ফটিকছড়িতে রাস্তার বাউন্ডারি নির্মাণে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের আশঙ্কা
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :
২৬ জুলাই, ২০২৫, 9:52 PM
ফটিকছড়িতে রাস্তার বাউন্ডারি নির্মাণে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের আশঙ্কা
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর এলাকায় রাস্তার উপর খাদ্য বিভাগের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাঞ্চননগরের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সংযুক্ত। ফটিকছড়ি - কাঞ্চননগরের ব্যস্ততম এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। এটা একটি টার্নিং পয়েন্ট। অথচ প্রশাসন বেদখল জায়গা উদ্ধারের পর সেখানে যে বাউন্ডারি নির্মাণ করছে, তা সরাসরি রাস্তার উপর, ফলে যাতায়াতে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়বে সবাই।
স্থানীয়রা জানান, কাঞ্চননগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, হযরত শাহ রুস্তম ফকির মসজিদ, কাঞ্চননগর রুস্তুমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাঞ্চননগর রুস্তুমিয়া মুনিরুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসা, শিশু কানন কেজি স্কুল, নুরানী মাদ্রাসা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ মোট ৬টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সংযুক্ত এই রাস্তা দিয়ে। বাউন্ডারি ওয়াল এভাবে রাস্তায় দিলে একটি গাড়ি দাঁড়ালে আরেকটি আর চলাচল করতে পারবে না।
স্থানীয়রা আরও বলেন, বাউন্ডারি নির্মাণে আমাদের কোনো আপত্তি নেই, তবে সেটি যদি ৩/৪ ফুট ভিতরে সরিয়ে দেয়া হয়, তবে শিক্ষার্থী ও পথচারীদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে যাবে। এ বিষয়ে শতাধিক এলাকাবাসীর গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছেন।
স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও তাদের দুর্ভোগের কথা জানিয়ে বলেন, এই রাস্তায় আগে থেকেই পানি জমে থাকে, দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। এখন আবার রাস্তায় ওয়াল নির্মাণ করা হলে চলাচল আরও কঠিন হয়ে যাবে। ওয়ালটি ভিতরে সরিয়ে দিলে আমাদের যাতায়াত অনেক সহজ হতো।
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য অফিসার মুস্তাফিজুর রহমান কিছুটা দাম্ভিকতা করে বলেন, “এটা কি বিশ্ব রোড হবে? ঢাকা ট্রাঙ্ক রোড হবে নাকি? আমাদের জায়গায় বাউন্ডারিটি দেয়া হচ্ছে।
এলাকাবাসী অভিযোগ করলে প্রশাসনে লিখিত অভিযোগ করুক।”
এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বেদখল জায়গা উদ্ধারের পর সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। মানুষের চলাচলে যেন অসুবিধা না হয়, সেভাবেই নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারপরও সমস্যা হলে খাদ্য বিভাগকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করা হবে।
জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে শিক্ষার্থীদের চলাচলের ঝুঁকির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :
২৬ জুলাই, ২০২৫, 9:52 PM
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর এলাকায় রাস্তার উপর খাদ্য বিভাগের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাঞ্চননগরের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সংযুক্ত। ফটিকছড়ি - কাঞ্চননগরের ব্যস্ততম এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। এটা একটি টার্নিং পয়েন্ট। অথচ প্রশাসন বেদখল জায়গা উদ্ধারের পর সেখানে যে বাউন্ডারি নির্মাণ করছে, তা সরাসরি রাস্তার উপর, ফলে যাতায়াতে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়বে সবাই।
স্থানীয়রা জানান, কাঞ্চননগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, হযরত শাহ রুস্তম ফকির মসজিদ, কাঞ্চননগর রুস্তুমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাঞ্চননগর রুস্তুমিয়া মুনিরুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসা, শিশু কানন কেজি স্কুল, নুরানী মাদ্রাসা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ মোট ৬টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সংযুক্ত এই রাস্তা দিয়ে। বাউন্ডারি ওয়াল এভাবে রাস্তায় দিলে একটি গাড়ি দাঁড়ালে আরেকটি আর চলাচল করতে পারবে না।
স্থানীয়রা আরও বলেন, বাউন্ডারি নির্মাণে আমাদের কোনো আপত্তি নেই, তবে সেটি যদি ৩/৪ ফুট ভিতরে সরিয়ে দেয়া হয়, তবে শিক্ষার্থী ও পথচারীদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে যাবে। এ বিষয়ে শতাধিক এলাকাবাসীর গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছেন।
স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও তাদের দুর্ভোগের কথা জানিয়ে বলেন, এই রাস্তায় আগে থেকেই পানি জমে থাকে, দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। এখন আবার রাস্তায় ওয়াল নির্মাণ করা হলে চলাচল আরও কঠিন হয়ে যাবে। ওয়ালটি ভিতরে সরিয়ে দিলে আমাদের যাতায়াত অনেক সহজ হতো।
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য অফিসার মুস্তাফিজুর রহমান কিছুটা দাম্ভিকতা করে বলেন, “এটা কি বিশ্ব রোড হবে? ঢাকা ট্রাঙ্ক রোড হবে নাকি? আমাদের জায়গায় বাউন্ডারিটি দেয়া হচ্ছে।
এলাকাবাসী অভিযোগ করলে প্রশাসনে লিখিত অভিযোগ করুক।”
এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বেদখল জায়গা উদ্ধারের পর সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। মানুষের চলাচলে যেন অসুবিধা না হয়, সেভাবেই নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারপরও সমস্যা হলে খাদ্য বিভাগকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করা হবে।
জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে শিক্ষার্থীদের চলাচলের ঝুঁকির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সম্পর্কিত