ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মাইলস্টোনের ছাত্রী ফাতেমার, বাগেরহাটে শোকের মাতম

#
news image

ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিশু শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তারের মৃত্যুতে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার কুনিয়া গ্রামে চলছে শোকের মাতম। সোমবার (২১ জুলাই) বিকেলে দুর্ঘটনার খবর গ্রামে পৌঁছালে চারপাশে নেমে আসে বিষাদের ছায়া, স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠে এলাকার আকাশ-বাতাস।
নিহত ফাতেমা আক্তার উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের কুনিয়া গ্রামের প্রবাসী বনি আমিন ও রুপা দম্পতির কন্যা। সে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। প্রিয় সন্তানকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল বাবা বনি আমিন কুয়েত থেকে দেশে ফিরে এসেছেন।
ফাতেমার ছোট দাদি বলেন ,দুর্ঘটনার পর তাকে স্কুলে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে হাসপাতালে গিয়ে পাওয়া যায় ফাতেমার নিথর দেহ। রাতেই মরদেহ গ্রামে পৌঁছায়, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জানাজা শেষে কুনিয়া কাওমি মাদ্রাসা কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহতের চাচা বলেন, ফাতেমা তিন ভাইবোনের মধ্যে বড় ছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার, দাদিরও ছিল নাতনিকে চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন এখন শুধুই স্মৃতি।
এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এলাকায় এক নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে।

সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :

২২ জুলাই, ২০২৫,  9:21 PM

news image

ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিশু শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তারের মৃত্যুতে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার কুনিয়া গ্রামে চলছে শোকের মাতম। সোমবার (২১ জুলাই) বিকেলে দুর্ঘটনার খবর গ্রামে পৌঁছালে চারপাশে নেমে আসে বিষাদের ছায়া, স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠে এলাকার আকাশ-বাতাস।
নিহত ফাতেমা আক্তার উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের কুনিয়া গ্রামের প্রবাসী বনি আমিন ও রুপা দম্পতির কন্যা। সে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। প্রিয় সন্তানকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল বাবা বনি আমিন কুয়েত থেকে দেশে ফিরে এসেছেন।
ফাতেমার ছোট দাদি বলেন ,দুর্ঘটনার পর তাকে স্কুলে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে হাসপাতালে গিয়ে পাওয়া যায় ফাতেমার নিথর দেহ। রাতেই মরদেহ গ্রামে পৌঁছায়, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জানাজা শেষে কুনিয়া কাওমি মাদ্রাসা কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহতের চাচা বলেন, ফাতেমা তিন ভাইবোনের মধ্যে বড় ছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার, দাদিরও ছিল নাতনিকে চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন এখন শুধুই স্মৃতি।
এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এলাকায় এক নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে।