বিএমএসএফের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সাধারণ সভায় সাংবাদিকদের স্বার্থরক্ষায় সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ’
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০১ আগস্ট, ২০২৫, 4:01 AM
বিএমএসএফের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সাধারণ সভায় সাংবাদিকদের স্বার্থরক্ষায় সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ’
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাধারণ সভা বুধবারে বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মফস্বল সাংবাদিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়া এই সংগঠনের অনুষ্ঠানে অংশ নেন সারাদেশের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এবং গণ্যমান্য অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএমএসএফ-এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।
বক্তব্য রাখেন রফিকুল ইসলাম, আমির হোসেন, যুগরত্ন সাংবাদিক সম্মাননা প্রাপ্ত যমুনা টিভির সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি দুলাল সাহা, দ্যা এক্সাম্পলের সম্পাদক মিজানুর রহমান মোল্লা, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, জসীম উদ্দীন চাষী, জহুরুল হক জহির, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. তাওহীদ হাসান, খোকন আহমেদ হীরা, গাউছ উর রহমান, সৈয়দ খায়রুল আলম, সহ-দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, তারিক লিটু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি জাকির হোসেন, শাহাদাত হোসেন শাওন, আজাদ হোসেন আওলাদ মিয়া, ফেনী শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হাসনাত তুহিন, মোঃ সাদ্দাম গনি, মোস্তাফিজুর রহমান মিরাজ, ছাতক শাখার সভাপতি মুশাহিদ আলী, সাভারের ইউসুফ আলী খান, নাজমুল হক, ভুইয়া কামরুল হাসান সোহাগ এবং সাংবাদিক ও গবেষক এস এস রুশদী। আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক একুশের বানী সম্পাদক মোঃ আশরাফ সরকার, একুশের টিভির প্রতিনিধি আব্দুছ সালাম, বিএমএসএফ'র সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল হামিদ খান, কেন্দ্রীয় নেতা ও শ্রীপুর কমিটির সভাপতি আব্দুল বাতেন বাচ্চু সহ প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোঃ আল মাসুম খান, সমন্বয়ক মিডিয়া ও প্রচার উপ-কমিটি।
অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে জাতীয় সংগীত ও বিএমএসএফের নিজস্ব সংগীত পরিবেশনা, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম দেশের একমাত্র সংগঠন, যা একটি ট্রাস্টি বোর্ডের মাধমে পরিচালিত হচ্ছে। সংগঠনটি আর্থিকভাবে অসচ্ছল হলেও নির্যাতিত বা মামলা-হামলার শিকার সাংবাদিকদের পাশে নিয়মিতভাবে দাঁড়াচ্ছে। ভবিষ্যতে ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান এবং মানবিক সহায়তা প্রদান করছে সংগঠনটি।
তারা আরও বলেন, “বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে বিএমএসএফের ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। সরকার ও গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন, নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। অন্যথায় মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে।”
সভাপতির বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর বলেন,“গত ১৩বছর ধরে এই সংগঠনকে সন্তানের মতো লালন করেছি। প্রতিটি প্রান্তিক পর্যায়ের সাংবাদিকদের পাশে থেকে আমরা কাজ করেছি। সাংবাদিকদের আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সামনে বিএমএসএফ আরও বড় পরিসরে, আরও শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করবে।”
বিএমএসএফ-এর ভবিষ্যৎ অঙ্গীকার ও পরিকল্পনা, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিতে সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টি, মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য নিয়োগ ও বেতন কাঠামো নিশ্চিতকরণ, নির্যাতিত সাংবাদিকদের জন্য তহবিল ও আইনি সহায়তা, সাংবাদিকদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, ৮ বিভাগে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় দেশে-বিদেশে সোচ্চার কণ্ঠে আওয়াজ তোলার আহবান জানানো হয়।
