স্কুলছাত্রী অপহরণ মামলার আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
২৬ জুলাই, ২০২৫, 8:31 PM
স্কুলছাত্রী অপহরণ মামলার আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলাধীন সিংধা ইউনিয়নের কাঁকুড়া এলাকায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহিয়া সুলতানার (১৩) অপহরণকারীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন গ্রামাবাসী, শিক্ষার্থী ও স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে গ্রামবাসী ও ননী গোপাল মঞ্জুশ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্বজনরা মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা রাজীব মিয়া একজন দরিদ্র সিএনজি চালক। ভুক্তভোগীর বাবার মোবাইল ফোনে প্রায় সময়ই আসামি রিদয় খাঁন ইমো নাম্বারে কুরুচিপূর্ণ ম্যাসেজ করতো এবং ফোনে কথা বলতে চাইত। বিষয়টি জানতে পেরে আসামিকে ফোন করতে নিষেধ করলে আসামি হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়। পরে গত ২০ জুলাই রাত সাড়ে এগারটার দিকে ভুক্তভোগী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হলে আসামি রিদয় মিয়া ও আরো অজ্ঞাত দুই তিনজনের সহায়তায় ভুক্তভোগীর গলায় ও মুখে গামছা পেঁছিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও ভুক্তভোগীর খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন থেকে কৌশলে তার দাদাকে ফোন করলে পরদিন ভোর সাড়ে চারটার দিকে পরিবারের লোকজন গেরিয়া গ্রামের কালভার্টের উপর থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত রিদয় খান ও তার অজ্ঞাত সহযোগীদের পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেফতার করা হোক।
অপহরণের শিকার স্কুল শিক্ষার্থীর বাবা রাজিব মিয়া বলেন, আমার মেয়েকে প্রেম প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে রিদয় গলায় গামছা পেছিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আমি বিষয়টি নিয়ে বারহাট্টা থানায় অপহরণের মামলা করেছি।অথচ এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। আমার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার প্রয়োজন। আমি এক্ষেত্রে সাংবাদিক সহ সকলের সহযোগিতা চাই।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রিদয় খান ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার মুঠোফোনে কল করা হলেও কেউই ফোন ধরেনি।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কামরুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় মেয়ের বাবা বাদী হয়ে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এবং ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষাও করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
২৬ জুলাই, ২০২৫, 8:31 PM
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলাধীন সিংধা ইউনিয়নের কাঁকুড়া এলাকায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহিয়া সুলতানার (১৩) অপহরণকারীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন গ্রামাবাসী, শিক্ষার্থী ও স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে গ্রামবাসী ও ননী গোপাল মঞ্জুশ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্বজনরা মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা রাজীব মিয়া একজন দরিদ্র সিএনজি চালক। ভুক্তভোগীর বাবার মোবাইল ফোনে প্রায় সময়ই আসামি রিদয় খাঁন ইমো নাম্বারে কুরুচিপূর্ণ ম্যাসেজ করতো এবং ফোনে কথা বলতে চাইত। বিষয়টি জানতে পেরে আসামিকে ফোন করতে নিষেধ করলে আসামি হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়। পরে গত ২০ জুলাই রাত সাড়ে এগারটার দিকে ভুক্তভোগী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হলে আসামি রিদয় মিয়া ও আরো অজ্ঞাত দুই তিনজনের সহায়তায় ভুক্তভোগীর গলায় ও মুখে গামছা পেঁছিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও ভুক্তভোগীর খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন থেকে কৌশলে তার দাদাকে ফোন করলে পরদিন ভোর সাড়ে চারটার দিকে পরিবারের লোকজন গেরিয়া গ্রামের কালভার্টের উপর থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত রিদয় খান ও তার অজ্ঞাত সহযোগীদের পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেফতার করা হোক।
অপহরণের শিকার স্কুল শিক্ষার্থীর বাবা রাজিব মিয়া বলেন, আমার মেয়েকে প্রেম প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে রিদয় গলায় গামছা পেছিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আমি বিষয়টি নিয়ে বারহাট্টা থানায় অপহরণের মামলা করেছি।অথচ এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। আমার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার প্রয়োজন। আমি এক্ষেত্রে সাংবাদিক সহ সকলের সহযোগিতা চাই।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রিদয় খান ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার মুঠোফোনে কল করা হলেও কেউই ফোন ধরেনি।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কামরুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় মেয়ের বাবা বাদী হয়ে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এবং ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষাও করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।