ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

বাগেরহাটে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার  বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

#
news image

বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ সারোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও সেবা গ্রহীতাদের  সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ  উঠেছে। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওই ইউনিয়নের সব গ্রাম পুলিশসহ সকল কর্মচারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।  বুধবার (৬ আগষ্ট) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুস্তাফিজুর রহমানের কার্যালয়ে এসে তারা এই অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,  প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে মোঃ সরোয়ার হোসেন রাখালগাছি ইউনিয়নে যোগ দেয়ার পর থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা সেবা  গ্রহীতাদের সাথে খারাপ আচরণ শুরু করেন। তার এই স্বেচ্ছাসারি আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই তিনি তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।  তার এই উগ্র আচরণ থেকে কেউই রক্ষা পাচ্ছে না।  এমনকি পরিষদের চৌকিদার, দফাদার, উদ্যোক্তা, আয়া কাউকেই তিনি স্বাভাবিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করতে দিচ্ছেন না। ইউনিয়ন পরিষদে একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। 
রাখালগাছি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ  মোঃ বোরহান উদ্দিন জানান,  প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ  সরোয়ার হোসেন কাউকে সামান্য সম্মান দিতে জানেন না।  সব সময় তিনি ইউনিয়নবাসী ও গ্রাম পুলিশদের সাথে খারাপ আচরণ করেন।  তার সাথে কাজ করার কোন সুযোগ নেই।  তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া দাবি জানান এই গ্রাম পুলিশ।
পাঁচ নাম্বার ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মোস্তফা হাওলাদার জানান,  ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ  সরোয়ার হোসেন  এর আগেও এই ইউনিয়নে ছিলেন।  সেই সময় তিনি নানা অনিয়ম করে গেছেন।  সেই অনিয়মের বোঝা এখনো ইউনিয়নের লোকজন বয়ে বেড়াচ্ছে। এবার  নির্বাচিত চেয়ারম্যান মেম্বার না থাকায়  তিনি আরও   বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। প্রতিনিয়ত তিনি চৌকিদার দফাদারদের সাথে খারাপ আচরণ করেই চলেছেন।  এজন্য সকল চৌকিদার দফাদার মিলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ সারোয়ার হোসেন তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।
এ বিষয়ে রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সদর উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো: ইলিয়াস খান বলেন,  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর  রাখালগাছি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ও কর্মচারীদের করা অভিযোগের একটি কপি তিনি পেয়েছেন।  এসব কর্মচারীরা  প্রশাসনিক কর্মকর্তা  সরোয়ার হোসেনের সাথে কাজ করতে চান না।  বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তার সঙ্গে এখনো কথা বলতে পারিনি।
 বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাখালগাছি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সরোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগ  তিনি পেয়েছেন।  বিষয়টি তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 বাগেরহাট স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ  মোঃ ফখরুল হাসান জানান, রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার নানা অনিয়মের কথা তিনি শুনেছেন।  এর আগেও ফকিরহাট উপজেলার ইউনিয়নে প্রশাসনিক কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে।  অভিযোগগুলো তদন্ত করার জন্য বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে  নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :

০৬ আগস্ট, ২০২৫,  8:38 PM

news image

বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ সারোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও সেবা গ্রহীতাদের  সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ  উঠেছে। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওই ইউনিয়নের সব গ্রাম পুলিশসহ সকল কর্মচারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।  বুধবার (৬ আগষ্ট) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুস্তাফিজুর রহমানের কার্যালয়ে এসে তারা এই অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,  প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে মোঃ সরোয়ার হোসেন রাখালগাছি ইউনিয়নে যোগ দেয়ার পর থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা সেবা  গ্রহীতাদের সাথে খারাপ আচরণ শুরু করেন। তার এই স্বেচ্ছাসারি আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই তিনি তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।  তার এই উগ্র আচরণ থেকে কেউই রক্ষা পাচ্ছে না।  এমনকি পরিষদের চৌকিদার, দফাদার, উদ্যোক্তা, আয়া কাউকেই তিনি স্বাভাবিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করতে দিচ্ছেন না। ইউনিয়ন পরিষদে একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। 
রাখালগাছি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ  মোঃ বোরহান উদ্দিন জানান,  প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ  সরোয়ার হোসেন কাউকে সামান্য সম্মান দিতে জানেন না।  সব সময় তিনি ইউনিয়নবাসী ও গ্রাম পুলিশদের সাথে খারাপ আচরণ করেন।  তার সাথে কাজ করার কোন সুযোগ নেই।  তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া দাবি জানান এই গ্রাম পুলিশ।
পাঁচ নাম্বার ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মোস্তফা হাওলাদার জানান,  ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ  সরোয়ার হোসেন  এর আগেও এই ইউনিয়নে ছিলেন।  সেই সময় তিনি নানা অনিয়ম করে গেছেন।  সেই অনিয়মের বোঝা এখনো ইউনিয়নের লোকজন বয়ে বেড়াচ্ছে। এবার  নির্বাচিত চেয়ারম্যান মেম্বার না থাকায়  তিনি আরও   বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। প্রতিনিয়ত তিনি চৌকিদার দফাদারদের সাথে খারাপ আচরণ করেই চলেছেন।  এজন্য সকল চৌকিদার দফাদার মিলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ সারোয়ার হোসেন তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।
এ বিষয়ে রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সদর উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো: ইলিয়াস খান বলেন,  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর  রাখালগাছি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ও কর্মচারীদের করা অভিযোগের একটি কপি তিনি পেয়েছেন।  এসব কর্মচারীরা  প্রশাসনিক কর্মকর্তা  সরোয়ার হোসেনের সাথে কাজ করতে চান না।  বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তার সঙ্গে এখনো কথা বলতে পারিনি।
 বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাখালগাছি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সরোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগ  তিনি পেয়েছেন।  বিষয়টি তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 বাগেরহাট স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ  মোঃ ফখরুল হাসান জানান, রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার নানা অনিয়মের কথা তিনি শুনেছেন।  এর আগেও ফকিরহাট উপজেলার ইউনিয়নে প্রশাসনিক কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে।  অভিযোগগুলো তদন্ত করার জন্য বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে  নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।