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) বিশ্বাস করে, প্রান্তিক সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা স্থায়ী হতে পারে না। তাই সংগঠনটি অতীতের মতো আগামীতেও সাংবাদিকদের পাশে থেকে সব ধরনের আন্দোলন ও নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০১ আগস্ট, ২০২৫, 4:01 AM
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাধারণ সভা বুধবারে বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মফস্বল সাংবাদিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়া এই সংগঠনের অনুষ্ঠানে অংশ নেন সারাদেশের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এবং গণ্যমান্য অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএমএসএফ-এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।
বক্তব্য রাখেন রফিকুল ইসলাম, আমির হোসেন, যুগরত্ন সাংবাদিক সম্মাননা প্রাপ্ত যমুনা টিভির সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি দুলাল সাহা, দ্যা এক্সাম্পলের সম্পাদক মিজানুর রহমান মোল্লা, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, জসীম উদ্দীন চাষী, জহুরুল হক জহির, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. তাওহীদ হাসান, খোকন আহমেদ হীরা, গাউছ উর রহমান, সৈয়দ খায়রুল আলম, সহ-দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, তারিক লিটু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি জাকির হোসেন, শাহাদাত হোসেন শাওন, আজাদ হোসেন আওলাদ মিয়া, ফেনী শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হাসনাত তুহিন, মোঃ সাদ্দাম গনি, মোস্তাফিজুর রহমান মিরাজ, ছাতক শাখার সভাপতি মুশাহিদ আলী, সাভারের ইউসুফ আলী খান, নাজমুল হক, ভুইয়া কামরুল হাসান সোহাগ এবং সাংবাদিক ও গবেষক এস এস রুশদী। আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক একুশের বানী সম্পাদক মোঃ আশরাফ সরকার, একুশের টিভির প্রতিনিধি আব্দুছ সালাম, বিএমএসএফ'র সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল হামিদ খান, কেন্দ্রীয় নেতা ও শ্রীপুর কমিটির সভাপতি আব্দুল বাতেন বাচ্চু সহ প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোঃ আল মাসুম খান, সমন্বয়ক মিডিয়া ও প্রচার উপ-কমিটি।
অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে জাতীয় সংগীত ও বিএমএসএফের নিজস্ব সংগীত পরিবেশনা, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম দেশের একমাত্র সংগঠন, যা একটি ট্রাস্টি বোর্ডের মাধমে পরিচালিত হচ্ছে। সংগঠনটি আর্থিকভাবে অসচ্ছল হলেও নির্যাতিত বা মামলা-হামলার শিকার সাংবাদিকদের পাশে নিয়মিতভাবে দাঁড়াচ্ছে। ভবিষ্যতে ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান এবং মানবিক সহায়তা প্রদান করছে সংগঠনটি।
তারা আরও বলেন, “বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে বিএমএসএফের ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। সরকার ও গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন, নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। অন্যথায় মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে।”
সভাপতির বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর বলেন,“গত ১৩বছর ধরে এই সংগঠনকে সন্তানের মতো লালন করেছি। প্রতিটি প্রান্তিক পর্যায়ের সাংবাদিকদের পাশে থেকে আমরা কাজ করেছি। সাংবাদিকদের আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সামনে বিএমএসএফ আরও বড় পরিসরে, আরও শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করবে।”
বিএমএসএফ-এর ভবিষ্যৎ অঙ্গীকার ও পরিকল্পনা, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিতে সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টি, মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য নিয়োগ ও বেতন কাঠামো নিশ্চিতকরণ, নির্যাতিত সাংবাদিকদের জন্য তহবিল ও আইনি সহায়তা, সাংবাদিকদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, ৮ বিভাগে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় দেশে-বিদেশে সোচ্চার কণ্ঠে আওয়াজ তোলার আহবান জানানো হয়।
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) বিশ্বাস করে, প্রান্তিক সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা স্থায়ী হতে পারে না। তাই সংগঠনটি অতীতের মতো আগামীতেও সাংবাদিকদের পাশে থেকে সব ধরনের আন্দোলন ও নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
সম্পর্কিত