রংপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৬ দোকান পুড়ে ছাই ক্ষয়ক্ষতি ৫০ লাখ
শাকিল আহমেদ, রংপুর প্রতিনিধি :
১০ জুলাই, ২০২৫, 8:59 PM
রংপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৬ দোকান পুড়ে ছাই ক্ষয়ক্ষতি ৫০ লাখ
রংপুর নগরীর নজিরেরহাট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে গেছে। গত বুধবার গভীররাতে নগরীর নজিরেরহাট বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নজিরেরহাট ব্যবসায়ী দোকান মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক ফারুক হোসেন ফিরোজ বলেন, বুধবার গভীররাতে দিকে হঠাৎ বাজারের মনিরের লেপ-তোশক ঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়তে দেখে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। অগ্নিকাণ্ডে বাজারের ছোট-বড় মিলে ৬টি দোকান পুড়ে যায়। সবমিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারনা করেন। লিমন ও সুমন মিয়ার কোহলি স্টোর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের অন্তত ১৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাকিদের প্রায় ৯ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।
নজিরেরহাট ব্যবসায়ী দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মানিক মিয়া জানান, অগ্নিদুর্ঘটনায় বাজারের মুদি দোকান, পান দোকান, হার্ডওয়ার, লেপ-তোশক দোকান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে সক্ষম হওয়ায় পুরো বাজারে আগুন ছড়িয়ে পড়েনি।
রংপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শওকত আলী জোদ্দার বলেন, খবর পেয়ে দুটি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে বাজারের লেপ-তোশক ঘরের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শাকিল আহমেদ, রংপুর প্রতিনিধি :
১০ জুলাই, ২০২৫, 8:59 PM
রংপুর নগরীর নজিরেরহাট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে গেছে। গত বুধবার গভীররাতে নগরীর নজিরেরহাট বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নজিরেরহাট ব্যবসায়ী দোকান মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক ফারুক হোসেন ফিরোজ বলেন, বুধবার গভীররাতে দিকে হঠাৎ বাজারের মনিরের লেপ-তোশক ঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়তে দেখে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। অগ্নিকাণ্ডে বাজারের ছোট-বড় মিলে ৬টি দোকান পুড়ে যায়। সবমিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারনা করেন। লিমন ও সুমন মিয়ার কোহলি স্টোর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের অন্তত ১৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাকিদের প্রায় ৯ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।
নজিরেরহাট ব্যবসায়ী দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মানিক মিয়া জানান, অগ্নিদুর্ঘটনায় বাজারের মুদি দোকান, পান দোকান, হার্ডওয়ার, লেপ-তোশক দোকান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে সক্ষম হওয়ায় পুরো বাজারে আগুন ছড়িয়ে পড়েনি।
রংপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শওকত আলী জোদ্দার বলেন, খবর পেয়ে দুটি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে বাজারের লেপ-তোশক ঘরের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।