হালদা নদী থেকে সাড়ে ১৩ কেজি ওজনের মৃত মা-মাছ উদ্ধার
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :
০৪ আগস্ট, ২০২৫, 8:02 PM
হালদা নদী থেকে সাড়ে ১৩ কেজি ওজনের মৃত মা-মাছ উদ্ধার
দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র নদী হালদা থেকে সাড়ে ১৩ কেজি ওজনের একটি মৃত মৃগেল মা-মাছ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়নে হালদার অংশের শাহ মাদারী হ্যাচারি এলাকা থেকে হালদার অস্থায়ী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক রমজান আলী মাছটি উদ্ধার করে। যার দৈর্ঘ্য ৪২ ইঞ্চি আর প্রস্থ ১৮ ইঞ্চি। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা অতিরিক্ত সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির পক্ষ থেকে মৃত মা মাছটিকে মাটি চাপা দিতে বলা হয়েছে। সেই অনুযায়ী মা-মাছটি মাটিচাপা দেওয়া হয়। এবিষয়ে হালদা গবেষক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২৫ সালের প্রথম থেকে এপর্যন্ত হালদা থেকে মোট ৬টা মৃত মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে মে মাসে ২টা কাতলা ও ১টা মৃগেল, জুন মাসে ২টা কাতলা ও আজকে ১টা মৃগেল। বর্তমানে হালদা নদী হচ্ছে অরক্ষিত। যে যার মতো দেদারসে যা ইচ্ছা তাই করতেছে। বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করতেছে। বিভিন্ন জায়গায় অসাধু চক্র সরাসরি জাল বা বড়শি দিয়ে মাছ মারতেছে। অনেক শাখা খাল গুলোতে বিষ দিয়ে মাছ মারতেছে। তারমানে বর্তমানে হালদা হচ্ছে অরক্ষিত। হালদাকে দেখাশুনা করার কেউ নাই। তাদের সক্রিয়তা চোখে পরার মতো, আমরা এগুলো দেখতেছি। এসব বন্ধ করার জন্য প্রশাসনকে যে কাজ গুলো করতে হবে তাহলো হালদায় স্থানীয় নৌ-পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিসের তৎপরতা আরো বাড়াতে হবে। নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে। তাহলে এই জিনিস গুলো বন্ধ হয়ে আসবে বলে আমি মনে করি।
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :
০৪ আগস্ট, ২০২৫, 8:02 PM
দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র নদী হালদা থেকে সাড়ে ১৩ কেজি ওজনের একটি মৃত মৃগেল মা-মাছ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়নে হালদার অংশের শাহ মাদারী হ্যাচারি এলাকা থেকে হালদার অস্থায়ী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক রমজান আলী মাছটি উদ্ধার করে। যার দৈর্ঘ্য ৪২ ইঞ্চি আর প্রস্থ ১৮ ইঞ্চি। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা অতিরিক্ত সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির পক্ষ থেকে মৃত মা মাছটিকে মাটি চাপা দিতে বলা হয়েছে। সেই অনুযায়ী মা-মাছটি মাটিচাপা দেওয়া হয়। এবিষয়ে হালদা গবেষক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২৫ সালের প্রথম থেকে এপর্যন্ত হালদা থেকে মোট ৬টা মৃত মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে মে মাসে ২টা কাতলা ও ১টা মৃগেল, জুন মাসে ২টা কাতলা ও আজকে ১টা মৃগেল। বর্তমানে হালদা নদী হচ্ছে অরক্ষিত। যে যার মতো দেদারসে যা ইচ্ছা তাই করতেছে। বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করতেছে। বিভিন্ন জায়গায় অসাধু চক্র সরাসরি জাল বা বড়শি দিয়ে মাছ মারতেছে। অনেক শাখা খাল গুলোতে বিষ দিয়ে মাছ মারতেছে। তারমানে বর্তমানে হালদা হচ্ছে অরক্ষিত। হালদাকে দেখাশুনা করার কেউ নাই। তাদের সক্রিয়তা চোখে পরার মতো, আমরা এগুলো দেখতেছি। এসব বন্ধ করার জন্য প্রশাসনকে যে কাজ গুলো করতে হবে তাহলো হালদায় স্থানীয় নৌ-পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিসের তৎপরতা আরো বাড়াতে হবে। নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে। তাহলে এই জিনিস গুলো বন্ধ হয়ে আসবে বলে আমি মনে করি।
সম্পর্কিত