ঢাকা ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে সংগীতা আইডিয়াল হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন  গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী সুযোগ নিতে পারে জামায়াত

টানা বৃষ্টিতে সিরাজগঞ্জে বাড়ছে যমুনার পানি

#
news image

পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ৪ আগস্ট থেকে নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। ফলে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।

এমতবস্থায় নদীতীরের ৫টি উপজেলা সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নদীতীরের নিম্নাঞ্চলের আবাদি জমির ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে বসতবাড়িও। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিবছরই বর্ষায় এমন অবস্থা হয়। আগাম ব্যবস্থা না নিলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়বে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৫৪ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে ৩ সেন্টিমিটার বেড়ে ১৯১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আরও জানান, আপাতত বন্যার শঙ্কা না থাকলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

০৯ আগস্ট, ২০২৫,  4:04 AM

news image

পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ৪ আগস্ট থেকে নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। ফলে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।

এমতবস্থায় নদীতীরের ৫টি উপজেলা সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নদীতীরের নিম্নাঞ্চলের আবাদি জমির ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে বসতবাড়িও। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিবছরই বর্ষায় এমন অবস্থা হয়। আগাম ব্যবস্থা না নিলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়বে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৫৪ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে ৩ সেন্টিমিটার বেড়ে ১৯১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আরও জানান, আপাতত বন্যার শঙ্কা না থাকলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে