিভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
 
প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, রাজশাহী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. নাজমুল হককে বেকায়দায় ফেলতে ষড়যন্ত্র ও উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার এস.এম ইমদাদুল হক পুনরায় রাজশাহী টিটিসিতে বদলি হয়ে আসার লক্ষ্যে এবং আরো কিছু কারণে এই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে তিনি বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজশাহী টিটিসিতে থাকাকালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শাস্তিমূলক বদলি করে তাকে বগুড়া টিটিসিতে পাঠানো হয়। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজশাহী টিটিসির একাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, এই প্রতিষ্ঠানেরই কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী এসএম ইমদাদুল হককে সহায়তা করছেন। এর মধ্যে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের একজন ইনস্ট্রাক্টর, হেড অ্যাসিস্ট্যান্ট, স্টোর কিপার ও একজন কারখানা সহকারী রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা ও ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছেন। এছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
তাদের ভাষ্য, অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক যদি আবার রাজশাহী টিটিসিতে বদলি হয়ে আসেন, তাহলে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও তার সহযোগীদের দেখে নেবেন- এমন হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এতে করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে এমন আশংকাও করছেন তারা।
এছাড়া ইমদাদুল হকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তুলে ধরা হয় প্রকাশিত সংবাদে। এতে অডিট আপত্তির  তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, ইঞ্জিনিয়ার ইমদাদুল হক রাজশাহী টিটিসির অধ্যক্ষ থাকাবস্থায় ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ৪২ লাখ ৩১ হাজার ৫৮৪ টাকা অনিয়মিতভাবে ব্যয় করা হয়। এ নিয়ে অডিট আপত্তি হওয়ায় ইমদাদুল হক রাজশাহী টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহ সংশ্লিষ্ট কয়েজনের ওপর চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কেন অডিট আপত্তি হলো তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তিনি। 
জানা গেছে, বর্তমান বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার এস. এম. ইমদাদুল হক চাকরি নিয়মিতকরণের তালিকা থেকেও বাদ পড়েছেন। বিভাগীয় অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন থাকায় তাকে এ তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজশাহী টিটিসির শিক্ষক কর্মকর্তারা বলেন, অডিট আপত্তি, বিভাগীয় মামলা সহ বিভিন্ন অভিযোগ চলমান থাকা অবস্থায় অধ্যক্ষ ইমদাদুল আবারও রাজশাহী টিটিসিতে অধ্যক্ষ হিসেবে আসলে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি ও ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।  
বগুড়া টিটিসির অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক বলেন,  “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। 
রাজশাহী টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজমুল হক বলেন, আমি রাজশাহী টিটিসিতে যোগদানের পর প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি। অতীতে যে অনিয়ম ছিল, তা বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমাকে হয়রানি করার চেষ্টা করছে।